• অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ আর প্রচার-প্রচারণায় জমজমাট গাজীপুর সিটি নির্বাচন

আগামী ২৬ জুন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। ভোট গ্রহণের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে উত্তাপ। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন মেয়র, কাউন্সিল এবং সংরক্ষিত কাউন্সিল পদপ্রার্থীরা। তবে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই প্রার্থীর মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা।

ভোটগ্রহণের আর বাকি মাত্র পাঁচদিন। দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে বিরামহীন প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে থানা কাউন্সিল, শিমুলতলী, ভাড়ারুল, জামতলাসহ বিভিন্ন এলাকায় পথসভা ও জনসংযোগ করেন। এ সময়, নিজের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে সবার সমর্থন চান তিনি। বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারের সেনা মোতায়েনের দাবি প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তারা গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তারা নির্বাচন ও সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করতে চায়। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে চায়।

বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার (বামে) এবং আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম।

এদিকে, আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পরাজয় নিশ্চিত জেনেই বিএনপি নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেফতার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার। তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস দিলেও এরপর থেকে পরিস্থিতি উল্টো। স্থানীয় প্রশাসন গণহারে বিএনপি নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করছে। ডিবি পুলিশের অভিযান, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হামলা ও হুমকি ধামকির অভিযোগ করেন হাসান সরকার।

২৬ জুন, ভোট দিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে মেয়র নির্বাচিত করতে চান গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন ভোটার। নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থীসহ ৭জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও ৫৭টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ২৫৪ জন এবং ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৮৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একটি ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।#

পার্সটুুডে/শামস মন্ডল/বাবুল আখতার/২১

 

 

২০১৮-০৬-২১ ১৮:২৪ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য