• শেখ হাসিনা
    শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের অগ্রগতির ধারা ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র চলছে। তাই সবার সতর্ক থাকতে হবে। কোনো বিশ্বাসঘাতকদের দলে ঠাঁই হবে না। দেশকে এগিয়ে নিতে বিশ্বাসঘাতকদের প্রয়োজন নেই।’

আজ (বুধবার) সকালে গণভবনে আগামী নির্বাচনে নৌকা পেতে আগ্রহী ৪ হাজার ২৩ জনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে শেখ হাসিনা আরো বলেন, কেউ দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী হলে তাকে দল থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হবে।

এ সময় 'ঘরের শত্রু বিভীষণ' উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, দল করতে হলে দলের সিদ্ধান্ত মানতে হবে। যাকে নৌকা প্রতীক দেয়া হবে, সব নেতাকর্মীকে তার পক্ষেই কাজ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন জরিপ রিপোর্ট আমার কাছে রয়েছে। জরিপের ভিত্তিতে মনোনয়ন দেওয়া হবে।

জানা গেছে, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন স্বনামধন্য জরিপ প্রতিষ্ঠান এবং দলের অভিজ্ঞ একাধিক টিমের মাধ্যমে কয়েক দফা মাঠ জরিপ চালিয়ে তিনশ’ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের জনপ্রিয়তার বাস্তবচিত্র এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ল্যাপটপে বন্দী।

গত টানা ১০ বছরে কোনো মন্ত্রী-এমপি বা সম্ভাব্য প্রার্থী নিজ এলাকায় কী করেছেন, জনপ্রিয়তা বেড়েছে নাকি কমেছে, অনিয়ম-দুর্নীতি কিংবা দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে কিনা, এ সকল তথ্য রয়েছে দলীয় প্রধানের হাতে। তাই সংসদীয় বোর্ডের ধারাবাহিক বৈঠক থেকে সর্বশেষ জরিপসহ সবকিছু বিবেচনা করেই এবার আওয়ামী লীগ একক প্রার্থিতা ঘোষণা করা হবে।

এ আগে মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আওয়ামী লীগ জানিয়েছিল, মনোনয়ন প্রত্যাশীদের আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষাৎকার শুরু করতে বুধবার দলের ধানমন্ডি কার্যালয়ে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে হিসেবে সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছিল। দলের সভানেত্রীর আগমন উপলক্ষে তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সকাল থেকেই অপেক্ষা করছিলেন নেতাকর্মীরা। তবে সাড়ে ১২টার দিকে জানা যায় বুধবার নয় আগামীকাল বৃহস্পতিবার ধানমন্ডির কার্যালয়ে যেতে পারেন শেখ হাসিনা।

এদিকে, অনিবার্য কারণ দেখিয়ে তরুণদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘লেটস টক’ অনুষ্ঠানটি স্থগিত করা হয়েছে।

১৬ নভেম্বর বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠানটি বিটিভিসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে একযোগে সম্প্রচার করার কথা ছিল।

নতুন প্রজন্ম ও বাংলাদেশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার ভবিষ্যৎ ভাবনার কথা জানানো এবং সেই সঙ্গে তরুণদের স্বপ্নের কথা, স্বপ্ন পূরণের কথা এবং স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার কথা শোনার কথা ছিল। জানা গেছে, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন অনুসারে বাংলাদেশের তরুণদের কাছে সবচাইতে জনপ্রিয় নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর কেন তরুণদের কাছে তার জনপ্রিয়তা, সেটি আরও একবার প্রমাণ করতে ‘লেটস টক’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল তার। সারাদেশ থেকে বাছাই করা ১৫০ জন অংশগ্রহণকারী তরুণের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন নীতি নির্ধারণী বিষয়ে আলোচনা করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৪

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন

ট্যাগ

২০১৮-১১-১৪ ১৬:২৮ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য