• প্রেসিডেন্ট পুতিন আজ (সোমবার) দিনের প্রথম প্রহরে মস্কোর রেড স্কয়ারে সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছেন
    প্রেসিডেন্ট পুতিন আজ (সোমবার) দিনের প্রথম প্রহরে মস্কোর রেড স্কয়ারে সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছেন

রাশিয়ায় রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে চতুর্থবারের মতো প্রেসিডেন্ট হয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন। রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত ভোটার জরিপ সংস্থা ভিটিএসআইওএম জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুতিন ৭৩.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

রাশিয়া জুড়ে ১,২০০ ভোটকেন্দ্র থেকে সংগৃহিত ভোটার জরিফের ফলাফল বিশ্লেষণ করে সংস্থাটি এ তথ্য জানিয়েছে। পুতিনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কমিউনিস্ট প্রার্থী পাভেল গ্রুদিনিন পেয়েছেন ১১.২ শতাংশ ভোট।

ভিটিএসআইওএম এক বিবৃতিতে আরো জানিয়েছে, জরিপে অংশগ্রহণকারী শতকরা ৩৭ ভাগ ভোটার একথা জানাতে অস্বীকার করেছেন যে, তারা কাকে ভোট দিয়েছেন। ভোটের আনুষ্ঠানিক ফলাফল কয়েকদিনের মধ্যে ঘোষিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এ বিজয়ের ফলে ২০২৪ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট থাকতে পারবেন ভ্লাদিমির পুতিন। তার এবারের নির্বাচনি স্লোগান ছিল পাশ্চাত্যের মোকাবিলায় রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করার পাশাপাশি জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করা।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পুতিন ৭৩.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন

ভোটার জরিপের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট পুতিন আজ (সোমবার) দিনের প্রথম প্রহরে মস্কোর রেড স্কয়ারে সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জনগণ তার প্রতি যে আস্থা দেখিয়েছে তিনি তার মর্যাদা রাখবেন এবং পাশ্চাত্যের মোকাবিলায় দেশকে সমৃদ্ধির চূড়ায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন।

এর আগে, নির্বাচনের ভোটার জরিপ ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর পুতিনের সমর্থকরা দাবি করেছেন, জনগণ যে পাশ্চাত্যের বিরুদ্ধে পুতিনের কঠোর অবস্থান সমর্থন করে এ নির্বাচনের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হয়েছে।

রাশিয়ার সংবিধান অনুযায়ী একজন রাজনীতিবিদ ছয় বছরের জন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। অবশ্য ২০০৮ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের এই মেয়াদ ছিল মাত্র চার বছর। কিন্তু ওই বছর সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভের শাসনামলে প্রেসিডেন্টের মেয়াদকাল চার বছর থেকে বাড়িয়ে ছয় বছর করা হয়। এ ছাড়া, একজন প্রেসিডেন্ট পরপর দুই দফার বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারেন না।

প্রেসিডেন্ট পুতিন ২০০০ সালে প্রথমবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। টানা দুইবারে আট বছর এই দায়িত্ব পালনের পর সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেননি তিনি। ওই বছর দিমিত্রি মেদভেদেভ রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পুতিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এরপর ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবার পুতিন প্রার্থী হন এবং জয়লাভ করেন। #

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/১৯

 

ট্যাগ

২০১৮-০৩-১৯ ০৬:০৯ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য