২০১৯-০৯-১১ ১৯:২০ বাংলাদেশ সময়
  • যুব মোর্চার মিছিলে পানিকামান ব্যবহার ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ
    যুব মোর্চার মিছিলে পানিকামান ব্যবহার ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কোলকাতায় বিজেপির যুব সংগঠন ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ পানিকামান ব্যবহার ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করেছে। আজ (বুধবার) বিজেপি যুব নেতা-কর্মীরা বিদ্যুতের দাম কমানোর দাবিতে কোলকাতা বিদ্যুৎ সরবরাহ কর্পোরেশনের সদর দফতর ভিক্টোরিয়া হাউস অভিযান কর্মসূচিতে মাঠে নামেন।

বিজেপি যুব মোর্চার ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কোলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের খণ্ডযুদ্ধ শুরু হলে গোটা এলাকা কার্যত রণক্ষত্রে পরিণত হয়। বিক্ষোভকারীরা এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট নিক্ষেপ করে বলে অভিযোগ। বিক্ষোভ মিছিল আটকাতে কোলকাতা পুলিশ তিন জায়গায় লোহার ব্যারিকেড দেয়। যদিও পুলিশি বাধা অগ্রাহ্য করে প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যায় বিক্ষোভকারীরা। দ্বিতীয় ব্যারিকেডের সামনে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ জনতাকে সামাল দিতে পুলিশকে এসময় কাঁদানে গ্যাসের শেল  নিক্ষেপের পাশাপাশি পানিকামান ব্যবহার করতে হয়।

পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতারা। বিজেপির দাবি, পুলিশি বাধায় তাদের ৫০ জন কর্মী আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, পুলিশ সূত্রে দাবি,  গোটা ঘটনায় ৬ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন।

রাজ্য বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু বলেন, ‘বাংলায় কোনও গণতন্ত্র নেই। অনেকের মাথা ফেটেছে। অনুমান করছি ৪০/৫০ জন কর্মীর মাথা ফেটেছে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে।’

অন্যদিকে, বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, অন্যায়ভাবে তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ বাধা দিয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের  উপর জলকামান চালিয়েছে, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে। আমরা কোন রাজ্যে বাস করছি! কী চলছে পশ্চিমবঙ্গে?

পুলিশ বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়সহ বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা-কর্মীকে আটক করে। বিজেপির দাবি, গোটা দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুৎ মাসুল সবচেয়ে বেশি। অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করতে হবে।# 

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/১১

ট্যাগ

মন্তব্য