• এই বৃদ্ধের জীবনেরও নিরাপত্তা নেই মিয়ানমারে। প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশে।
    এই বৃদ্ধের জীবনেরও নিরাপত্তা নেই মিয়ানমারে। প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও উগ্র বৌদ্ধদের দমন-পীড়ন ও ধর্ষণের হাত থেকে বাঁচতে চলতি মাসের প্রথম চার দিনে (১-৪ সেপ্টেম্বর) এক লাখ ২০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে।

বৃদ্ধ বাবা আবদুর রহমানকে বহন করে বাংলাদেশে আনছেন দুই সন্তান

চার দিনে টেকনাফ, উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ৩৩টির বেশি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে তারা পালিয়ে এসেছে। এর আগের ৮ দিনে এসেছে আরও ৬০ হাজার।

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢল

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন, নাফ নদীর মিয়ানমার সীমান্তে ভাসছে অসংখ্য মৃতদেহ। রাখাইন রাজ্যে সেনা ও পুলিশ রোহিঙ্গাদের গুলি করে হত্যা করছে। তারপর লাশ নদীতে ফেলে দিচ্ছে। সেই লাশ টেকনাফ উপকূলে ভেসে আসছে।

সব হারিয়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গারা

২৪ আগস্ট থেকে রাখাইন রাজ্যে দমন অভিযান চালাচ্ছে মিয়ানমারের সেনা ও পুলিশ। তারা সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে রোহিঙ্গা যুবকদের ধরে নিয়ে হত্যা করছে। জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি। রাখাইন রাজ্যের মংগদু জেলার ঢেকিবুনিয়া, চাকমাকাটা, ফরিকরাবাজার, তুমব্রু, কুমিরখালী, বলীবাজার, টংবাজার, সাহাববাজারসহ রোহিঙ্গা–অধ্যুষিত অন্তত ২৫টি গ্রাম এখন মানুষশূন্য। ইতোমধ্যে কয়েকশ রোহিঙ্গা প্রাণ হারিয়েছে। 

 টেকনাফের একটি টিলায় অস্থায়ী বসতি গড়েছে একটি রোহিঙ্গা পরিবার। ঘুমিয়ে আছে কয়েকটি ক্লান্ত শিশু। 

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৫

 

ট্যাগ

২০১৭-০৯-০৫ ১৭:১৭ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য