সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সরকারদলীয় মেয়রপ্রার্থী মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলম বিজয়ী হয়েছেন। তবে বিএনপি নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে আবার ভোটের দাবি জানিয়েছে। গাজীপুর নির্বাচন নিয়ে বিভিন্নমহলে চলছে আলোচনা সমালোচনা। এ সম্পর্কে আমরা রেডিও তেহরানের পক্ষ থেকে কথা বলেছি স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ও নির্বাচন বিশ্লেষক ড. তোফায়েল আহমেদ ও সুশাসনের জন্য নাগরিক বা সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের সঙ্গে।

  • তাঁরা দুজনই বলেছেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয় নি। তাঁরা আরো বলেছেন ..
  • নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয় নি।
  • খুলনা সিটির চেয়েও গাজীপুরের নির্বাচন খারাপ হয়েছে।
  • বিএনপির ফল প্রত্যাখ্যানের কোনো মানে হয় না কারণ ফলাফল কার্যকর হয়েছে।
  • নির্বাচন কমিশন চাইলে পুরো বা আংশিকভাবে নির্বাচন বাতিল করতে পারত।
  • নির্বাচন কমিশন অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে ভোটারদের সামনে উপস্থাপন করতে পারত কিন্তু তা করে নি।
  • গাজীপুর নির্বাচনে অনিয়মের সব চিত্র মিডিয়ায় আসে নি কারণ তারা নিজেরা নানা কারণে সেল্প সেন্সরশীপ করেছে।
  • নির্বাচনের অনিয়মগুলো কার্পেটের নিচে রেখে দেয়া কমিশনের উচিত হবে না।
  • বর্তমান বাস্তবতায় সরকারি দল কারচুপি বা অনিয়ম না করেই নির্বাচনে জয়ী হতে পারত কিন্তু সেটা  না করার পরিণতি ভালো হবে না।
  • সরকার চাইলে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় আর না চাইলে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না। ফলে নির্বাচনের বিষয়টি আসলে নির্বাচন কমিশনের ওপর নির্ভর করে না।

সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ ও উপস্থাপনা করেছেন গাজী আবদুর রশীদ।

গাজীপুর সিটি নির্বাচন

রেডিও তেহরান: জনাব ড. তোফায়েল আহমেদ, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়েও নানা বিতর্ক উঠেছে। বিএনপি এ নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রশ্ন হচ্ছে- কতটা যৌক্তিক বিএনপির এ অবস্থান?

ড. তোফায়েল আহমেদ:  দেখুন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ফল বিএনপি প্রত্যাখ্যান করেছে বলে আমার মনে হয় না। তবে হ্যাঁ তারা নির্বাচনে নানা অনিয়মের বিষয়ে বেশ কিছু অভিযোগ করেছে। আর ফল প্রত্যাখ্যানের তো কোনো অর্থ হয় না। বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করল। নির্বাচন হলো। ফলাফল প্রকাশিত হলো। এখন ফলাফল বিএনপি প্রত্যাখ্যান করুক  বা গ্রহণ করুক- যেটাই করুক না কেন-ফলাফল হয়েছে এবং তা কার্যকর হয়েছে। ফলে বিএনপির এই ফল প্রত্যাখ্যানের বিষয়টি আমার কাছে খুব একটা গুরুত্ববহ বলে মনে হয় নি।

গাজীপুরের নির্বাচনের বিষযে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে, অভিযোগ থাকবে। আমরা পত্রপত্রিকাসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় নানা অভিযোগ দেখেছি। তবে ফলাফল প্রত্যাখ্যানের মতো বিষয় মনে হয় ঘটেনি।

রেডিও তেহরান: ড. বদিউল আলম গাজীপুর নির্বাচনে বিএনপির ফলাফল প্রত্যাখ্যান সম্পর্কে আপনি কী বলবেন?

সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার

ড. বদিউল আলম মজুমদার: আমরা যেটা লক্ষ্য করেছি তাতে গাজীপুরের নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য বলা যায় না। কিছুদিন আগে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের যে নির্বাচন হয়ে গেলে-গাজীপুরের নির্বাচন তার চেয়েও খারাপ হয়েছে বলে আমরা মনে করি।

আমরা দেখেছি খুলনার নির্বাচনে যেসব অনিয়ম হয়েছে যেমন-সাময়িকভাবে কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দেয়া, প্রতিপক্ষের নির্বাচনী এজেন্টদেরকে হুমকী-ধমকি দেয়া-কেন্দ্রে আসতে না দেয়া আবার কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া, আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ভোট কেন্দ্রেও বাড়াবাড়ি করেছে। গ্রেফতারসহ বিভিন্নভাবে বিরোধীদলের নেতাকর্মীসহ নির্বাচনী এজেন্টদের হয়রানি করেছে। গাজীপুরেও সেই একইরকমের ঘটনা ঘটেছে। ৯ টা কেন্দ্রে নির্বাচন স্থগিত হয়েছে। আরো অনেকগুলো কেন্দ্রে সাময়িকভাবে ভোট স্থগিত করা হয়েছিল পরে সেখানে ভোটগ্রহণ করা হয়।

সার্বিকভাবে বলতে গেলে গাজীপুরের নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য বলা যায় না। খুলনার নির্বাচন তো ভালো হয় নি গাজীপুরের নির্বাচন খুলনার চেয়েও খারাপ হয়েছে।

রেডিও তেহরান: ড. বদিউল আলম মজুমদার,  আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে- নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে কিন্তু বিএনপি এ নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। ক্ষমতাসীন দলের এই বক্তব্য সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

ড.বদিউল আলম মজুমদার: দেখুন, গাজীপুরের নির্বাচনকে যেভাবে দেখেছি এবং গণমাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় অত্যন্ত সীমিত আকারে এসেছে। কারণ বেশিরভাগ গণমাধ্যম বিভিন্ন কারণে সেলফ সেন্সরশীপ করেছে। ফলে তারা অনেক কিছু দেখায় নি কিংবা অনেক বিষয়ে লেখে নি। ফলে  আওয়ামী লীগ বা সরকারি দলের বক্তব্যের সাথে বাস্তবতার মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে সরকারি দল যে কথা বলেছে সেকথা ঠিক নয়। গাজীপুরের নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হয় নি।

রেডিও তেহরান: গাজীপুরের নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে সরকারি দলের দাবি সম্পর্কে ড. তোফায়েল আহমেদ আপনি কী বলবেন?

স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ

ড. তোফায়েল আহমেদ: ড. বদিউল আলম মজুমদারের মতের সাথে একমত হলেন ড. তোফায়েল আহমেদ। তিনিও বললেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হয় নি এবং গ্রহণযোগ্যও হয় নি। এখানে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার ব্যাপারে অনেক প্রতিবন্ধকতা ছিল। ফলে সরকারি দলের দাবির কোনো যৌক্তিকতা ও বাস্তবতা কোনোটাই নেই। সবাইকে বাস্তবতাকে স্বীকার করে নিতে হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু না হওয়ার পেছনে যেসব বিষয় ছিল সেগুলোকে স্বীকার করে নিতে হবে।

তবে গাজীপুরের নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীদের বিষয়ে কিছু বলতে চাই্। আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্বাচনের অনেক আগ থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছেন, নির্বাচনের মাঠ তৈরি করেছেন, সমর্থকগোষ্ঠী তৈরি করেছেন। সুতরাং গাজীপুরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ব্যক্তি হিসেবে একটি ফ্যাক্টর ছিল। সে কারণে এখানে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর জয়ের একটা সম্ভাবনা ছিল কিন্তু তারপরও নির্বাচনের বাস্তবতায় বেশ কিছু বিষয়ে তারা নানা অনিয়ম ও বিধিভঙ্গের আশ্রয় নিয়েছে বলে বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে এসেছে। এ বিষয়গুলো অবশ্যই নির্বাচন কমিশনের মূল্যায়ন করা দরকার। নির্বাচন কমিশনকে আরো অনেকগুলো নির্বাচন করতে হবে। ফলে অনিয়মের বিষয়গুলো কার্পেটের নিচে রেখে দেয়া কোনোভাবেই ঠিক হবে না।  

রেডিও তেহরান: ড. বদিউল আলম মজুমদার,  আপনার মতে- আসলে কী নির্বাচন কমিশন অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে ব্যর্থ হয়েছে?

