• নাজাফের স্থাপত্যকর্মটি নির্মিত হয়েছে গ্বাদিরে খোমের ঘটনাকে উপজীব্য করে
    নাজাফের স্থাপত্যকর্মটি নির্মিত হয়েছে গ্বাদিরে খোমের ঘটনাকে উপজীব্য করে

নাজাফের স্থাপত্যকর্মটি নির্মিত হয়েছে গ্বাদিরে খোমের ঘটনাকে উপজীব্য করে। আলীর হাত তুলে ধরে দ্বীনের নবী ঘোষণা করেছিলেন আমি যার মাওলা আলী তার মাওলা। রাতের বেলায় এ স্থাপন্যকর্ম অপরূপ জ্যোর্তিময় হয়ে উঠেছে।

হজরত হুদ এবং হজরত সালেহ (আ) এর মাজার

এ ছাড়া, আরবাইনের জিয়ারতকারীরা নাজাফ হয়ে কারবালায় যাওয়ার কাফেলায় যোগ দিয়েছেন। ফলে জিয়ারতকারীদের ভিড়ে গোটা নাজাফে যোগ হয়েছে ভিন্নতর এক মাত্রা। রাস্তায় পাশে পাশে জিয়ারতকারীদের জন্য নির্মিত হয়েছে বিশ্রাম কেন্দ্র। কোনো কোনো মসজিদেও জিয়ারতকারীদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছে। এ ছাড়া, রাতেও থেমে নেই জিয়ারতকারীদের কাফেলা। তারা আসছেন।

এদিকে নাজাফে অবস্থিত ওয়াদি-উস-সালামকে বলা হয় বিশ্বের বৃহত্তম কবরস্থান। ওয়াদি-উস-সালামের শাব্দিক অর্থ হলো, শান্তি উপত্যকা।   ১৪শ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এটি। এখানে হজরত হুদ এবং হজরত সালেহ (আ)এর মাজার রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে আরো অনেক নবীর মাজার।

 

হজরত হুদ এবং হজরত সালেহ (আ)এর মাজারের ভবন

এ পর্যন্ত এখানে কত লাখ মানুষকে দাফন করা হয়েছে তার কোনো হিসাব নেই। ইরাকের জাতীয় কবর। সারি সারি কবরগুলোর কোনোটিতে রয়েছে সমাধিফলক, কোনোটিতে তাও নেই।  সাধারণত কোনো দেশের মাঝারি মাপের শহরের আয়তনের সমান এটি। অর্থাৎ এর আয়তন হলো প্রায় ১৪৬৫ একর।

হজরত আলী(আ) এর মাজারের কাছাকাছি এ কবরে দাফন হওয়ার একটা আকুতি অনেকের মনেই আছে। বলা হয়, এখানে দাফন হলে তার কবরের আজাব হবে না এবং কিয়ামতের দিন হজরত আলী(আ)এর সাথেই উঠতে পারবেন।

প্রতি বছর এখানে সারা পৃথিবী থেকে প্রায় ৫ লাখ মানুষকে দাফন করা হয়। অবশ্য এখানে দাফন করার ব্যয় তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি। এদিকে, কবরস্থান চত্বরেই রয়েছে মাকামে হজরত মেহেদি (আ)।

পায়ে হেঁটে জিয়ারতকারীদের অন্তহীন কাফেলা এই ওয়াদি-উস-সালামের পাশ দিয়েই যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে সেখানে এক স্বর্গীয় রূপ ফুটে উঠেছে।#

পার্সটুডে/মূসা রেজা/২৬

 

ট্যাগ

২০১৮-১০-২৬ ১৬:৩২ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য