• রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ পাঠাল জাতিসংঘ ও আরব আমিরাত, ইইউ'র অর্থ বরাদ্দ

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও উগ্র বৌদ্ধদের নির্যাতন থেকে প্রাণে বাঁচতে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করা রোহিঙ্গাদের জন্য বিভিন্ন দেশ ও সংগঠন ত্রাণ পাঠানোর পক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ত্রাণ নিয়ে জাতিসংঘের দুটি ফ্লাইট আজ বাংলাদেশে পৌঁছেছে। তাছাড়া, ৩৪ টন ত্রাণ সহায়তা নিয়ে চারটি পন্যবাহী বিমান ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা একটি বিমান ভাড়া করে তাতে রোহিঙ্গাদের জন্য আশ্রয়ের সামগ্রী, ঘুমানোর জন্য মাদুর ও জরুরি অন্যান্য সরবরাহ পাঠিয়েছে। দ্বিতীয় ফ্লাইটটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তায় প্রায় দুই হাজার পরিবারের জন্য তাঁবু বহন করেছে। এক লাখ ২০ হাজার শরণার্থীর কাছে পৌঁছানো যায় এমন পরিকল্পনা নিয়ে আরো ফ্লাইট পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে জাতিসংঘের। 

তাছাড়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মানবিক সহায়তা ও সঙ্কট ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কমিশনার ক্রিসতোস্ত স্তিলিয়ানিদেস রোহিঙ্গাদের জন্য আরও ৩০ লাখ ইউরো বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন।  

এর আগে কমিশনার স্তিলিয়ানিদেস গত মে মাসে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশ পরিদর্শন করে রোহিঙ্গাদের জন্য এক কোটি ২০ লাখ ইউরো মানবিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

নতুন করে বরাদ্দ করা বাড়তি অর্থ বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে বেসামরিক রোহিঙ্গাদের সঙ্কটকালীন প্রয়োজন মেটাতে ব্যয় করা হবে বলে জানান তিনি।

কমিশনার স্তিলিয়ানিদেস বলেন, “পরিস্থিতি সঙ্কটাপন্ন হওয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) জরুরিভিত্তিতে এই মানবিক সহায়তা দিচ্ছে।

“এই বাড়তি অর্থ নতুন করে বাংলাদেশে আসা শরণার্থী এবং পরবর্তীতে মিয়ানমারে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পুনরায় শুরুর পর সেখানকার মানুষের (রোহিঙ্গা) আশ্রয়, পানি, খাদ্য ও স্বাস্থ্য সহায়তায় ব্যয় হবে।”

ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই অর্থ জাতিসংঘ এবং রেডক্রসসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত জনসাধারণের জন্য ব্যয় করা হবে।#

পার্সটুডে/বাবুল আখতার/১৩

 

২০১৭-০৯-১৩ ১৯:০৩ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য