• 'খালেদা জিয়াকে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে'

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৮ সেপ্টেম্বর শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • সরকার পালানোর পথ খুঁজছে: ফখরুল-দৈনিক প্রথম আলো
  • খাদ্যের জন্য কারো কাছে যেন হাত পাততে না হয়: প্রধানমন্ত্রী-ইত্তেফাক
  • এই সময়ে বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না: সেতুমন্ত্রী-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
  • নাশকতা বরদাস্ত করা হবে না: আইজিপি- দৈনিক যুগান্তর
  • 'খালেদা জিয়াকে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে'-নয়াদিগন্ত
  • শান্তি ফেরাতে ক্ষমতায় যেতে চাই : এরশাদ-এনটিভিবিডি

ভারতের শিরোনাম:

  • প্রাকৃতিক গ্যাস মিলল অশোকনগরে, জানাল ওএনজিসি- দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা
  • নোটবন্দি থেকে কালো টাকা, সবেতেই ফেল মোদি’
  • লাগামহীন জ্বালানির মূল্য, শনিবারও দাম বাড়ল পেট্রল-ডিজেলের

পাঠক/শ্রোতা! এবারে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাব। জনাব সিরাজুল ইসলাম কথাবার্তার আসরে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।

কথাবার্তা:

কথাবার্তার প্রশ্ন (২৭ জুন)

১.বিএসএফ প্রধানের দাবি এ বছর সীমান্তে একজনেরও মৃত্যু হয়নি- বিষয়টি কে আপনি কীভাবে দেখছেন?

২. ইরান ও রাশিয়া যৌথভাবে আমেরিকাকে প্রতিহত করতে পারে- রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে এমন  মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। আপনার পর্যবেক্ষণ কী?

সরকার পালানোর পথ খুঁজছে: ফখরুল-দৈনিক প্রথম আলো

সরকার পরাজিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সরকার কীভাবে পালাবে, সে পথ খুঁজছে। আজ শনিবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধা দলের মতবিনিময় সভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম এই মন্তব্য করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ মরিয়া হয়ে শেষ চেষ্টা করছে কীভাবে বিএনপিকে দমন করা যায়। তিনি আরও বলেন, তারা রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে দেশের জনগণের ওপর নির্যাতন করছে। নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখার শেষ চেষ্টা করছে। তাই আজ যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা থেকে মুক্তি পেতে জনগণের ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

ফখরুল ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার আগে বলেছেন সব রাজনৈতিক দল, সংগঠনকে নিয়ে একটি বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে। বৃহত্তর ঐক্য গড়ার কাজ চলছে। খুব শিগগির সেটি সফল হবে। মির্জা ফখরুল বলেন, বিরোধী দল ছাড়া এ দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। এ দেশের জনগণ কখনো কোনো অন্যায়ের কাছে মাথানত করেনি।

এ সময় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আপনাদের মাঝে একটা ভুল ধারণা কাজ করছে, সেটি হলো অনেকে বলে থাকেন খালেদা জিয়াকে ছাড়া আলোচনার কথা। এটা আপনাদের ভুল ধারণা। খালেদা জিয়ার মুক্তি বাদ দিয়ে কোনো আলোচনা নয়। সবাই তাঁর মুক্তির জন্য আন্দোলন করছেন। বি. চৌধুরী নিজেই বিবৃতি দিয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেছেন।

জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান, বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্যের জন্য কারো কাছে যেন হাত পাততে না হয়: প্রধানমন্ত্রী-ইত্তেফাক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, কৃষিবিদদের লক্ষ্য রাখতে হবে বাংলাদেশকে আবার যেন খাদ্যের জন্য কারো কাছে হাত পাততে না হয়।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে এবং খাদ্যের জন্য যেন আর কোনদিন বাংলাদেশকে কারো কাছে হাত পাততে না হয়, সেটা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রী আজ শনিবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনালয়তনে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (কেআইবি)-র ৬ষ্ঠ জাতীয় কনভেনশন এবং এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সেমিনারের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সামনে আমাদের নির্বাচন আমরা একটানা দুইমেয়াদে থাকলাম (রাষ্ট্র ক্ষমতায়) তৃতীয় মেয়াদে জনগণ ভোট দিলে আসবো, না দিলে নয়। কিন্তু আমরা চাই, যে অগ্রযাত্রটা শুরু করেছি, বাংলাদেশ আজকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছি, সেটা যেন থেমে না থাকে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের আওয়ামী লীগের নীতি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করবো, কারো কাছে হাত পাতবো না। আর বিএনপি’র নীতি খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ হওয়া যাবে না, বিদেশ থেকে ভিক্ষা আনতে হবে।’ তিনি এ সময় কৃষিক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিজ্ঞানী, কৃষিবিদসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ জানান।

কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং কেআইবি সভাপতি এএমএম সালেহ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। আইএফডিসি’র প্রেসিডেন্ট এবং সিইও স্কট জে অ্যাঞ্জেল এবং কেআইবি মহাসচিব মো. খায়রুল আলম প্রিন্সও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। কৃষিবিদ ড. মীর্জা আব্দুল জলিল, ড. আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল মান্নান এবং কৃষিবিদ আফম বাহাউদ্দিন নাছিম মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

কৃষিক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ অনুষ্ঠানে কৃষিবিদ বাহাউদ্দিন নাছিমকে কেআইবি’র পক্ষ থেকে আজীবন সম্মাননা পদকে ভূষিত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তাঁর হাতে এই পদক তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আজ খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ কিন্তু আমাদের এখন এসব পণ্যে ভ্যালু অ্যাড করতে হবে, প্রক্রিয়াজাতকরণ করতে হবে। কারণ, আমাদের দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন হচ্ছে, বিদেশে বাজার ও তেমনি বৃদ্ধি পাচ্ছে তাই এগুলো আমরা দেশে যেমন বিক্রি করতে পারবো তেমনি বিদেশেও রফতানি করতে পারবো।

তাই কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণের দিকে আমাদের বিশেষভাবে নজর দেওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। সেজন্য আমরা উত্সাহিত করছি আমাদের বিনিয়োগটা যেন এদিকে হয়। আমরা তাহলে অর্থনৈতিকভাবে আরো শক্তিশালী হতে পারবো,’ যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এই সময়ে বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না: সেতুমন্ত্রী-দৈনিক কালেরকণ্ঠ

 জাতীয় নির্বাচনের আগে গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ে বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। দলের ভেতর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে বলে জানিয়ে নেতা-কর্মীদের সতর্ক করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় নীলফামারী যাওয়ার পথে টাঙ্গাইল স্টেশনে পথসভায় বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের কোন্দলের খবর প্রকাশের প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দেন কাদের।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিশৃঙ্খলা করবেন না। ঘরের মধ্যে ঘর বানানোর চেষ্টা করবেন না। মশারির মধ্যে মশারি টানানোর চেষ্টা করবেন না। শেখ হাসিনার অ্যাকশন ডাইরেক্ট অ্যাকশন। বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন  শুরু হয়ে গেছে। তিন দিনের মধ্যেই শোকজ যাবে। দিনাজপুর যাবে, রাজশাহী যাবে, বরগুনা যাবে, সিলেট যাবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।

উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দাবির পেক্ষিতে সেতুমন্ত্রী বলেন, একটু অপেক্ষা করুন। ঢাকা-টাঙ্গাইল অফিসগামী ট্রেনও চালু হবে। এসময় তিনি সবার উদ্দেশ্যে জানতে চান- প্রধানমন্ত্রী তার দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছেন কিনা? সবাই হাত তুলে বলেন হ্যা বলেন। পথসভায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বিএম মোজাম্মেল হক, আহমদ হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

নাশকতা বরদাস্ত করা হবে না: আইজিপি-দৈনিক যুগান্তর

অরাজকতা, নাশকতা, আন্দোলনের নামে হুমকি ও দেশকে অস্থিতিশীল করার কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। তিনি বলেন, পুলিশ সে জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছে।

শনিবার বেলা পৌনে ১১টায় রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজে বাংলাদেশ পুলিশ মেধাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান ২০১৮ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিয়ে ফেরার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে আন্দোলনের হুমকি, অরাজকতা কিংবা অপচেষ্টা রোধে পুলিশের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুলিশ যথাযথ প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ যথেষ্ট সক্ষম। যেকোনো ধরনের নাশকতা, জ্বালাও-পোড়াও দমাতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। আন্দোলনের নামে হুমকি ও শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করতে দেয়া হবে না।

