৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জানিপপের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ। রেডিও তেহরানকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ সাধুবাদ জানান।

তবে সুজন সম্পাদক ড.বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, সরকারি দলের নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন হয়েছে। হয়েছে ভিন্নধরনের কারচুপি। 

বিচ্ছিন্ন দু একটি ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ। অন্যদিকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে। আর বরিশালে বাসদের মেয়রপ্রার্থী ডা. মানিষা চক্রবর্তী বলেছেন, সেখানে ভোট ডাকাতি হয়েছে। প্রশাসন ও কমিশনের ভূমিকা ছিল পক্ষপাতমূলক।

সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ ও উপস্থাপনা করেছেন গাজী আবদুর রশীদ।

  • নির্বাচন কমিশন সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য-অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ
  • সরকারি দলের নিয়ন্ত্রণে ভিন্ন কারচুপিতে তিন সিটি নির্বাচন হয়েছে-ড.বদিউল আলম মজুমদার
  • বিএনপির মূল লক্ষ্য হচ্ছে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার এবং বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দেয়া-মাহবুবুল আলম হানিফ
  • নির্বাচনের নামে তামাশা হয়েছে; নির্বাচন হয় নি। নির্বাচন কমিশন সরকারি দলের পক্ষে কাজ করেছে-শামসুজ্জামান দুদু
  • বরিশালে ভোট ডাকাতির নির্বাচন হয়েছে-ডা.মনীষা চক্রবর্তী

রেডিও তেহরান:  অধ্যাপক কলিমুল্লাহ আপনার কাছে জানতে চাইবো ৩০ জুলাই ৩ টি সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যথারীতি নির্বাচন নিয়ে নানারকম অভিযোগ। আপনার দৃষ্টিতে সিটি নির্বাচন কেমন হয়েছে ?
 

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জানিপপের চেয়ারম্যান অধ্রাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ

অধ্যাপক কলিমুল্লাহ: দেখুন, বাংলাদেশের তিনটি অঞ্চলে অবস্থিত তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পূর্বাপর পরিস্থিতি আমাদের পর্যবেক্ষণের আওতায় নিয়ে এসেছিলাম। স্থানীয় সরকারের আওতাধীন এই তিন সিটি নির্বাচনের ক্ষেত্রে রাজশাহী সিটি নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিলেটের অবস্থা ছিল মাঝামাঝি তবে বরিশালের পরিস্থিতি আমরা যেমনটি প্রত্যাশা করেছিলাম তেমনটি বলা যাবে না। তবে সামগ্রিক বিবেচনায় শিডিউল অনুযায়ী তিনটি সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর সেজন্য অবশ্যই নির্বাচন কমিশনকে সাধুবাদ জানাই। তারা যথাসময়ে এই নির্বাচন শেষ করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করেছেন এবং সফল হয়েছেন।

রেডিও তেহরান: ড. বদিউল আলম মজুমদার আপনার দৃষ্টিতে ৩ সিটি নির্বাচন কেমন হয়েছে?
 

ড. বদিউল আলম মজুমদার

ড. বদিউল আলম মজুমদার: দেখুন, আমাদের দেশের রাজনীতি এবং নির্বাচন দুটোই ভিন্নরুপ ধারন করেছে। একসময় আমাদের দেশের রাজনীতিতে একটা ভারসাম্য ছিল। তখন প্রতিযোগীতামূলক রাজনীতি ছিল। আর তখন নির্বাচনেও বিচ্ছিন্নভাবে  দুএকটা জায়গায় কারচুপি বা কেন্দ্র দখলের ঘটনাও ঘটত কিন্তু এখন আমাদের দেশের রাজনীতির সেই ভারসাম্য এবং নির্বাচন পরিস্থিতি বদলে গেছে। বর্তমানে দেশে একটি দল চরম পরাক্রমশালী হয়েছে এবং সেই দলটি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

