• ইরানি দূতাবাসে হামলার সময়কার অবস্থা
    ইরানি দূতাবাসে হামলার সময়কার অবস্থা

২০১৩ সালে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাসে হামলার সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তিকে আটক করেছে ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বাহিনী। আটক ব্যক্তির নাম বাহা হোজির এবং সে উগ্রপন্থি সালাফি গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখে।

উগ্র চরমপন্থি গোষ্ঠী ‘আবদুল্লাহ আযম ব্রিগেড’র সদস্য বাহার সঙ্গে হামলায় জড়িত দুই আত্মঘাতী ও হামলার পরিকল্পনাকারীদের যোগাযোগ ছিল। ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর দুটি আত্মঘাতী হামলায় ইরানি দূতাবাসের ২৩ জন শহীদ হন। এর মধ্যে ইরানি কালাচারাল অ্যাটাশে ইব্রাহিম আনসারিও ছিলেন।  

আল-কায়েদার একটি অংশ হচ্ছে আবদুল্লাহ আযম ব্রিগেড এবং এটি একটি সালাফি গোষ্ঠী। হামলার পর এ গোষ্ঠী দায়িত্ব স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছিল। সে সময় আযম ব্রিগেড বলেছিল, সিরিয়া যুদ্ধে ইরান ও হিজবুল্লাহর জড়িত হওয়ার প্রতিশোধ নিতেই এ হামলা চালানো হয়েছে।

তবে অনেক পর্যবেক্ষক মনে করেন, হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল লেবাননে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত গাজানফার রোকনাবাদিকে শহীদ করা। তিনি ২০১০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত লেবাননে ইরানি রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালে পবিত্র হজের সময় মিনা ট্রাজেডিতে তিনি শহীদ হন।#

পার্সটুডে/এসআইবি/১৯

ট্যাগ

২০১৮-০৯-১৯ ১৯:০৪ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য