ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সরকারি অনুদানবঞ্চিত মাদ্রাসাগুলোর অনুমোদন দাবিতে কোলকাতায় মিছিলসহ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। আজ (বুধবার) 'ওয়েস্ট বেঙ্গল আন-এইডেড মাদ্রাসা টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন'র পক্ষ থেকে আয়োজিত ওই কর্মসূচি শেষে মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদে তিন দফা দাবিতে স্মারকলিপি দেয়া হয়।

সংগঠনটির সম্পাদক শেখ সামসুল হুদা রেডিও তেহরানকে বলেন, ‘পরিদর্শনকৃত সমস্ত আন-এইডেড মাদ্রাসাকে অবিলম্বে অনুমোদন প্রদান, আবেদনকৃত মাদ্রাসাগুলো পরিদর্শন করা ও মাদ্রাসা অনুমোদনের শর্তাবলী সামঞ্জস্যপূর্ণ ও সরলীকরণ করার দাবি জানানো হয়েছে।’

শেখ সামসুল হুদা বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১০ সালে রাজ্যে দশ হাজার মাদ্রাসা অনুমোদন দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। বাংলার প্রত্যন্ত এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে সংখ্যালঘুদের পক্ষ থেকে কয়েক হাজার মাদ্রাসা অনুমোদনের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত মাত্র ২৩৫ মাদ্রাসা অনুমোদন দেয়া হয়েছে। অন্য মাদ্রাসাগুলোতে প্রচুর অর্থ ব্যয় করে উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হলেও সেসব মাদ্রাসা অনুমোদনের জন্য সরকারি কোনো পদক্ষেপ না থাকায় তাদের দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। সেজন্য অবিলম্বে ওইসব মাদ্রাসার সরকারি অনুমোদন পাওয়া বিশেষ প্রয়োজন।’  

মাদ্রাসা শিক্ষকরা আজ কোলকাতার রানি রাসমণি রোডে জড়ো হয়ে সেখান থেকে ব্যানারসহ স্লোগান দিয়ে মিছিল করে মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদে স্মারকলিপি দেন।

মাদ্রাসা পর্ষদে স্মারকলিপি প্রদানের সময় সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, আন-এইডেড মাদ্রাসা টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সম্পাদক শেখ সামসুল হুদা, সভাপতি হেদায়েতুল্লাহ খান, সহ-সভাপতি মুহাম্মদ সামসুল আরেফিন, মাওলানা মানোয়ার হোসেন লস্কর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করে তা যথাযথ স্থানে পৌঁছে দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/১৩

 

২০১৭-১২-১৩ ১৯:৫৩ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য