২০১৯-০৮-১২ ১৮:৫৪ বাংলাদেশ সময়
  • দিল্লিতে ঈদের নামায
    দিল্লিতে ঈদের নামায

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদুল আজহা পালিত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অন্য নেতারা ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

জম্মু-কাশ্মীরে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ পালিত হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। যদিও বিভিন্ন এলাকায় প্রশাসনিক বিধিনিষেধ কার্যকর থাকায় সড়কে ঈদ উৎসবের কোনও আকর্ষণ ছিল না। সাধারণ মানুষের মধ্যে ঈদের খুশির কোনও ছাপ পড়েনি।  

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বসুধা গুপ্তা বলেন, জম্মু-কাশ্মিরে ঈদে প্রচর সংখ্যক মানুষ নামাজ আদায় করেছেন। মানুষজন শ্রীনগর ও সোপিয়ানের প্রধান প্রধান মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন। জম্মুর ঈদগাহে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষ ঈদের নামাজে অংশ নিয়েছেন। অনন্তনাগ, বারামুল্লা, বাডগাম, বান্দিপোরার সমস্ত স্থানীয় মসজিদে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামিয়া মসজিদ পুরোনো শহর বারামুল্লাতে কমপক্ষে ১০ হাজার মানুষ নামাজ আদায় করেছেন।

শ্রীনগর

গণমাধ্যমের একটি সূত্র বলছে, ঈদে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাসা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছানোর জন্য ভ্রাম্যমাণ গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়।

ঈদকে কেন্দ্র করে যাতে আইন-শৃঙ্খলাজনিত কোনও সমস্যা না হয় সেজন্য আজ কার্যত কঠোর নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে ফেলা হয় গোটা কাশ্মীর উপত্যকাকে। সকালে রাস্তার কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে দেয়া হলেও শ্রীনগরে রাস্তার দু’পাশেই নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন ছিল। যেকোনো বিক্ষোভের আশঙ্কায় মজুদ রাখা হয়েছিল পানিকামানও।

আলীগড়ে ঈদের নামায

ঈদ উপলক্ষে সাময়িকভাবে শ্রীনগর থেকে কারফিউ প্রত্যাহার করে নেয়া হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বড়ো জমায়েত করে ঈদের নামাজের অনুমতি দেয়া হয়নি। তার পরিবর্তে স্থানীয় মসজিদেই ঈদের নামাজ নামাজ আদায় করেন সাধারণ মানুষ।

জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সাধারণ মানুষকে ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশপাশি মিষ্টিও বিলি করেছে।

ঈদ উপলক্ষে আজ ভারত ও পাকিস্তানি সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর মধ্যে শুভেচ্ছামূলক কোনও মিষ্টি বিনিময় হয়নি। ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের পক্ষ থেকে পাকিস্তানি রেঞ্জার্সদের মিষ্টি দিতে চাইলেও তারা এ বিষয়ে কোনও সাড়া দেয়নি।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/১২

 

 

ট্যাগ

মন্তব্য