নির্বাচনেরর আগে গ্রেফতার আতঙ্ক, গণগ্রেফতার সম্পর্কে বিএনপির বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্বাচনের সঙ্গে গ্রেফতারের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা কখনও কোনো দলের নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করি না। শুধু তাদেরই গ্রেফতার করি যাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে, ওয়ারেন্ট আছে। সেক্ষেত্রে তাদের কী পরিচয় সেটা আমরা দেখি না। গ্রেফতারের সঙ্গে নির্বাচন কিংবা কোনো দলের নেতাকর্মীদের সম্পর্ক নেই।

সম্প্রতি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) কর্তৃক জরিপে উঠে এসেছে- দেশের বিদ্যমান সেবা খাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইজিপি বলেন, টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদন দেখার সুযোগ হয়নি। তবে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন দেখেছি। টিআইবির ওই গবেষণা রিপোর্টটি পর্যালোচনা করতে একটি কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে। কীভাবে এই গবেষণা করা হয়েছে, কারা ছিল, কাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কী উত্তর তারা পেয়েছেন তা বিস্তারিত জেনে মন্তব্য করা যাবে।

এর আগে অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) মো. মহসিন হোসেনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় ভাল ফলাফলের জন্য পুলিশ পরিবারের ৩৬১ কৃতি শিক্ষার্থী বৃত্তি প্রদান করেন আইজিপি।

আইসিসির রুলিং প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার-মানবজমিন

হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) রুলিংকে জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে মিয়ানমার। তারা বলেছে, রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে কোনো বিচারিক অধিকার নেই আইসিসির। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ভয়েস অব আমেরিকা ও আল জাজিরা। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার আইসিসি রুলিং দেয় যে, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো নৃশংসতাকে মানবতার বিরোধী অপরাধের তদন্ত বা বিচার করার এক্তিয়ার রয়েছে তাদের। এর পরই মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টের অফিস থেকে শুক্রবার এ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। এতে ওই রুলিংকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়। বলা হয়, ত্রুটিযুক্ত প্রক্রিয়া ও আইনগত সংশয়ের মধ্য দিয়ে ওই রুলিং দেয়া হয়েছে।  এ বিষয়ে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়, ওই রায়ের প্রতি সম্মান দেখাতে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই মিয়ানমারের।

গত বছর ২৫ শে আগস্ট থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নৃশংস নির্যাতন চালায়।

এতে কমপক্ষে ৭ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেন। এ বছর আগস্টে জাতিসংঘের নিরপেক্ষ সংস্থা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন এ নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, গত বছর গণহত্যা চালিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। তারা রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণ করেছে। এর উদ্দেশ্য ছিল গণহত্যা। ওই রিপোর্টে আরো বলা হয়, মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং ও অন্য ৫ জন শীর্ষ জেনারেলের বিচার হওয়া উচিত। তবে মিয়ানমার এমন নৃশংসতার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এমন অবস্থায় আইসিসির প্রসিকিউটর ফাতু বেনসুদা অভিযোগের তদন্ত করা যাবে কিনা তা যাচাই করার জন্য আইসিসির সিদ্ধান্ত চেয়ে একটি আবেদন করেন। তারই প্রেক্ষিতে আইসিসি বৃহস্পতিবার ওই রায় দিয়েছে। তিন বিচারকের প্যানেল ওই রায়ে বলেছেন, রোহিঙ্গা জনগণের বিরুদ্ধে যে অপরাধ সংঘটিত করা হয়েছে, তাদেরকে দেশছাড়া করা হয়েছে, তার প্রেক্ষিতে এটাকে মানবতা বিরোধী অপরাধ ধরে বিচার করার অধিকার আছে আইসিসির। এর প্রেক্ষিতে শুক্রবারই এমন রায়কে স্বাগত জানিয়েছে মানবাধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

'খালেদা জিয়াকে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে'

