• সস্ত্রীক অভিযুক্ত ফরহাদ মজহার, অপহরণের প্রমাণ পায় নি পুলিশ

বাংলাদেশের বিশিষ্ট নাগরিক, প্রাবন্ধিক ও বিশ্লেষক ফরহাদ মজহারকে অপহরণ ঘটনার চারমাস পরে পুলিশ আজ আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করে জানিয়েছে, "ঘটনার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।"

ঢাকার মহানগর হাকিম খুরশিদ আলমের আদালতে মামলার প্রতিবেদন দাখিল করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পরিদর্শক মাহবুবুল ইসলাম ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রী ফরিদা আখতারের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমতি চেয়েছে। আদালত এ বিষয়ে আগামী ৭ ডিসেম্বর শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।

ঢাকার অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার আনিসুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, পুলিশকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানির অভিযোগে ফরহাদ মজহার ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১০৯ ও ২১১ ধারা অনুযায়ী মামলার আবেদন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৩ জুলাই ভোরে রাজধানীর শ্যামলীর বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ফরহাদ মজহার। পরে তিনি নিজের মোবাইল ফোন থেকে কল করে স্ত্রী ফরিদা আক্তারকে জানান, তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মেরে ফেলাও হতে পারে। এরপর ওইদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয়বার তার স্ত্রীর কাছে ফোন করে ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়। ঘটনার ১৯ ঘণ্টা পর যশোরের অভয়নগরে হানিফ পরিবহনের বাস থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিন রাতে ফরিদা আক্তার বাদী হয়ে আদাবর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

উদ্ধারের পর প্রথমে ফরহাদ মজহারকে খুলনায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে সেখান থেকে সকাল পৌনে নয়টার দিকে তাঁকে ঢাকার আদাবর থানায় আনা হয়। এরপর নিয়ে যাওয়া হয় মিন্টো রোডে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে, সেখান থেকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। ভিকটিম হিসেবে সেদিন তিনি আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে তাঁকে নিজের জিম্মায় দেন আদালত।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৪

 

২০১৭-১১-১৪ ১৬:৫৮ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য