২০১৯-০৪-০৯ ১৭:৩৬ বাংলাদেশ সময়

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ি বলেছেন, দেশ ও বিপ্লব রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকার কারণেই আইআরজিসি'র সঙ্গে বিদ্বেষ ও শত্রুতা পোষণ করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শত্রুরা গত ৪০ বছর ধরে ইসলামি ইরানের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে কিন্তু কিছুই করতে পারে নি। ভবিষ্যতেও কিছুই করতে পারবে না।

ইমাম হোসেন (আ.)'র শুভ জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আইআরজিসি'র সদস্যদের এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ওই সমাবেশে আইআরজিসি'র সদস্যদের পরিবারের লোকজনও অংশ নেন। এই দিনটি আইআরজিসি দিবস হিসেবেও পরিচিত।

গতকাল (সোমবার) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি-কে সন্ত্রাসী সংস্থা হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত করেছে।

সর্বোচ্চ নেতা আইআরজিসি সম্পর্কে বলেছেন, শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আইআরজিসি ফ্রন্টলাইনে রয়েছে। তারা দেশের সীমান্ত রক্ষায় এমনকি কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরে হজরত যেইনাব (সা.আ.)'র মাজার রক্ষায় অগ্রগামী ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া রাজনৈতিকভাবে শত্রুকে মোকাবেলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ কারণেই আমেরিকা আইআরজিসি'র ওপর ক্ষুব্ধ।

আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ি বলেন, আমেরিকা আইআরজিসি তথা ইসলামি বিপ্লবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে এবং শিশুসুলভ আচরণ করছে। কিন্তু এ ধরণের ঘৃণ্য তৎপরতা কোনো কাজে আসবে না। এর মাধ্যমে তারা নিজেদেরকেই ধোকা দিচ্ছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সহযোগীরা ক্রমেই পতনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ৪০ বছরের শত্রুতার পরও ইরানের ইসলামি বিপ্লবের অগ্রযাত্রা প্রমাণ করে তারা এ ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি  করতে অক্ষম। শত্রুরা সব সময় ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রচারণাগত চাপ প্রয়োগ করছে কিন্তু তা কোনো কাজে আসে নি। সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ইরানের সম্মান-মর্যাদা ও শক্তির সঙ্গে পরমাণু বোমার কোনো সম্পর্ক নেই। প্রথম থেকেই বলে এসেছি পরমাণু বোমার প্রয়োজন ইরানের নেই। মুসলিম বিশ্বে সম্মান-মর্যাদা ও দৃঢ়তার কারণ হচ্ছে প্রতিরোধ, ত্যাগ ও সূক্ষ্মদৃষ্টি।#

পার্সটুডে/সোহেল আহম্মেদ/৯

 

ট্যাগ

মন্তব্য