বিএনপির চেয়ারপারসন বেতম খালেদা জিয়াকে বিনা চিকিৎসায় রেখে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। আইনে কী হবে সেটা পরের কথা। আগে তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। তার চিকিৎসা না করা হলে জীবনের হুমকি এলে তার দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। তিনি (খালেদা জিয়া) বলেছেন, আমি অসুস্থ, এখানে ন্যায় বিচার পাব না। বার বার এখানে আসতে পারব না। যত দিন খুশি আপনারা সাজা দিতে পারেন। কতটা অসুস্থ হলে তিনি এ কথা বলতে পারেন। কাজেই সরকারকে বাধ্য করতে হবে বেগম খালেদা জিয়াকে সুচিকিৎসা দিতে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রবীণ আইনবিদ অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন এ কথা বলেছেন।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক কাউন্সিল বিডিসি এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। সংগঠনের সভাপতি এম. এ হালিমের সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, আহমেদ আজম খান, সালাহ উদ্দিন বাবু, নিপুন রায় চৌধুরী প্রমুখ।

খন্দকার মাহবুব হোসেন, আমরা জাতীয় ঐক্যের পথে আছি। দেশে জাতীয় ঐক্যের শুভসূচনা হবে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে নামতে হবে। জনগণ সে জন্য জনগণ উন্মুখ হয়ে আছে। যারা নেতৃবৃন্দ আছেন তাদের ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে জাতীয় ঐকের পথে এগিয়ে যেতে হবে। এখানে বিএনপি একটি বৃহৎ দল, কাজেই বিএনপিকে সেভাবে মূল্যায়ন করতে হবে।

খন্দকার মাহবুব হোসেন আরো বলেন, আমরা চাই নিদলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন। এর কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় এবং তার অধীনে নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারবে এটা দেশের মানুষ বিশ্বাস করে না। তাই নিদলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আদায় করতে হবে। এজন্য রাপথে আন্দোলন সংগ্রাম করতে হবে।

শান্তি ফেরাতে ক্ষমতায় যেতে চাই : এরশাদ-এনটিভিবিডি

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, ‘দেশে শান্তি নেই, বিশৃঙ্খলা চলছে। গুম, খুন, হত্যা, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি চলছে ব্যাপকহারে। আমি দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চাই।’ আজ শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয় পার্টির যৌথ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, ‘আমরা আর কারো ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার হবো না। আমরা এককভাবে ক্ষমতায় যাব। জনগণ আমাদেরই এখন ক্ষমতায় দেখতে চায়।

এরশাদ বলেন, ‘সামনে জাতীয় নির্বাচন। নির্বাচন উপলক্ষে আমাদের সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। আমাদের আর পিছিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। সামনের এ নির্বাচন হলো আমাদের ক্ষমতায় যাওয়ার নির্বাচন।

দলের তৃণমূল নেতাদের নির্বাচনের জোর প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জাতীয় পার্টির প্রধান বলেন, ‘আমরাই আগামী নির্বাচনে ক্ষমতায় যাব।

পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ বলেন, ‘আমাদের এবারের সংগ্রাম, ক্ষমতায় যাওয়ার সংগ্রাম। এ সংগ্রামে আমাদের বিজয়ী হতে হবে।’ তিনি বলেন, জাতীয় পার্টির আমলেই দেশের প্রকৃত উন্নয়ন হয়েছে। এরপর আর এত উন্নয়ন হয়নি।

সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এম ফয়সাল চিশতি।

এবার ভারতের কয়েকটি  খবর তুলে ধরছি।

প্রাকৃতিক গ্যাস মিলল অশোকনগরে, জানাল ওএনজিসি-আনন্দবাজার পত্রিকা

উত্তর চব্বিশ পরগনার অশোকনগরে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পেল অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস কর্পোরেশন (ওএনজিসি)। অশোকনগর ছাড়াও মধ্যভারতের বিন্ধ্য অববাহিকাতেও মিলেছে প্রাকৃতিক গ্যাসের খোঁজ।

প্রাথমিক পরীক্ষায় একটি কুয়োর মধ্যে পরীক্ষানিরীক্ষা চালান ওএনজিসি-র ভূতত্ত্ববিদেরা। কুয়োটির মধ্যে দিয়ে প্রতি দিন এক লক্ষ ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রবাহ লক্ষ্য করেছেন তাঁরা। এমনটাই জানিয়েছেন, ওএনজিসি-র ডিরেক্টর (অন্বেষণ) অজয়কুমার দ্বিবেদী। অর্থাৎ, প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি বেশ ভালো মাত্রাতেই রয়েছে অশোকনগরের মাটির তলায়।

