ইমাম জাফর সাদিক (আ.): মুহাম্মাদি ইসলামের অনন্য নক্ষত্র

ইমাম জাফর সাদিক (আ.): মুহাম্মাদি ইসলামের অনন্য নক্ষত্র

১৪৮ হিজরির ২৫ শাওয়াল ইসলামের ইতিহাসে এক গভীর শোকাবহ দিন। কারণ, এই দিনে শাহাদত বরণ করেন মুসলিম বিশ্বের প্রাণপ্রিয় প্রবাদ-পুরুষ ইমাম আবু আব্দুল্লাহ জাফর আস সাদিক (আ.)। এই মহাপুরুষের শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে সবাইকে জানাচ্ছি গভীর শোক ও সমবেদনা। ইমাম জা’ফর আস সাদিক (আ.)ছিলেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)’র পবিত্র আহলে বাইতের অন্যতম সদস্য। সততার কারণে তিনি "সাদিক" বা সত্যবাদী নামে খ্যাত। 

আহজাব যুদ্ধের প্রধান বীর আলীর সেই 'আঘাত' সম্পর্কে বিশ্বনবীর (সা) মন্তব্য

আহজাব যুদ্ধের প্রধান বীর আলীর সেই 'আঘাত' সম্পর্কে বিশ্বনবীর (সা) মন্তব্য

১৭ শাওয়াল ঐতিহাসিক আহজাব বা খন্দক যুদ্ধ-জয়ের বার্ষিকী। ১৪৩৪ চন্দ্র-বছর আগে পঞ্চম হিজরির এই দিনে ঐতিহাসিক এ যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছিল মুসলমানরা। এ যুদ্ধেরও প্রধান বীর ছিলেন মুমিনদের নেতা তথা আমিরুল মু'মিনিন হযরত আলী (আ.)। আলী (আ.)-কে বিশ্বনবী (সা.)'র উপহার দেয়া অমর তরবারি জুলফিকারের অব্যর্থ আঘাতে নিহত হয়েছিল কাফির শিবিরের প্রধান দুর্ধর্ষ যোদ্ধা আমর ইবনে আবদে উদ।

মদিনায় পবিত্র জান্নাতুল বাকি গোরস্তান। ওয়াহাবিদের ধ্বংসযজ্ঞের আগের একটি দৃশ্য।

জান্নাতুল বাকিতে ওয়াহাবিদের ধ্বংসযজ্ঞ ওদের ইহুদিবাদী চরিত্রেরই প্রকাশ

৮ শাওয়াল ইসলামের ইতিহাসের এক শোকাবহ দিন। ৯৫ চন্দ্র-বছর আগে এই দিনে ওয়াহাবি ধর্মদ্রোহীরা পবিত্র মক্কা ও মদিনায় ক্ষমার অযোগ্য কিছু পাপাচার ও নজিরবিহীন বর্বরতায় লিপ্ত হয়েছিল।

কেন ও কীভাবে ইরানি যাত্রীবাহী বিমান ধ্বংস করেছিল আমেরিকা?

কেন ও কীভাবে ইরানি যাত্রীবাহী বিমান ধ্বংস করেছিল আমেরিকা?

আজ থেকে ৩০ বছর আগে ১৯৮৮ সালের এই দিনে ইরানের একটি যাত্রীবাহী বিমান ধ্বংস করে দেয় মার্কিন নৌবাহিনী। পারস্য উপসাগরে ইরান উপকূলের সমুদ্রসীমায় ঢুকে ‘ভিনসেন্স’ নামের একটি মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ ওই সন্ত্রাসী হামলা চালায়। ফলে বিমানটির ২৯৮ জন আরোহীর সবাই প্রাণ হারান। বিমানটিতে ছিল ৬৬টি শিশু ও ৫৩ জন মহিলা । বিদেশি নাগরিক ছিল ৪৬ জন। 

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের একের পর এক মিথ্যাচারের স্বরূপ: পর্ব-দুই

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের একের পর এক মিথ্যাচারের স্বরূপ: পর্ব-দুই

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু সমঝোতাকে 'বিপর্যয়' অভিহিত করে বলেছেন, "এ চুক্তির কল্যাণে ইরান এ পর্যন্ত কোটি কোটি নগদ ডলার ফিরে পেয়েছে।" এটা ঠিক যে পরমাণু সমঝোতার কারণে ইরানের হাতে এসব অর্থ হস্তগত হয়েছে। তবে এসব অর্থ ইরানের নিজস্ব এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে এসব ডলার এতদিন বিদেশে আটকে ছিল।

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের একের পর এক মিথ্যাচারের স্বরূপ: পর্ব-এক

ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের একের পর এক মিথ্যাচারের স্বরূপ: পর্ব-এক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ৮মে ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর চুক্তিকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বহুবার পরমাণু সমঝোতাকে এক ধরনের মিথ্যাচার ও সবচেয়ে খারাপ চুক্তি বলে অভিহিত করেছেন। তিনি শুধু যে পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গেছেন তাই নয় একই সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধেও মিথ্যা অভিযোগ আরোপ করেছেন।