• ইরানে ইফতার সংস্কৃতি

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে নানা ধরনের ফলমূল, পানীয় ও মিষ্টান্ন দিয়ে রোজাদার রোজাদাররা ইফতার করে থাকেন। ফলের মধ্যে থাকে খেজুর, আপেল, চেরি, তরমুজ আখরোট, তলেবি বা এক ধরনের বাঙ্গি, কলা, আঙ্গুর ইত্যাদি। এছাড়া, মধু, রুটি, পনির, দুধ, পানি, চা উল্লেখযোগ্য।

হালিম

ইফতারিতে অনেকটা অবশ্যম্ভাবী উপাদান হিসেবে থাকে টমেটো, শসা, লেটুসপাতার সালাদ এবং পুঁদিনা ও ধনিয়া পাতাসহ নানা রকমের সুগন্ধযুক্ত পাতা।

ইরানি জিলাপি

আর থাকে এক রকমের জিলাপি; তার স্বাদ ঠিক বাংলাদেশি জিলাপির মতো নয়। হালিম নামে একটি খাবারও ইফতারিতে খাওয়া হয়। তবে এই হালিমের স্বাদ বাংলাদেশের হালিমের মতো নয়। 

ছোট চাল, চিনি আর জাফরান দিয়ে রান্না হয় এক ধরনের ক্ষির বা পায়েশ যার ইরানি নাম ‘শোলে জার্দ’।

শোলে জার্দ

ইরানের মাশহাদে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)'র পবিত্র আহলে বাইতের অন্যতম সদস্য হযরত  ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজার কমপ্লেক্সে এবারের রমজানে রোজাদারের জন্য তিন লাখ ইফতারের প্যাকেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

মাহশাদে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইফতারের আয়োজন

বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ইফতার মাহফিল সফল করার জন্য প্রতিদিন কয়েকশ' স্বেচ্ছাসেবক কাজ করেন। সূর্যোদয় থেকে ইফতারের আগ পর্যন্ত প্রতিদিন এক লাখ মানুষের জন্য চলে এই আয়োজন। আর এই খাবার পরিবেশনের আগে প্রতিদিন বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

কোমে হযরত মাসুমা (সা. আ.)-এর মাজারে ইফতার

মসজিদে কিংবা আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীর বাড়িতে ইফতারি দেয়ার রেওয়াজ ইরানেও আছে।

শরবত

এছাড়া, যেসব অফিস ইফতারের সময়ও খোলা থাকে সেখানে অফিস থেকেই ইফতার সরবরাহ করা হয়।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২৯

২০১৮-০৫-২৯ ১৪:২১ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য