রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এক ওয়াক্ত নামাজ জামায়াতে আদায় করা ঘরে বসে একাকী ৪০ বছর নামাজ আদায় করার সমান।

মূল্যবান এ হাদিসের বাণী আমাদের জীবনে কাজে লাগানোর চেষ্টা করব- এ আশাবাদ ব্যক্ত করে চিঠিপত্রের দিকে নজর দিচ্ছি।  আসরের প্রথম চিঠিটি এসেছে বাংলাদেশ থেকে।  নওগাঁ জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপ থেকে এটি লিখেছেন ভাই দেওয়ান রফিকুল ইসলাম রানা। ইংরেজিতে লেখা চিঠিতে এ শ্রোতা ভাই জানিয়েছেন, অর্থনীতি, রাজনীতি, পর্যটনসহ নানা বিষয়ে অনুষ্ঠান শুনতে ভালো লাগে। আর তাই রেডিও তেহরান শুনে থাকি। এ সব অনুষ্ঠানের কারণে রেডিও তেহরান বিশ্বে জনপ্রিয়তা পেয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তিনি।

শর্টওয়েভে প্রচারিত রেডিও অনুষ্ঠানের মান খুব ভালো উল্লেখ করে তিনি আরো জানিয়েছেন, তিনি রেডিও তেহরানের অ্যাপ ব্যবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুনে থাকেন। এ ছাড়া রেডিও তেহরানের ওয়েবসাইট  এবং ফেসবুকের গ্রুপ নিয়মিত ভিজিট করেন।

বহলুল: চিঠিতে চমৎকার একটি সুখবর দেয়া আছে সেটা কি আপনাদের চোখ এড়িয়ে গেছে?

না না। এমন চমৎকার খবর কি করে চোখ এড়াতে পারে! তবে আমরা বলার আগেই আপনি সে কথা তুললেন। হ্যাঁ শ্রোতা ভাই দেওয়ান রফিকুল ইসলাম রানা জানিয়েছেন এপ্রিল মাসের ৬ তারিখ তার বিবাহ বার্ষিকী ছিল।

বহলুল: চমৎকার। আমরা সবাই আপনাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। তা ভাই কততম বিবাহ বার্ষিকী সে কথা আমাদের জানাননি। তা যাক। আপনাদের দাম্পত্য জীবন সুখী হোক এ কামনা করছি।  ইমেইলের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। আর ভবিষ্যতে আরো  চিঠি দেবেন আশা করছি।

বন্ধুরা, আপনারা জানেন যে, সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান কোনোরকম রাখঢাক না রেখে ইহুদিবাদী ইসরাইলকে স্বীকৃত দেয়ার কথা ঘোষণা করে দিয়েছেন।  পবিত্র মক্কা এবং মদিনা নগরীর কথিত খাদেমদের এমন ন্যক্কারজনক ঘোষণা ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থনদান কারী মানুষদের বিশেষ করে মুসলমানদের মনে প্রচণ্ড প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। এ সম্পর্কে রেডিও তেহরানের শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়া জানানো অব্যাহত রয়েছে। আজ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন ঢাকার শ্রোতা বন্ধু মোহাম্মদ রুহুল আমিন।

বহলুল: সৌদি যুবরাজের এ ঘোষণা বিশ্বের মুসলমানরা কিভাবে গ্রহণ করবে তা জানতে চাইলে এ শ্রোতা ভাই আরো বলেন ....

সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের ন্যাক্কারজনক ঘোষণার বিষয়ে এতক্ষণ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছিলেন ঢাকার শ্রোতা ভাই মোহাম্মদ রুহুল আমিন। তো ভাই, আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

এ ছাড়া,যে কোনো শ্রোতা ও পাঠক ভাই একই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেন। আপনারা ফোন নম্বর দিলে রেডিও তেহরান থেকে ফোন করা হবে। বা ইচ্ছা করলে ভয়েস মেইলও পাঠাতে পারেন। ভয়েস মেইল দেড় মিনিটের বেশি না হলে ভালো হয়।  

বহলুল: হ্যাঁ আমরা কিন্তু আপনাদের প্রতিক্রিয়া জানার অপেক্ষায় রইলাম।  তা আসরের এ পর্যায়ে..

রেডিও তেহরানের ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক গ্রুপে যে সব মন্তব্য হয়েছে সে দিকে নজর দেয়া উচিত। হ্যাঁ, বহলুল ভাই, আপনার মুখের কথা কেড়ে নিয়েই বললাম কথাটা। গত ৬ এপ্রিল প্রকাশিত একটি খবরে বলা হয়েছে, ইসরাইলি ক্রীড়াবিদদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলো তিউনিসিয়ার আদালত।  এ খবরে বলা হয়েছে, তিউনিসিয়ায় আন্তর্জাতিক তায়কোয়ান্ডো প্রতিযোগিতায় ইসরাইলি ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দেশটির একটি আদালত।

মোঃ কুদ্দুস মণ্ডল এ খবরে ফেসবুক গ্রুপে যে মন্তব্য করেছেন তা প্রতিনিধিত্বশীল হয়ে উঠেছে। তিনি লিখেছেন, শুধু তিউনিসিয়া নয়। বিশ্বের সকল দেশের উচিৎ ইসরাইলকে বয়কট করা। অন্যদিকে মুসা কালিমুল্লাহ লিখেছেন, এই মুহূর্তে ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু বর্তমান সৌদি বাদশাহ এবং সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি।

বহলুল: জনগণ ঠিকই জানে শয়তানির মূল কোথায় এবং কাদের ঝুটি কোথায় বাধা। যাই হোক চমৎকার মন্তব্যের জন্য আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

গত ৪ এপ্রিল আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি খবরের শিরোনাম ছিল এরকম- কাতারে সামরিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করে ডিক্রি জারি। এ খবরে বলা হয়েছে, কাতারে প্রত্যেক পুরুষ নাগরিকের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দেশটির আমির শেইখ তামিম বিন হামাদ আলে সানি এক ডিক্রি জারি করে বলেছেন,১৮ বছর পূর্ণ হলে অথবা কলেজ জীবন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রত্যেক ছেলে সন্তানকে সামরিক প্রশিক্ষণে পাঠাতে হবে।

ফেসবুকের গ্রুপে এ খবরে অনেক মন্তব্য হয়েছে। আব্দুর রহিম বেপারি লিখেছেন, কাতার আস্তে আস্তে এগিয়ে যাচ্ছে। যার নীতি ঠিক আছে তাকে আল্লাহ ছাড়া আর কেউ পরাজিত করতে পারে না। এ ছাড়া, বাংলাদেশেও এমন আইন করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বেনজির আহমেদসহ আরো অনেকেই।

বহলুল: চমৎকার কথা, প্রাণ জুড়ানো মন্তব্য। সত্যিই ভাল লাগার মতো সব কথা। ধন্যবাদ সবাইকে। এদিকে আসরের সময় শেষ হয়ে এসেছে।

হ্যাঁ শ্রোতা ভাইবোনেরা আসরের সময় শেষ হয়ে এসেছে। বিদায়ের আগে জানিয়ে রাখছি, আপনাদের চিঠি, ইমেইল এবং রেডিও তেহরানের ফেসবুক গ্রুপের খবরে আপনাদের সমৃদ্ধ মন্তব্যই আমাদের পথ চলতে সহায়তা করছে। প্রিয়জনের আসরের শেষ প্রাপ্তে দাঁড়িয়ে সবাইকে আবারো প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানিয়ে আজও গানে গানে এখানেই বিদায় চাইছি। #

২০১৮-০৫-০৮ ১৮:৫৬ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য