• বিএনপির মনোনয়ন কার্যক্রমে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ; মিশ্র প্রতিক্রিয়া

একাদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষতাকার গ্রহণ করছে বিএনপি। এতে লন্ডনে থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত আছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কাছ থেকে নানা তথ্যও জেনে নিচ্ছেন।

তবে, নির্বাচনী কার্যক্রমে তার অংশগ্রহণ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক একজন ব্যক্তি এভাবে নির্বাচন কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে কিনা, সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার দুপুরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, জাতির কাছে বলতে চাই, একজন দণ্ডিত পলাতক আসামি এ ধরণের বক্তব্য দিতে পারে কি না। এর বিচার জাতির কাছে চাই। আমি ইলেকশন কমিশনেরও দৃষ্টি আকর্শন করছি, দুটি মামলার একটি সাত বছর এবং অপরটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কেউ এভাবে ভিডিও কনফারেন্স করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে কি না। এর আইনগত দিক খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশনকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেছেন, তারেক রহমান বিদেশ থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কিছু করতে পারেন কি না, সে বিষয়ে আইন স্পষ্ট নয়। তবে কেউ সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ দেয়, তাহলে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখবো। আজ (রোববার) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা আদালতের, উল্লেখ করে রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটা আমরা শুনেছি। আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত এই ধরনের কোনও কিছু মনিটরিং করার নিজস্ব ক্যাপাসিটি নাই। আইনের মধ্যে থেকে যদি কিছু করার থাকে, তাহলে ব্যবস্থা নেয়ার থাকে জন্য আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে বলবো। আর আইনের ভেতর কিছু না থাকে, তাহলে নিজেরা বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো।

তফসিল ঘোষণার পর আটক বিএনপির নেতাকর্মীদের তালিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশকে আমরা কঠোর নির্দেশনা দিয়েছি। যেন অযথা রাজনৈতিক মামলায় কাউকে গ্রেফতার বা হয়রানি করা না হয়। যদি হয়ে থাকে তাহলে সেগুলো আমরা খতিয়ে দেখবো। কারণ হয়রানিমূলক মামলা করলে নির্বাচনের পরিবেশ কিছুটা হলেও বিনষ্ট হবে।#

পার্সটুডে/শামস মন্ডল/বাবুল আখতার/১৮

 

 

ট্যাগ

২০১৮-১১-১৮ ১৭:৫২ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য