ইস্পাহান তেহরান শহরের ৩৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ইরানের তৃতীয় বৃহত্তম নগরী। একসময় ইস্পাহান বিশ্বের বড় শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল। সাফাভি সাম্রাজ্যের সময়কালে দ্বিতীয়বারের মত ইস্পাহান পারস্যের রাজধানীর মর্যাদা পায়।

ইস্পাহান শহরের দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে, শাহ মসজিদ, আগা নূর মসজিদ (১৬ শতক), হাকিম মসজিদ, ইল্চী মসজিদ, জামে মসজিদ (১৬০১ ইং), মোহাম্মাদ জাফর আবাদী মসজিদ (১৮৭৮ ইং), রহিম খান মসজিদ (১৯ শতক), রোকনুল মুল্ক মসজিদ, সাইয়্যেদ মসজিদ (১৯ শতক), শেখ লুতফুল্লাহ মসজিদ (১৬১৮ ইং) প্রভৃতি। এছাড়া অসংখ্য সুউচ্চ মিনার রয়েছে ইস্পাহানে। বিখ্যাত যাদুঘরসমূহের মধ্যে রয়েছে কনটেমপোরারি আর্টস্ মিউজিয়াম,ডেকোরেটিভ আর্টস্ মিউজিয়াম, ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম (১৫ শতক) প্রভৃতি।সিওসে পুল (স্থাপিত ১৬০২ ইং),নাকশে জাহান স্কয়ার,খাজু ব্রীজ (১৬৫০ ইং),শাহরেস্তান পোল,জুবী পোল (১৬৬৫ ইং),মারনান ব্রীজ প্রভৃতি। বিখ্যাত চার্চসমূহের মধ্যে রয়েছে বেদখেম চার্চ (১৬২৭ ইং), সেন্ট জর্জ চার্চ (১৭ শতক),সেন্ট মেরী চার্চ (১৭ শতক), ভানক ক্যাথেভরাল (১৬৬৪ ইং) প্রভৃতি।

পার্ক ও বাগানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বার্ডস গার্ডেন, ইস্পাহান ফুল বাগান, প্রভৃতি। বিখ্যাত স্থাপনাসমূহের মধ্যে আছে আলম হাউজ, আমিন হাউজ, মালেক ভিনিয়ার্ড,কাজভীন হাউজ (১৯ শতক), শায়খ-উল-ইসলাম হাউজ, আশরাদ প্রাসাদ (১৬৫০ ইং), হাশ্ত বেহেশ্ত (অস্টম স্বর্গ) প্রাসাদ (১৬৬৯ ইং), চেহেল সেতুন (১৬৪৭ ইং) প্রভৃতি। বিখ্যাত মাযার ও সমাধির মধ্যে রয়েছে- মাযারে আল রশীদ, বাবা কাসেমের মাযার (১৪ শতক), সাফাভী রাজপুতদের মাযার, নিজামুল মুল্ক সমাধি (১৪ শতক), শায়েব মাযার, শাহ শাহান মাযার (১৫ শতক), সোলতান বখ্ত আগার মাযার (১৪ শতক) প্রভৃতি।#

পার্সটুডে/মো: আবু সাঈদ/ ২৮

ট্যাগ

২০১৮-১১-২৯ ০২:৩০ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য