• মার্কিন সহায়তা বন্ধ; নতিস্বীকার করবে না ফিলিস্তিনিরা: হামাস

জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা বা ইউএনআরডাব্লিউ-কে সব ধরনের অর্থ সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে আমেরিকা। এর প্রতিক্রিয়ায় হামাস বলেছে, ফিলিস্তিনিদের ওপর চাপ বাড়ানোর জন্য এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আমেরিকা ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমিতে ফেরার অধিকার হরণ করতে চায়। ইহুদিবাদী ইসরাইল ঘরবাড়ি কেড়ে নেওয়ায় যারা শরণার্থীতে পরিণত হয়েছেন তাদেরকে সহায়তা দিয়ে থাকে জাতিসংঘের ওই সংস্থাটি।

হামাসের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আমেরিকার এই সিদ্ধান্ত থেকে এটা স্পষ্ট হয়েছে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের ওপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছে ইহুদিবাদীরা। তবে চাপ সৃষ্টির মার্কিন সিদ্ধান্তের কাছে ফিলিস্তিনিরা নতিস্বীকার করবে না। 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিলিস্তিন সংকটের বিষয়ে ‘শতাব্দির সেরা চুক্তি’ নামের একটি কথিত শান্তি প্রস্তাব তুলে ধরেছেন। কিন্তু ফিলিস্তিনিরা তা প্রত্যাখ্যান করেছে। ট্রাম্প নানা উপায়ে চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে এখন ফিলিস্তিনিদেরকে ওই প্রস্তাব মেনে নিতে বাধ্য করতে চাচ্ছে। ট্রাম্পের ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বায়তুল মুকাদ্দাস বা জেরুজালেম ইহুদিবাদী ইসরাইলকে দিয়ে দেওয়া হবে এবং ফিলিস্তিনি শরণার্থীরাও আর কোনো দিন নিজ ভূমিতে ফিরতে পারবে না। বর্তমানে গাজা ও পশ্চিমতীরের যে ভূখণ্ডটুকু ফিলিস্তিনিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে সেটুকু নিয়েই ফিলিস্তিনিদেরকে সন্তুষ্ট থাকতে হবে। 

মার্কিন অর্থ সহায়তা বন্ধের প্রতিক্রিয়ায় ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদিনা বলেছেন, এ ধরনের শাস্তির মাধ্যমে তারা এই বাস্তবতা পাল্টাতে পারবে না যে এ অঞ্চলে আমেরিকার আর কোনো ভূমিকা নেই এবং এটা কোনো সমাধানেরও অংশ নয়।

এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে জাতিসংঘের রেজুলেশনের অবজ্ঞা করা হয়েছে বলে তিনি জানান।#

পার্সটুডে/সোহেল আহম্মেদ/১

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন

ট্যাগ

২০১৮-০৯-০১ ১৯:১৫ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য