গতকিছুদিন ধরে আমরা বাংলাদেশে যে নির্বাচন দেখছি সেটি নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন। এর শুরু খুলনা থেকে হয়েছে। আর তারই আরেকটা রুপ দেখলাম বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেটের নির্বাচনে। তবে এই নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনও অনেক ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রেক্ষাপটে ভিন্ন ভিন্ন রুপে দেখা যায়। তিন সিটি নির্বাচনে আমরা সিলেটে একরুপ দেখলাম, বরিশালে দেখলাম ভিন্নরুপ এবং রাজশাহীতে আরেক রকম দেখলাম। তবে সবগুলোই ক্ষমতসীন দলের নিয়ন্ত্রণে হয়েছে। সেখানে নির্বাচন কমিশন, পুলিশ প্রশাসন এবং অন্যান্য যেসব অংশীজন আছে তারা সবাই ক্ষমতাসীনদের নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে। ফলে এককথায় বলা চলে সরকারি দলের নিয়ন্ত্রণে তিন সিটি নির্বাচন হয়েছে এবং ভিন্নধরনের কারচুপি হয়েছে।  

রেডিও তেহরান: জনাব মাহবুবুল আলম হানিফ-আপনার কাছে কেমন হলো নির্বাচন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ

মাহবুবুল আলম হানিফ: দেখুন, ছোটো-খাটো দু একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন মোটামুটি সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হয়েছে। আমরা যদি বাংলাদেশের নির্বাচনের অতীতের দিকে তাকিয়ে দেখি; যদি গত একশ বছরের নির্বাচনের ইতিহাস যদি  পর্যালোচনা করে দেখি তাহলে দেখা যাবে প্রতিটি নির্বাচনে একাধিক ছোটো খাটো ঘটনা ও দ্বন্দ্ব-সংঘাত ঘটেছে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কাউন্সিলরদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষের ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। সেই তুলনায় বলা যেতে পারে সাম্প্রতিককালে যে সিটি করপোরেশনগুলোর নির্বাচন হয়েছে তাতে উল্লেখ করার মতো কোথাও কোনো সাংঘর্ষিক ঘটনা ঘটে নি। আবারও বলব কোথাও কোথাও দুএকটা ছোটো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া একটা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন হয়েছে।

রেডিও তেহরান: বিচ্ছ্ন্নি দুএকটি ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে বলে জানালেন মাহবুবুল আলম হানিফ। তো জনাব শামসুজ্জামান দুদু- ৩ সিটি নির্বাচন আপনার দৃষ্টিতে কেমন হলো।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু

শামসুজ্জামান দুদু: দেখুন, বৃটিশ আমলে, পাকিস্তান আমলে এমনকি বাংলাদেশ আমলেও যেধরনের নির্বাচন হয়েছে বা আপনারা দেখেছেন এবার খুলনা, গাজীপুর এবং সর্বশেষ বরিশাল, রাজশাহী এবং সিলেটে সেই তুলনায় একেবারে ভিন্ন  একটি নির্বাচন মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। এখানে নির্বাচন কমিশন, সরকারি দল, আইনশৃঙ্খলাবাহিনী এবং প্রশাসন একাকার হয়ে  কিভাবে ভোট চুরি করা যায়, ব্যালটে সিল মেরে সরকারি দলের অনুকূলে বাক্স ভরা যায় তারই তাণ্ডব আমরা দেখেছি সর্বশেষ তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে। এমনই চিত্র কিছুদিন আগে গাজীপুর ও খুলনাতেও দেখেছি। নির্বাচনের নামে এখানে আসলে একটি তামাশা হয়েছে। যেটা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে এমনকি ১৯৭১ সালের যে ভোটাধিকার, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র তারসঙ্গে একধরনের উপহাস করা হয়েছে এই নির্বাচনে। সেই অর্থে এখানে কোনো নির্বাচন হয় নি।

রেডিও তেহরান: বরিশাল সিটি নির্বাচনে বাসদের প্রার্থী হিসেবে ডা. মনিষা চক্রবর্তী আপনি নির্বাচন করেছেন। নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগে আপনি নির্বাচন বর্জনও করেছেন। তো নির্বাচন নিয়ে আপনি কী বলবেন?