গ্যাসের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়ার পর খতিয়ে দেখা হবে বাণিজ্যিকভাবে কতটা সফল হতে পারে গ্যাস উত্তোলন। তারপরেই শুরু হতে পারে খননের মাধ্যমে গ্যাস তোলার প্রক্রিয়া।

অমিত শাহের নেতৃত্বেই ২০১৯এর লোকসভায় লড়বে বিজেপি-দৈনিক আজকাল

নেতৃত্বে আসছেন না নতুন কেউ। দ্রোণাচার্য থাকছেন সেই অমিতই। সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত বিজেপির। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে অমিত শাহের নেতৃত্বেই লড়বে গেরুয়া শিবির। শনিবার দিল্লিতে দুদিনের সর্বভারতীয় নেতাদের বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

২০১৯–এর জানুয়ারিতেই সর্বভারতীয় সভাপতি পদে অমিত শাহের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ২০১৪–য় এই পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি।  তারপরেই বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ে দিল্লি লাভ। দেশের সিংহভাগ রাজ্যই এখন বিজেপির শাসনে। ২০১৯–এর চ্যালেঞ্জটাও তাই তাঁরই কাঁধে রাখতে চাইছে নেতৃত্ব। সেই সাফল্য ধরে রাখার ক্ষমতা অমিতেরই আছে বলে মনে করেন বিজেপির তাবড় নেতারা। জনপ্রিয়তার নিরিখেও মোদির পরেই রয়েছেন অমিত শাহ। তাই আর কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে অমিতের কাঁধের ভরসা রেখে দল।

দ্বিতীয়বার দলের সভাপতি পদে নিযুক্ত হয়ে অমিত শাহ শনিবার ঘোষণা করেছেন, ২০১৮–র থেকেও বেশি ভোট পেয়ে বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে। তৈরি হয়েছে নতুন স্লোগান ‘‌অজেয় বিজেপি‌।

নোটবন্দি থেকে কালো টাকা, সবেতেই ফেল মোদি

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনায় এবার আসরে নামলেন দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদিকে তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলির কথা তুলে তুলোধোনা করলেন মনমোহন সিং। জানালেন, মোদি যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার একটাও পরিপূর্ণ করতে পারেননি। তা সে নোটবন্দি হোক বা কালো টাকা। সবেতেই ডাহা ফেল মোদি।

সরকারকে এনিয়ে একহাত নিয়েছেন তিনি। বলেছেন, দেশের যুব সম্প্রদায় অধীর আগ্রহে দু’কোটি চাকরির জন্য অপেক্ষা করছে। কিন্তু গত চার বছরে কর্মসংস্থান তো বাড়েইনি। উলটে কমেছে। মোদি সরকার যে দেশের বেকারত্ব ঘোচানোর দায়ি্ত্ব নিয়েছিল, তাতে তিনি অকৃতকার্য। মানুষ এতে একেবারেই সম্তুষ্ট নয়। বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা কপিল সিবালের বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসে একথা জানান তিনি।

তবে মোদি সরকারের সমালোচনা এখানেই শেষ করেননি তিনি। বলেছেন, মেক ইন ইন্ডিয়া ও স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়ার এখনও কোনও পরিপূর্ণ ফলাফল নেই। এখনও ছোট ও মাঝারি শিল্প এখনও সেভাবে লাভের মুখ দেখতে পায় না। এর জন্য জিএসটি আর নোটবন্দিকে সম্পূর্ণভাবে দায়ী করেছেন মনমোহন সিং। তাঁর মতে, জিএসটি আর নোটবন্দি তাড়াতাড়ি বাস্তবায়িত করতে গিয়ে সব মাটি করে দিয়েছেন মোদি।

এমনিতেই নোটবন্দি ও জিএসটি নিয়ে অনেক সমালোচনার মধ্যে ইতিমধ্যে পড়েছে মোদি সরকার। কিছুদিন আগেই এনিয়ে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী প্রশ্ন তুলেছিলেন। বলেছিলেন, “নোট বাতিলের ফলে কালো টাকা, জাল টাকা উদ্ধার হয়নি আগেই প্রমাণিত হয়েছে আরবিআইয়ের রিপোর্টে, তাহলে নোট বাতিলের উদ্দেশ্য কী ছিল? আসলে মোদিজি নোট বাতিলের মাধ্যমে তাঁর ১৫ জন শিল্পপতি বন্ধুর উপকার করতে চেয়েছিলেন। অমিত শাহ যে ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত সেই ব্যাংক নোটবন্দির সময় ৭০০ কোটি টাকা বদলে দিয়েছে, নোটবন্দির আগে দেশের প্রতিটি জেলায় বিজেপির পার্টি অফিস তৈরি হয়েছে। এতেই বোঝা যাচ্ছে নোট বাতিলের আসল উদ্দেশ্য কি ছিল।

