• তেহরানে ইমাম খোমেনী (র) হুসাইনিয়ায় রাফসানজানির স্মরণে আয়োজিত শোক-সভায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা, প্রেসিডেন্ট রুহানি ও শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কর্মকর্তা

ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও প্রভাবশালী নেতা আয়াতুল্লাহ হাশেমি রাফসানজানির মৃত্যুতে ইসলামী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর উপস্থিতিতে ও তারই উদ্যোগে তেহরানে একটি শোক-সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ (বুধবার) ইমাম খোমেনী (র) হুসাইনিয়ার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এই শোক-সভা। এ সভায় পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও বিশ্বনবী (সা)’র পবিত্র আহলে বাইতের প্রশংসা করা হয়। কুরআন পাঠ করেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতাসহ অন্য অনেক নেতৃবৃন্দ। 
রাফসানজানির পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি, সংসদ স্পিকার আলী লারিজানি, প্রধান বিচারপতি সাদিক আমোলি লারিজানিসহ উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা এই শোক-অনুষ্ঠানে যোগ দেন। বিদেশী কূটনৈতিক মিশনের কর্মকর্তারাও এ অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। 
ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইব্রাহিম আজ জাফারি ও ইরাকি ইসলামি সুপ্রিম কাউন্সিলের প্রধান আম্মার আল হাকিমও এ শোক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। 
ইরানের ইসলামী বিপ্লবের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নেতা রাফসানজানি ছিলেন দেশটির বিপ্লবোত্তর সংসদের প্রথম স্পিকার। তিনি পর পর দুই দফায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন। এ ছাড়াও মরহুম রাফসানজানি ছিলেন তেহরানের জুমা নামাজের অস্থায়ী খতিব। ইরানের নীতি-নির্ধারণী পরিষদেরও প্রধান ছিলেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে এই ইসলামী রাষ্ট্রের সেবা করেছেন। 
হৃদযন্ত্র অকেজো হয়ে পড়ায় গত রোববার ইন্তিকাল করেন আয়াতুল্লাহ রাফসানজানি। তাকে গতকাল মঙ্গলবার দাফন করা হয় ইসলামী বিপ্লবের রূপকার ইমাম খোমেনী (র)’র মাজারে। গতকালই লাখ লাখ শোকার্ত ইরানি তার জানাযার নামাজ ও দাফন-সমাবেশে অংশ নেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী তাঁর শোক বাণীতে নানা বিষয়ে সহযোগিতার ক্ষেত্রে প্রায় ৬০ বছরের পুরনো বন্ধু আয়াতুল্লাহ রাফসানজানির প্রখর মেধা ও নজিরবিহীন আন্তরিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এবং চির-অটুট এই বন্ধুত্বের সূচনা পবিত্র কারবালায় দুই মাজারের মধ্যস্থলে হয়েছিল বলে উল্লেখ করেছেন।#

পার্সটুডে/মু.আ.হুসাইন/১১    
 

২০১৭-০১-১১ ১৯:২৯ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য