পাঠক! ফার্সি ভাষা শিক্ষার এ সপ্তার আসরে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আজ আমরা ফার্সি ভাষা শেখার সাথে সাথে ইরানের পার্লামেন্ট নির্বাচনের সাথে পরিচিত হবো। ইসলামী ইরানের জন্য আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান মজলিসে শুরায়ে ইসলামীতে ২৯০টি আসন রয়েছে।

মজলিসে শুরায়ে ইসলামী বা ইরানের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ১৮ বছর বয়সী বা তদুর্ধ প্রত্যেক সুস্থ নর-নারী ভোট দিতে পারে। সারা ইরানে একই দিনে পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং এদেশের প্রতিটি নাগরিক ভোট প্রদানকে নিজের দায়িত্ব বলে মনে করে। ইরানের রাজনৈতিক দলগুলো পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী দিয়ে থাকে। এছাড়া অনেক স্বতন্ত্র প্রার্থীও এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রতি চার বছর পর পর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ইরানের পার্লামেন্টের আসন বন্টন করা হয়েছে জনসংখ্যার ভিত্তিতে। অর্থাৎ যে এলাকা বা শহরের জনসংখ্যা বেশী সেই এলাকার আসন সংখ্যাও বেশী। যেমন তেহরান শহরে পার্লামেন্টের আসন সংখ্যা ৩০টি। যাই হোক আজ সাঈদ একটি পত্রিকা কিনে বিশ্ববিদ্যালয় হলের রুমে ঢোকে এবং সেখানে মোহাম্মাদের সাথে তার নির্বাচন সম্পর্কে কথা হয়। তাদের এ কথাবার্তা শোনার আগে চলুন ফার্সি শব্দগুলোর অর্থ জেনে নেয়া যাক।

چرا - روزنامه - تو خریده ای - خبر - جدید - خبر جدید - ماه - انتخابات - انتخاب کردن - مجلس - انتخابات مجلس - من می دانم - کاندیدا - چه کسانی - چه زمانی - اسفند ماه - مردم - نماینده - آنها انتخاب می کنند - هر شهر - 250 هزار - مثلا" - سی - آنها می شناسند - معمولا " - شهرشان - هفته ی بعد - تبلیغات - آن شروع می شود - همه رای می دهند - خانم - آقا - 18 سالگی - حزب - مختلف - آنها دارند - چند

কেন। পত্রিকা। তুমি কিনেছো। খবর। নতুন। নতুন খবর। মাস। নির্বাচন। নির্বাচিত করা। পার্লামেন্ট বা সংসদ। পার্লামেন্ট নির্বাচন। আমি জানি। প্রার্থী। কারা। কখন। এসফান্দ মাস। জনগণ। প্রতিনিধি। তারা নির্বাচিত করে। প্রতিটি শহর। ২ লাখ ৫০ হাজার। যেমন। ত্রিশ। তারা চেনে। সাধারণত। ছোট শহর। পরের সপ্তায় বা আগামী সপ্তায়। প্রচারণা। ওটি শুরু হবে। সবাই ভোট দেবে। মহিলা। পুরুষ। ১৮ বছরে । দল। বিভিন্ন। তাদের আছে। কিছু।

আজকের কথোপকথনে ব্যবহৃত কিছু ফার্সি শব্দের অর্থ শুনলেন। তো পাঠক! এবারে চলুন মোহাম্মাদ ও সাঈদের সাথে কী কথা হলো তা শোনা যাক।

