• পার্কে মিল্লাতের একাংশ
    পার্কে মিল্লাতের একাংশ

'বুস্তানে মিল্লাত' শব্দটি বাংলা করলে হবে 'জাতীয় উদ্যান।' সাধারণ ভাবে এটি 'পার্কে মিল্লাত' বা 'মিল্লাত পার্ক' নামে পরিচিত। ৩০০০০০ বর্গ মিটার এলাকার মনোরম এ পার্ক স্থাপিত হয়েছে ১৯৬৬ সালে। নগরীর অন্যতম ব্যস্ত এলাকায় স্থাপিত পার্কটি তেহরানের ব্যস্ত নাগরিক জীবনে নিয়ে এসেছে সবুজের বিশাল অবকাশ। পার্কটির পাশ দিয়ে চলে গেছে তেহরানের অন্যতম সুন্দর এবং সুপারিসর সড়ক 'ওয়ালি আসর।' এ কথাও অনেকেই জানেন যে 'ওয়ালি আসর' বা যুগের অভিভাবক বলতে ইমাম মেহেদি(আ)কে বোঝানো হয়।

পার্কে মিল্লাত

 

বিশাল এ পার্কের ঢোকার মুখে এবং ভেতরে রয়েছে ভাস্কর্য। প্রতিবন্ধীদের সম্মানে রয়েছে কালো পাথরের ভাস্কর্য।  রয়েছে হাফিজসহ ইরানের অনেক কবির পাথরে খোদিত প্রতিকৃতি। ভেতরে রয়েছে বড়সড় কৃত্রিম হ্রদ। রয়েছে খেলা-ধুলা, শরীরচর্চা এবং সময় কাটানোর চমৎকার আয়োজন। পার্কের পুরোটা ঘুরে দেখতে চাইলে দীর্ঘ সময় হাতে নিয়ে আসতে হবে। পার্কটিতে ঢোকার পথের উল্টো দিকে ইরানি হস্তশিল্পের দোকান আছে। এ ছাড়া, আছে ফুড কোর্ট।

প্রতিবন্ধীদের সম্মানে ভাস্কর্য

চার ঋতুর দেশ ইরান। সব ঋতুতেই পার্কে জনসমাগম হয়। তুলনামূলক ভাবে গরমের সময়ে লোকজন বেশি আসেন। বিশেষ করে পরিবার-পরিজন নিয়ে আসেন অনেকেই। দীর্ঘ সময় কাটান এখানে। কেউ কেউ দিনের শেষভাগ থেকে একেবারে মধ্যরাত পর্যন্ত থাকেন। শীতে স্বাভাবিক ভাবেই লোক সমাগম হয় কম।

পার্কের মেলায় এক তুর্কম্যান

এ ছাড়া, হস্তশিল্প, ইরানের নানা প্রদেশের বিশেষ বিশেষ মিষ্টি বা পণ্যসহ নানা জিনিসের জমজমাট মেলাও চলে প্রায় সারা বছর। তেহরান ঘুরতে আসলে সময় হাতে নিয়ে এ পার্ক একবার ঘুরে যাবেন। তা হলে  প্রায় বিনা ব্যয়ে সুন্দর এক অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পারবেন।#

পার্সটুডে/মূসা রেজা/২

 

ট্যাগ

২০১৮-০৯-০২ ১৭:৫১ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য