• তেহরানের এক ইমামবাড়ার শোক এবং দোয়ার অনুষ্ঠান

গতরাতে তেহরানের 'ময়দুনে শোহাদা' বা শহিদ চত্বরের হোসাইনিয়া শহিদ হেম্মাতে গিয়েছিলাম। হোসাইনিয়াকে বাংলায় ইমামবাড়া বলা হয়। মহরমকে কেন্দ্র করে শোক অনুষ্ঠানের ছবি তোলার জন্য যাই এই ইমামবাড়ায় যাই। বাসা থেকে দূরে। মেট্রোতে রাত ১০টা নাগাদ সেখানে যেয়ে পৌঁছি। ফিরেছি রাত সাড়ে ১২টায়।

 

হোজ্জাতুল ইসলাম কাসেমিয়ান

ইমামবাড়ার শোক অনুষ্ঠানে হৃদয়স্পর্শী ভাষণ দেন হোজ্জাতুল ইসলাম কাসেমিয়ান। ইমামবাড়ার বাইরে চা বিতরণের ব্যাপক আয়োজন ছিল। তবরাক হিসেবে গণ্য করে দলে দলে নারী-পুরুষ-শিশু চা খাচ্ছেন। স্বেচ্ছাসেবকরা ক্লান্তিহীন ভাবে তৈরি এবং বিতরণ করে চলছেন চা। ছোট ছোট শিশুরা চায়ের গ্লাস জড়ো করা এবং 'কান্দ' বা চিনির কিউব আনাসব অন্যান্য কাজগুলো করছে পরম ভক্তিভরে। ইরানের চায়ে চিনি গুলে খাওয়ার চল প্রায়ই নেই। তার বদলে মুখে চিনির কিউব পুরে দিয়ে ধীরে সুস্থে চায়ে চুমুক দেয়া হয়। দ্রুত হাতে চা খাওয়ার জায়গাকে পরিষ্কার করছে এসব শিশু। এখানে অবিরাম যে সব শিশু কাজ করছে তারা নিজ বাড়িতে হয়ত এক গ্লাস পানিও ভরে খায় না। আহলে বাইয়াত বা নবী বংশের প্রতি আন্তরিক টানে এমন কাজ করে চলেছে তারা। 

নিরলস কাজ করে চলেছে শিশু স্বেচ্ছাকর্মী

ইমামবাড়ার শোক অনুষ্ঠান এবং দোয়া শেষে তবারক হিসেবে খাবারও বিতরণ করা হয়। আগে ফিরতে বাধ্য হওয়ায় এ যাত্রা তবারক বিতরণের কোনো ছবি তোলা সম্ভব হয়নি।#

পার্সটুডে/মূসা রেজা/১২

 

ট্যাগ

২০১৮-০৯-১২ ১৬:২০ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য