নয়াদিল্লিতে তিন মূর্তি ভবনে এই বই প্রকাশ অনুষ্ঠান ছিল। অনুষ্ঠানে মনমোহন সিং ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন উপ-রাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি। এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পি চিদম্বরম, সীতারাম ইয়েচুরি, চন্দন মিত্র ও শরদ যাদব।

লাগামহীন জ্বালানির মূল্য, শনিবারও দাম বাড়ল পেট্রল-ডিজেলের

সপ্তাহের শেষেও নিস্তার নেই সাধারণ মানুষের৷ আরও মহার্ঘ পেট্রল-ডিজেল৷ সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ল সিএনজি গ্যাসের দাম৷ পেট্রলের দাম বাড়ল লিটারে ৩৯ পয়সা ও ডিজেলের দাম বাড়ল লিটারে ৪৪ পয়সা৷ শনিবার কলকাতায় পেট্রলের দাম হয়েছে ৮৩ টাকা ২৭ পয়সা এবং ডিজেলের দাম হয়েছে ৭৫ টাকা ৩৬ পয়সা৷ পাশাপাশি, দাম বেড়েছে সিএনজি গ্যাসের৷ প্রতি কিলোগ্রামে সাত টাকা করে বেড়েছে সিএনজি গ্যাসের দাম৷ ফলে উঠতে শুরু করেছে অটোভাড়া বাড়ানোর দাবি৷

রাজধানী নয়াদিল্লিতে শনিবার পেট্রলের মূল্য হয়েছে ৮০ টাকা ৩৮ পয়সা ও ডিজেলের মূল্য হয়েছে ৭২ টাকা ৫১ পয়সা৷ বাণিজ্যনগরী মুম্বইতে মাত্রাছাড়া জ্বালানির দাম৷ সেখানে পেট্রল ও ডিজেলের মূল্য যথাক্রমে ৮৭ টাকা ৭৭ পয়সা ও ৭৬ টাকা ৯৮ পয়সা৷ গত মাস থেকেই বাড়তে শুরু করেছে জ্বালানির দাম৷ এখনও পর্যন্ত কলকাতায় পেট্রলের দাম বেড়েছে কমবেশি তিন টাকা এবং ডিজেলের কমবেশি সাড়ে তিন টাকা৷ কেবল পেট্রল-ডিজেলই নয়, পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রান্নার গ্যাসের দাম৷ পাশাপাশি, ডলারের তুলনায় রেকর্ড পরিমাণ পতন হয়েছে টাকার মূল্যে৷ ফলে, পরিবার চালাতে কার্যত খাবি খেতে হচ্ছে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্তদের৷ তবে এই দুর্ভোগের হাত থেকে মুক্তি মিলবে সেই প্রশ্নই খুঁজছেন সাধারণ মানুষ৷

জ্বালানির এই দাম বৃদ্ধি নিয়ে ইতিমধ্যেই নিজেদের কাঁধ থেকে দায় ঝাড়তে শুরু করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার৷ তাঁদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারের অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবই পড়েছে দেশীয় বাজারে৷ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির জন্যই পেট্রল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধি বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় জ্বালানি মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান৷ যদিও সরকারের এই স্তুতিকে কোনওমতেই মানছেন না বিরোধীরা৷ ইতিমধ্যে এর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে লাগাতার আন্দোলনের ডাক দিয়েছে তারা৷ সোমবার, ১০ সেপ্টেম্বর ভারত বনধের ডাক কংগ্রেস ও বামেদের৷ এই জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি আসন্ন লোকসভার আগে কেন্দ্রের মোদি সরকারকে যথেষ্ট চাপে রাখবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল#

পার্সটুডে/বাবুল আখতার/৮

 

ট্যাগ

২০১৮-০৯-০৮ ১৭:৫৬ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য