• মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি
    মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি বলেছেন, উগ্র সন্ত্রাসীরা সৌদি আরবের অর্থে এবং আমেরিকাসহ কিছু আঞ্চলিক দেশের পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে ইরাক ও সিরিয়ায় দীর্ঘমেয়াদে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের সে ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি আরো বলেছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান না থাকলে সিরিয়া ও ইরাকে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হতো না। ইরানের জনগণ ওই দুই দেশকে উগ্র সন্ত্রাসীদের কবল থেকে মুক্ত করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আমেরিকা, সৌদি আরব ও তাদের কিছু আঞ্চলিক মিত্র দেশ ২০১১ সালে সিরিয়ায় এবং ২০১৪ সালে ইরাকে উগ্র তাকফিরি জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশকে লেলিয়ে দেয়। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের স্বার্থের অনুকূলে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে এ কাজ করা হয়।

কিন্তু ইরানের সামরিক উপদেষ্টাদের সহযোগিতা নিয়ে ইরাক ও সিরিয়ার সেনাবাহিনী সম্প্রতি দেশ দু’টি থেকে দায়েশ সন্ত্রাসীদের পুরোপুরি নির্মূল করে।

ইরাক ও সিরয়ায় দায়েশ জঙ্গিরা ব্যাপক তাণ্ডব ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায় (ফাইল ছবি)

জেনারেল সাফাভি সৌদি সরকারকে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার ‘ভৃত্য’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ অঞ্চলে সব ধরনের নিরাপত্তাহীনতায় সৌদি আরবের হাত রয়েছে।

তিনি ইয়েমেন পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বলেন, সিরিয়া ও ইরাকের মতো ইয়েমেনের জনগণও আল্লাহর ইচ্ছায় সৌদি আগ্রাসনের মোকাবিলায় বিজয়ী হবে।  

সৌদি আরবের আলে সৌদি সরকার ইরাক ও সিরিয়ায় সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিলেও ইয়েমেনে পরোক্ষ যুদ্ধ না করে সরাসরি নিজে দেশটিতে আগ্রাসন চালিয়েছে। ২০১৫ সালের মার্চ মাস থেকে এ পর্যন্ত ইয়েমেনে সৌদি আগ্রাসনে প্রায় ১২ হাজার নিরপরাধ মানুষ নিহত হয়েছে।#

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/৭

 

২০১৭-১২-০৭ ০৯:১৭ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য