ড.বদিউল আলম মজুমদার: নিঃসন্দেহে, নির্বাচন কমিশন গাজীপুরে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে ব্যর্থ হয়েছে। অথচ এই নির্বাচন কমিশন ভালো নির্বাচনও করেছে। 

  • কুমিল্লায় মোটামুটি গ্রহণযোগ্য একটা নির্বাচন করেছে।
  •  রংপুরে তো দৃষ্টান্তমূলক নির্বাচন উপহার দিয়েছে। 

সেখানে শান্তিপূর্ণ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে। সেখানে কোনোরকম বাড়াবাড়ি, গ্রেফতার, ভয়-ভীতি দেখানো এধরনের কোনো কিছুই হয় নি। নির্বাচন কমিশন সেখানে তাদের সক্ষমতা দেখিয়েছে কিন্তু খুলনার নির্বাচন পক্ষপাতমূলক নির্বাচন হয়েছে। গাজীপুরের নির্বাচন খুলনার চেয়ে একধাপ এগিয়ে। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছিলাম-নির্বাচনে যেসব সমস্যা হয়েছে সেগুলোর সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নিতে। অথচ নির্বাচন কমিশন কোনো কার্যকর উদ্যোগ তো নেয় নি বরং খুলনার সেই ঘটনার একই বিষয়ের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে গাজীপুরে। 

রেডিও তেহরান: গাজীপুরে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা সম্পর্কে ড. তোফায়েল আহমেদ আপনি কী বলবেন?

ড. তোফায়েল আহমেদ: দেখুন, গাজীপুর নির্বাচনের কতগুলো অবজেকটিভ রিজন আছে সেগুলোতে সঠিকভাবে দেখতে হবে। নির্বাচন কমিশন এককভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারে না। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের সেই শক্তি নেই। আইনগতভাবে ক্ষমতা থাকলেও তা কার্যকর করার মতো শক্তি-সামর্থ্য তাদের নেই। নির্বাচন কমিশনকে সরকারের ওপর নির্ভর করতে হয়। সুতরাং বাংলাদেশের বাস্তবতা হচ্ছে সরকার চাইলে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় আর সরকার না চাইলে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না। ফলে নির্বাচনের বিষয়টি আসলে নির্বাচন কমিশনের ওপর নির্ভর করে না।

রেডিও তেহরান:  ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিএনপি ফল প্রত্যাখ্যান করে নতুন নির্বাচন দাবি করেছে। এ অবস্থায় নির্বাচন কমিশনের কী করা উচিত বলে আপনি মনে করেন?

নির্বাচন কমিশন

ড. বদিউল আলম মজুমদার: দেখুন, আমি প্রথমেই বলব নির্বাচন কমিশনকে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা উচিত ছিল। সেটা হয় নি। তবে যেসব অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে সে বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনে নির্বাচন বাতিল করতে পারে কিংবা আংশিকভাবে বাতিল করতে পারে। চুলচেরা তদন্ত করে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া দরকার। তানাহলে নির্বাচন কমিশন রংপুরের নির্বাচনে জনগণের যে আস্থা অর্জন করেছিল সেটা বহুলাংশে ক্ষতিগ্রস্ত হবে গাজীপুরের সাম্প্রতিক নির্বাচনে।

রেডিও তেহরান: নির্বাচন কমিশনের করণীয় সম্পর্কে ড. তোফায়েল আহমেদ আপনি কী বলবেন?

