• জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল- তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান
    জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল- তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান

তুরস্কে ২০১৬ সালের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ তুর্কি কূটনীতিক জার্মানির কাছে রাজনৈতিক আশ্রয়ে চেয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, আশ্রয় প্রার্থীদের মধ্যে তুরস্কের কূটনৈতিক পদমর্যাদার অথবা পদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিরা রয়েছেন। তাদের স্ত্রী ও সন্তানসহ আশ্রয় প্রার্থীদের সংখ্যা ১,১৭৭ জন বলে ওই মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

২০১৬ সালের ওই অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার পর বেশ কয়েকটি ইস্যুকে কেন্দ্র করে জার্মানি ও তুরস্কের সম্পর্কে তিক্ততা সৃষ্টি হয়। ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর তুর্কি সরকার দেশে যে ব্যাপক দমন অভিযান চালায় বার্লিন তার তীব্র সমালোচনা করে। এ ছাড়া, তুরস্ক সরকার দেশটিতে অবস্থানকারী বেশ কয়েকজন জার্মান নাগরিককে আটক করে।

আঙ্কারা অভিযোগ করছে, তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান সরকারের বিরোধী ‘সন্ত্রাসী’ গোষ্ঠীগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে  জার্মানি।

২০১৬ সালে তুর্কি সেনাবাহিনীর একদল কর্মকর্তা অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা চালালে কিছু মানুষ তাদের সমর্থনে রাস্তায় নেমে এসেছিল

২০১৬ সালের জুলাই মাসে তুরস্কে ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থান হয়। ওই ঘটনার জের ধরে ব্যাপক দমন অভিযান চালায় এরদোগান সরকার। দেশব্যাপী হাজার হাজার মানুষকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বেসামরিক প্রশাসন ও গণমাধ্যমে কর্মরত অন্তত দেড় লাখ মানুষকে চাকুরিচ্যুত করা হয়।

সামরিক অভ্যুত্থানে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নামে এ অভিযান চালানো হলেও সমালোচকদের মতে, অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার অজুহাতে নিজের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করেছেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান। #

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/২৪

২০১৮-০৬-২৪ ০৬:২৭ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য