ডা. মনীষা চক্রবর্তী

ডা. মনিষা চক্রবর্তী: বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যেহেতু আমি নিজে অংশগ্রহণ করেছি মেয়র প্রার্থী হিসেবে এবং একেবারে কাছ থেকে দেখেছি নির্বাচনের চিত্র। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন আসলে নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে, এখানে আসলে নির্বাচন হয় নি। প্রচার-প্রচারণা যখন থেকে শুরু হয়েছে তখন থেকেই নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে প্রচণ্ড পক্ষপাতমূলক মনোভাব দেখেছি। আচরণ বিধি ভঙ্গের ব্যাপারে ক্ষমতাসীনদের ব্যাপারে যতটা নমনীয় ছিল প্রশাসন অন্যদের ক্ষেত্রে ঠিক ততটাই কঠোর ছিল। এসব বিষয়ে বিভিন্ন জায়গায় আমাদের কর্মীদের হয়রানি, মারধর ও হামলা করা হচ্ছিল। এ বিষয়গুলো নিয়ে আমরা নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ করে কোনো ফল পাই নি। 
সর্বশেষ নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ কোনোভাবেই তৈরি হলো না। এরপর নির্বাচনের দিন ঘটল নজিরবিহীন ঘটনা। সকাল ৮ টা বাজার মিনিট ১০/১৫ বাকি তখন এমন সময় খবর পেলাম সমস্ত কেন্দ্রে মেয়রপদে নৌকা প্রতীকে সিল মারা ব্যালট পেপার সরবরাহ করা হয়েছে। বাস্তবে সেটাই প্রত্যক্ষ করলাম। কোনো কোনো জায়গায় ভোটারদেরকে ভোট দিতে দেয়া হয় নি। মেয়রের ব্যালট দেয়া হয় নি কেবলমাত্র কমিশনার ব্যলট দেয়া হয়েছে। আবার কোনো কোনো জায়গায় ব্যালট দেয়া হলেও তা সিল মেরে দেয়া হয়েছে। এভাবে খুবই প্রহসনের এবং ভোট ডাকাতির একটা নির্বাচন হয়েছে বরিশালে।

রেডিও তেহরান: অধ্যাপক কলিমুল্লাহ,  রাজশাহী সিটি সম্পর্কে বলা হচ্ছে- অর্ধেকের বেশি কেন্দ্রে অস্বাভাবিক ভোট পড়েছে। এছাড়া বিএনপির প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল নিজেই প্রতিবাদে ভোট দেন নি। আপনার পর্যবেক্ষণ কী?
 

Image Caption

অধ্যাপক কলিমুল্লাহ: আমরা মনে করি বিএনপির প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল প্রতিবাদের একটা নতুন মাত্রা তিনি যোগ করেছেন। এটাকে গান্ধী টেকনিক বলা যেতে পারে। মহাত্মা গান্ধী এ ধরনের অবস্থান গ্রহণ করতেন। তার এ প্রতিবাদের বিষয়টিকে অবশ্যই সাধুবাদ দেয়ার যোগ্য। প্রতিবাদের তো বিভিন্ন রকম ভাষা আছে তো নির্বাচনের ক্ষেত্রে তাঁর এ প্রতিবাদের ভাষা নতুন মাত্র যোগ করেছে। 

রেডিও তেহরান: একই বিষয়ে জানতে চাইলে বদিউল আলম মজুমদার বলেন..