ড. তোফায়েল আহমেদ: নির্বাচন কমিশনের করণীয় হচ্ছে-যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে গাজীপুরের নির্বাচন নিয়ে সেসব অভিযোগের যথাযথ তদন্ত করে সত্যমিথ্যা কী সেই জিনিষটা পরিস্কার করে মানুষের সামনে তুলে ধরা। অভিযোগ সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন একমত কী না; তাদের এ ব্যাপারে অন্য কোনো ব্যাখ্যা আছে কী না..থাকলে সে ব্যাখ্যাটা তাদের দেয়া উচিত। কোনো কিছুই না বলে চুপ করে থাকা বা কিছু না বলাটা একদমই ঠিক না। নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। কারো কোনো অভিযোগ থাকলে সে ব্যাপারে কমিশনের যথাযথ জবাব দেয়া উচিত। তথ্যভিত্তিক জবাব অবশ্যই জনগণের কাছে দিতে হবে।

রেডিও তেহরান: ড. তোফায়েল আহমেদ, ইদানিং যত সিটি নির্বাচন হচ্ছে তার সবগুলোতে সরকারি দলের প্রর্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। তাহলে ধরে নেয়া যায় সরকারি দলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। আপনার পর্যবেক্ষণ কী?

ড. তোফায়েল আহমেদ: দেখুন, সরকারি দলের বিজয়ে তাদের জনপ্রিয়তা বেড়েছে এমন কোনো মাপকাঠি আমার কাছে নেই। আসলে এটা বলার কোনো মাপকাঠি আমার জানা নেই। সিটি নির্বাচনে জনপ্রিয়তা বাড়ে বা কমে –এভাবে ভাবার বা বলার কোনো ভিত্তি আছে বলে আমার জানা নেই।

রেডিও তেহরান: ড. বদিউল আলম মজুমাদর, সাম্প্রতিক সিটি নির্বাচনে সরকারি দলের প্রর্থীরা বিজয়ী হওয়ায় ধরে নেয়া যায় সরকারি দলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে?

বিজয়ী মেয়রপ্রার্থী মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর আলম

ড. বদিউল আলম মজুমদার: দেখুন, এটা বলা খুবই দুরূহ। কারণ এসব নির্বাচনে সরকারি দলের প্রার্থীরা ব্যাপক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকে। আমরা যেটা দেখেছি- সিটি কর্পোরেশনে বিরোধীদলের নির্বাচিত মেয়ররা বিভিন্নভাবে মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন গত পাঁচ বছরে। অনেকে বরখাস্ত হয়েছে, কেউ কেউ জেলে গেছেন, দায়িত্ব পালন করতে পারেন নি। শুধু তাই নয় তারা কোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ডও করতে পারেন নি কারণ তাদের প্রতি বৈষম্য করা হয়েছে। আসলে তাদের প্রতি বৈষম্য করা হয় নি; বৈষম্য করা হয়েছে ওইসব এলকার জনগণের ওপর।

  • গাজীপুরের জনগণের সামনে যেটা ইস্যু ছিল সেটা হচ্ছে,
  • যদি এলাকার উন্নয়ন চান তাহলে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে।
  • আর যদি উন্নয়ন না চান তাহলে বিরোধীদলকে ভোট দিতে পারেন।
বিএনপির পরাজিত মেয়রপ্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার

গাজীপুরবাসী তাদের অতীত ৫ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে দেখেছে যে কী পরিমাণ ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার তারা হয়েছে। এলাকার কোনো উন্নয়ন হয় নি। আবার যদি সরকারি দলের বাইরে কেউ নির্বাচিত হয় তাহলে সেই একই অবস্থা হবে। এভাবনা থেকে গাজীপুরবাসীর কাছে সরকারি দল ছাড়া বিকল্প কিছু ছিল না। ফলে আমি বলব কারচুপি বা বিভিন্ন অনিয়ম না করেও সরকারি দলের প্রার্থী গাজীপুরে নির্বাচিত হতে পারত। অথচ তারা অহেতুক অনিয়ম ও কারচুপি করে সেখানে বড় রকমের সমস্যা সৃষ্টি করল। এর পরিণতি অবশ্যই মঙ্গলকর হবে না।#

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৯
 

২০১৮-০৬-২৯ ২১:১২ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য