محمد - چرا روزنامه خریده ای ؟ خبر جدید دارد ؟سعید - انتخابات مجلس نزدیک است . می خواهم بدانم کاندیدادها چه کسانی هستند .محمد - انتخابات مجلس در چه زمانی است ؟سعید - اسفند ماه . مردم همه ی شهرها برای خود نماینده انتخاب می کنند .محمد - هر شهر یک نماینده ؟سعید - نه . هر 250 هزار نفر یک نماینده . مثلا" تهران 30 نماینده دارد .محمد - مردم هر شهر کاندیداها را می شناسند ؟ سعید - بله . معمولا " مردم کاندیداهای شهرشان را می شناسند .محمد - چرا کاندیداها تبلیغات نمی کنند ؟سعید - از هفته ی بعد تبلیغات شروع می شود .محمد - همه می توانند رای بدهند ؟ خانمها ، آقایان ؟سعید - بله . خانمها و آقایان از 18 سالگی می توانند رای بدهند.محمد - حزبهای مختلف هم کاندیدا دارند ؟سعید - بله . حزبهای مختلف هم چند کاندیدا به مردم معرفی می کنند و مردم می توانند به آنها رای بدهند .

মোহাম্মাদ : পত্রিকা কিনেছো কেন? নতুন কোন খবর আছে নাকি?সাঈদ : পার্লামেন্ট নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে। কারা প্রার্থী হয়েছেন তা জানতে চাচ্ছি।মোহাম্মাদ : পার্লামেন্ট নির্বাচন কখন হবে?সাঈদ : এস্ফান্দ মাসে। সব শহরের অধিবাসী নিজেদের জন্য প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন।মোহাম্মাদ : প্রতি শহরে কি একজন প্রতিনিধি?সাঈদ : না। প্রতি আড়াই লাখ মানুষের জন্য একজন প্রতিনিধি। যেমন, তেহরানে ৩০ জন প্রতিনিধি রয়েছেন।মোহাম্মাদ : প্রতি শহরের জনগণ কি তাদের প্রার্থীদের চেনেন?সাঈদ : হ্যাঁ। সাধারণভাবে জনগণ নিজেদের শহরের প্রার্থীদেরকে চেনেন।মোহাম্মাদ : প্রার্থীরা কেন প্রচারণা চালান না?সাঈদ : আগামী সপ্তা থেকে প্রচারণা শুরু হবে।মোহাম্মাদ : নারী-পুরুষ সবাই কি ভোট দিতে পারে?সাঈদ : হ্যাঁ। ১৮ বছর বয়স থেকে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই ভোট দিতে পারে।মোহাম্মাদ : বিভিন্ন রাজনৈতিক দলেরও কি প্রার্থী রয়েছে?সাইদ : হ্যাঁ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও কয়েকজন করে প্রার্থী দেয় এবং জনগণ তাদের মধ্য থেকে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেয়।

পাঠক! এরপর সাঈদ ইরানের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সম্পর্কে মোহাম্মাদকে জানায়। তারা দুজনে পত্রিকার পাতায় নির্বাচন সম্পর্কিত খবরে চোখ বুলাতে থাকে। মুসলমান ছাড়াও খ্রীস্টান, ইহুদী ও জরাথ্রুষ্টদেরও পার্লামেন্টে প্রতিনিধি রয়েছে জানতে পেরে মোহাম্মাদ বিস্মিত হয়। এছাড়া নির্বাচনের প্রার্থীদের তালিকায় প্রচুর মহিলার নাম দেখেও সে অবাক হয়। তো পাঠক! এখানে বলে রাখছি, ইরানে এসফান্দ মাস শেষ হয়ে গেছে এবং পার্লামেন্ট নির্বাচনও সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচিত সাংসদরা যার যার এলাকা সফর করে জনগণের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। ইরানে যে জননির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত তা এই পার্লামেন্ট নির্বাচন থেকে বোঝা যায়। তো দেখতে দেখতে আজকের আসরের সময়ও ফুরিয়ে এসেছে। এবার বিদায় নেয়ার পালা। আগামী সপ্তায় আবারো কথা বলার আশা রইল।#

 

পার্সটুডে/নাসির মাহমুদ/আবু সাঈদ/১১

২০১৭-০৯-১১ ১৭:০৪ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য