• ইয়েমেনের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ফাইল ছবি)
    ইয়েমেনের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ফাইল ছবি)

ইয়েমেনের সশস্ত্র ও গণ-বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে সৌদি আরবের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত জিযান প্রদেশের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে।

আলমুস্তাহদাস নামের ওই ঘাঁটিতে 'বদর-এক' নামের ইয়েমেনি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। ইয়েমেনের বাহিনী সেদেশেই স্বল্প-পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করছে।

এ ছাড়াও গতরাতে ইয়েমেনের নৌ-বাহিনী ও গণবাহিনী লোহিত সাগরে অবস্থিত একটি সৌদি নৌ-ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে। এই ঘাঁটি সৌদি আরবের জাতীয় তেল কোম্পানি আরামকোর স্থাপনার কাছে অবস্থিত।

ইয়েমেনের বেসামরিক জনগণের ওপর সাম্প্রতিক বর্বরোচিত সৌদি হামলাগুলোর জবাবে এসব হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনি বাহিনী।  

গতকাল (বৃহস্পতিবার) সৌদি নেতৃত্বাধীন কয়েকটি জঙ্গি বিমান হুদাইদা বন্দর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে একটি শরণার্থী শিবিরের ওপর বোমা বর্ষণ করলে ২২ শিশু ও চার নারী  নিহত হয়। নিহতের মোট সংখ্যা কোনো কোনো সূত্রে ৩১ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে যাদের সবাইই শিশু ও নারী। 

চিকিৎসা ও ত্রাণ বিভাগের কর্মীরা হামলার শিকার-হওয়া অঞ্চলটিতে পৌঁছতে পারছে না বলে ইয়েমেনের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে।  

দুই সপ্তাহ আগে সা'দা প্রদেশের দাহিয়ান অঞ্চলের একটি বাজারে একটি স্কুল বাসের ওপর সৌদি বিমান হামলায় ৪০ শিশুসহ ৫১ ইয়েমেনি নিহত হয়। এ ছাড়াও ওই হামলায় আহত হয় ৫৬ শিশুসহ ৭৯ জন। 

ইয়েমেনের পদত্যাগী, পলাতক ও সৌদিপন্থী প্রেসিডেন্ট মানসুর হাদিকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার নামে ২০১৫ সালের মার্চ মাস থেকে পশ্চিমা-মদদপুষ্ট সৌদি জোট ইয়েমেনে হামলা চালিয়ে আসছে। এই জোটের নির্বিচার বিমান হামলায় হতাহত হয়েছে বিশ হাজারেরও বেশি ইয়েমেনি নাগরিক। হতাহতদের বেশিরভাগই বেসামরিক। ইয়েমেনের বেসামরিক অবকাঠামোর বেশিরভাগই ধ্বংস হয়ে গেছে সৌদি জোটের নির্বিচার হামলায়। 

আরব আমিরাত ছাড়াও মিশর, বাহরাইন, মরক্কো, জর্দান, সুদান ও কুয়েত সৌদি জোটের সদস্য এবং এই দেশগুলো ইয়েমেনের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে।  #

পার্সটুডে/এমএএইচ/২৪

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন

 

      

২০১৮-০৮-২৪ ২০:২৮ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য