ড. বদিউল আলম মজুমদার: দেখুন, রাজশাহী সিটি নির্বাচনে অস্বাভাবিক ভোট পড়েছে বলে আপনি যে প্রশ্নটি করলেন আমি আপনাকে এ ব্যাপারে আরো সুস্পষ্ট তথ্য দিতে পারি। শতকরা ৯০ ভাগেরও বেশি ভোট পড়েছে ১১ টি কেন্দ্রে। আর ৮০ থেকে ৯০ ভাগ ভোট পড়েছে ৫৮ টি কেন্দ্রে। তাহলে অর্ধেকের মতো কেন্দ্রে শতকরা ৮০ ভাগেরও বেশি ভোট পড়েছে। এটা সেই নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনের চিত্র। কেন্দ্র দখল করে নীরবে সিল মেরে বাক্স ভর্তি হয়েছে। অনেকগুলো কেন্দ্রে ভোটের যে হার তারই প্রতিফলন মাত্র।

রেডিও তেহরান: জনাব মাহবুবুল আলম হানিফ, নির্বাচন কমিশন বলেছে তিন সিটিতেই নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। তবে বিএনপি তিন সিটিতেই কারচুপির অভিযোগ করেছেন।  তো এ সম্পর্কে কী বলবেন আপনি?

মাহবুবুল আলম হানিফ: দেখুন, বিএনপির মূল লক্ষ্য হচ্ছে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার এবং বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দেয়া। বিশেষ করে যে নির্বাচনে বিএনপির পরাজয়ের শঙ্কা থাকে সেই নির্বাচনকে তারা শুরু থেকেই বিতর্কিত করার  জন্য এধরনের মিথ্যাচার করে থাকে। এটা তাদের পুরনো রাজনৈতিক কৌশল। দেশবাসী জানে বিএনপি এধরনের মিথ্যাচারকারী একটি দল। নির্বাচনে যদি সেধরনের কোনো অনিয়ম থাকত তাহলে নিশ্চয়ই সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী জয়লাভের পথে থাকত না। ফলে সিলেটে বিএনপি প্রার্থীর জয়লাভের বিষয়টি প্রমাণ করে নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে।

রেডিও তেহরান: জনাব শাসুজ্জামান দুদু:  মাহবুবুল আলম হানিফ বললেন নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষে হয়েছে নির্বাচন কমিশন বলেছে তিন সিটিতেই নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। আপনিও কী এমনটি মনে করেন?

শামসুজ্জামান দুদু: দেখুন, শুরু থেকেই আমরা নির্বাচন কমিশনকে লিখিত, মৌখিকভাবে,অফিসে গিয়ে কিংবা মোবাইলে নানাভাবে নির্বাচনের দোষ-ক্রটি তাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আমাদের অভিযোগ শুনে কখনও কখনও নির্বাচন কমিশন আশ্বাস দিয়েছে, কখনও কখনও দেখবেন বলে আশ্বস্ত করেছে কিন্তু তারা কাজের কাজ কিছুই করে নি। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনী একজোট হয়ে সরকারি দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে। সেকারণে  আমাদের অভিযোগগুলো তারা আমলে নেয় নি। আর এসব চিত্র দেখে অনেক আগেই আমরা বলেছি বর্তমান নির্বাচন কমিশন গ্রহণযোগ্য না। তারপরও আমরা দেখতে চেয়েছি যে মানুষের মধ্যেও তো কিছু কিছু সময় পরিবর্তন আসে। নির্বাচন কমিশনারাও তো মানুষ। তারা হয়তো খারাপটাকে খারাপ হিসেবে  দেখবে এবং ভালোকে ভালো হিসেবেই দেখবে। কিন্তু আসলে তাদের মধ্যে কোনো পরিবর্তন হয় নি। মনে হয় তারা যেন সরকারি চাকুরিজীবী। নির্বাচন কমিশন যে একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সেকথাটি তারা হয়তো ভুলে গেছে।#


পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/৪

২০১৮-০৮-০৪ ১৭:৩৫ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য