• হোসেইন জাবেরি-আনসারি এবং স্ট্যাফান ডি মিস্তুরা
    হোসেইন জাবেরি-আনসারি এবং স্ট্যাফান ডি মিস্তুরা

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সিনিয়র সহকারী হোসেইন জাবেরি-আনসারি বলেছেন, সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় ইদলিব প্রদেশে সম্ভাব্য মানবিক বিপর্যয়ের ব্যাপারে শুধু জাতিসংঘ নয় তার দেশেরও উদ্বেগ রয়েছে। জেনেভায় অনুষ্ঠিত সিরিয়া বিষয়ক দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় আলোচনায় অংশ নিয়ে মঙ্গলবার ইরানের এ উদ্বেগের কথা জানান তিনি।

সিরিয়ায় তৎপর উগ্র সন্ত্রাসীরা সারাদেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে বর্তমানে দেশের উত্তরাঞ্চলীয় ইদলিব প্রদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তারা অস্ত্র সমর্পন করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে।  এ কারণে তাদেরকে ওই প্রদেশ থেকে নির্মূল করে গোটা সিরিয়াকে সন্ত্রাসমুক্ত করার লক্ষ্যে এরইমধ্যে অভিযান শুরু করেছে সিরিয়ার সেনাবাহিনী।

এই অভিযানে ‘মানবিক বিপর্যয়’ সৃষ্টি হতে পারে বলে জাতিসংঘ উদ্বেগ প্রকাশ করার পর ইরানের পক্ষ থেকে একই ধরনের আশঙ্কা প্রকাশ করা হলো। জাবেরি-আনসারি মঙ্গলবার জেনেভায় বলেন, ইরানও ইদলিবের ব্যাপারে সঙ্কিত এবং এ কারণে সেখানে যাতে কোনো বিপর্যয় সৃষ্টি না হয় সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে তেহরান।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সিনিয়র সহকারী হোসেইন জাবেরি-আনসারি

জেনেভায় জাতিসংঘের দপ্তরে গতকাল (মঙ্গলবার) ওই সংস্থার সিরিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত স্ট্যাফান ডি মিস্তুরার সঙ্গে ইরান, রাশিয়া ও তুরস্কের প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়। বৈঠকে হোসেইন জাবেরি-আনসারি ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। অন্যদিকে আলেক্সান্দার লাভারান্তিয়েভ ও সাদাত উনাল যথাক্রমে রাশিয়া ও তুরস্কের প্রতিনিধিত্ব করেন।

ইরান, তুরস্ক ও রাশিয়ার উদ্যোগে কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় ২০১৭ সালে শুরু হওয়া শান্তি প্রক্রিয়ায় সুফল পাওয়ার পর জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি এই তিন দেশের সহযোগিতায় সিরিয়া সংকট নিরসনের চেষ্টা করছেন। ২০১১ সালে আমেরিকা, সৌদি আরব ও তাদের মিত্ররা সিরিয়ায় উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠী লেলিয়ে দিলে দেশটিতে সহিংসতা শুরু হয় যা ক্রমেই প্রশমিত হয়ে আসছে।#

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/১২

২০১৮-০৯-১২ ০৫:৪৫ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য