• সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন ওবায়দুল কাদের
    সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি যতই রঙিন খোয়াব দেখুক, ২০০১ সালের মতো সেই নীলনকশার নির্বাচন বাংলাদেশে আর হবে না।

আজ (বৃহস্পতিবার) বেলা সাড়ে ১১টায় পটিয়া বাইপাস সড়কের নির্মাণকাজের অগ্রগতি সরেজমিনে দেখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, সব দলকে নির্বাচনে আনতে উদ্যোগ নেবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থেকে শুরু করে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। এখানে সরকারের করণীয় কিছু থাকবে না। তবে নির্বাচন কমিশন যে বিষয়ে সহযোগিতা চাইবে, সরকার সেটা করে দেবে।  

সরকার বিএনপিকে গৃহপালিত বিরোধী দল বানাতে চায়: মঈন

এদিকে, বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান অভিযোগ করেছেন, সরকার খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে আবারও একটি মতো পাতানো নির্বাচন করে বিএনপিকে গৃহপালিত বিরোধী দল বানাতে চায়। তবে সরকারের সেই প্রচেষ্টা সফল হবে না।

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত আলোচনা সভায় আবদুল মঈন খান বলেন, আগামী নির্বাচনের আগে সরকারকে অবশ্যই ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরিতে বাধ্য করা হবে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার গঠন করা হবে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে খালেদা জিয়া চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবেন।

ড. আবদুল মঈন খান

সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র হরণের অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিএনপি কোথাও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে পারে না। জাতীয় প্রেস ক্লাব বা দলীয় কার্যালয়ের সামনে যেখানেই যে কর্মসূচি দেয়া হয়, সেখানে সরকার বাধা দিচ্ছে। হোক সেটি কালো পতাকা প্রদর্শন বা অনশন কর্মসূচি।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি বা বিরোধী রাজনৈতিক দল নয়, ভিন্নমতের যারাই কথা বলে, সরকার তাদের দমন করছে। সম্প্রতি কোটা আন্দোলনকারীদের কীভাবে হামলা করে নিয়ন্ত্রণ করেছে দেশবাসী তা দেখেছে।

ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের সমালোচনা করে মঈন খান আরও বলেন, ‘আমরা আপনাদের একটি চ্যালেঞ্জ করি। আসুন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে, ব্যারাকে রেখে রাস্তায় নামুন, আমরাও আসি। দেখি কার আন্দোলন কত বেশি হয়। আন্দোলনে কারা টেকে, সেটা রাজপথেই প্রমাণ হয়ে যাবে। সামনে-পেছনে, ডানে-বাঁয়ে পুলিশ, র‍্যাব রেখে বড় বড় কথা বলা যায়। রাজপথে সাপের মতো লাঠি দিয়ে মানুষ পিটিয়ে মারা কখনো আন্দোলন হয় না। আমরা সে আন্দোলনে বিশ্বাস করি না।’

সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের বিষয়ে মঈন খান বলেন, আজ সরকার গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীদের টুঁটি চেপে ধরে রেখেছে। নিজেদের পছন্দমতো লিখে দেওয়া কথা প্রচার করতে বাধ্য করা হচ্ছে। সরকার গণমাধ্যমকে জোর করে নিজেদের পক্ষে বলে জনগণকে শোনাচ্ছে।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১২

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন।

 

২০১৮-০৭-১২ ১৭:৩১ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য