শ্রোতাবন্ধুরা! আপনারা জানেন যে সম্প্রতি তেহরানে অনুষ্ঠিত হেলপ এজ ইন্টারন্যাশনালের-এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল কনফরেন্স ২০১৮-তে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক। তাঁর সাক্ষাৎকারের শেষপর্বে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, প্রবাসীদের সমস্যা ও শিশুশ্রম নিয়ে কথা বলেছেন রেডিও তেহরানের সাথে।

তিনি বলেছেন, মিয়ানমারে মানবাধিকার বলে কিছু আছে বলে তাঁর জানা নেই। আর আন্তর্জাতিকভাবে চাপ প্রয়োগ করা ছাড়া  সম্মানজনক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়।

প্রবাসীদের সমস্যা নিয়ে তিনি রেডিও তেহরানকে বলেন, সবক্ষেত্রে অ্যাকসেস না থাকায় আমরা তাদের সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে পুরোপুরি সফল হতে পারিনি। এছাড়া সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি এবং আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে নারী ও শিশু নির্যাতন রোধ কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে আনা সম্ভব হয়নি।

সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ ও উপস্থাপনা করেছেন গাজী আবদুর রশীদ।

রেডিও তেহরান: জনাব রিয়াজুল হক- রোহিঙ্গা বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য একটা বড় সংকট। রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আপনারা  ভাবছেন, কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন কী না?

কাজী রিয়াজুল হক:  দেখুন, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শুরুর দিকে আমরা কক্সবাজার ভিজিট করি। তখন রোহিঙ্গারা কেবল আসা শুরু করেছে। তখন ক্যাম্পও বানানো হয়নি। অনেকেই পথের মধ্যে, আবার কেউ কেউ আগে যেসব রোহিঙ্গারা এসেছিলেন তাঁদের ওখানে উঠেছিলেন। সে সময় আমরা তাদের সাথে কথা বলেছি। দুর্বিষহ এবং অবর্ণনীয় নির্যাতনের কথা তাঁরা তুলে ধরেছে। তাদের সেসব বিবরণ শুনে আমরা খুব আঘাত পেয়েছি। রোহিঙ্গাদের প্রতি যে আচরণ করেছে মিয়ানমার সরকার সেটাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে অভিহিত করে দেশটির সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছি। রোহিঙ্গা নির্যাতন বন্ধ করা উচিত বলেও মিয়ানমার সরকারকে আমরা জানিয়েছি।

রোহিঙ্গাদের পাশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

এই ঘটনার কয়েকদিনের মধ্যে সম্ভবত সেপ্টেম্বরের ১১ অথবা ১২ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণে কক্সবাজার ভিজিট করলেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় রোহিঙ্গারা মারাত্মক অসহায় অবস্থার মধ্যে ছিলেন। শেখ হাসিনা অসহায় রোহিঙ্গাদের বুকে জড়িয়ে ধরলেন। তাদেরকে সবরকম শান্তনা দিয়েছেন এবং আশার বাণী শুনিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আপনারা এখানে থাকবেন। আপনাদের জায়গা দেব; খাবার দেব-আপনাদের সব ব্যবস্থা আমরা করব। তখন তাদের মধ্যে একটু স্বস্তি আসে। কিন্তু যে নির্যাতন তাদের ওপর হয়েছে-যেমন ধরুন চোখের সামনে বাবা-মাকে হত্যা করা হয়েছে, চোখের সামনে নিজের ভাইকে হত্যা করা হয়েছে, পরিবারের মহিলাদের শ্লীলতাহানি ঘটানো হয়েছে, আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়েছে এসব অবস্থা থেকে কোনোভাবে কাটিয়ে ওঠা যায়না। এরপর যখন আমি সেখানে গেলাম তখন দেখলাম তাদের মধ্যে একটু স্বস্তি এসেছে কিন্তু যাদের ওপর অমানবিক অত্যাচার নির্যাতন হয়েছে সেকথা কি তারা ভুলতে পেরেছে!

তো ধারাবাহিকভাবে শুরু থেকে আমরা বলেছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে রোহিঙ্গাদের বিষয়ে ৫ দফা প্রস্তাব দিয়েছিলেন। আর সেই প্রস্তাবটি ছিল অত্যন্ত বাস্তবসম্মত। সেখানে বলা হয়েছিল এখনই রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর অত্যাচার নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। বাফার জোনে নিয়ে যেতে হবে। নির্মমভাবে অত্যাচারিত হয়ে যারা এসেছেন তাদেরকে আমরা মানবিক কারণে কিছু সময়ের জন্য জায়গা দিয়েছি এবং তাদেরকে যতদ্রুতসম্ভব আমাদের দেশ থেকে নিয়ে যেতে হবে।

আর এ বিষয়টি নিয়ে আমরা মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ফোরাম যেমন- গ্লোবাল ফোরাম, রিজিওনাল ফোরামেও আমরা এইকথাগুলো সবসময় বলে এসেছি রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফিরিয়ে নিতে হবে।

তবে মিয়ানমার এমন একটি জাতি তারা কোনো আইন শৃঙ্খলার মানে না। তাদের বিরুদ্ধে কে কোথায় কি বলল তাতে যেন ওদের কিছুই আসে যায় না। তারা কেবল তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থকেই অনেক বড় করে দেখে। আমরা বলি মানবাধিকার সবার ওপরে। আর মিয়ানমারে ঠিক তার বিপরীত। তারা কাউকে মানবাধিকারের কথা বলতেই দেয় না। সেখানে মানবাধিকার বলে কিছু আছে কিনা তা আমার জানা নেই। যদিও সেখানে একটি মানবাধিকার কমিশন আছে।

রেডিও তেহরান: জ্বি, রোহিঙ্গা বিষয়ে স্টেট কাউন্সেলর অং সান সুচির ভূমিকাকে আপনি কিভাবে দেখেন?

মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সুচি

কাজী রিয়াজুল হক: দেখুন, মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সুচির একটা পারিবারিক ঐতিহ্য আছে। মিয়ানমারের স্বাধীনতার জন্য তার বাবার অবদান আছে। সে নিজে দীর্ঘদিন সংগ্রাম করেছে; কারাভোগ করেছে। তবে এতকিছুর পরও রোহিঙ্গা নির্যাতনের ব্যাপারে অং সান সুচির নীরব ভূমিকা ও নিষ্ক্রিয়তা সেখানকার সামরিক জান্তাকে আরও বেশি উৎসাহিত করেছে। তার কাছ থেকে  সারাবিশ্ব এবং আমরা যেটা প্রত্যাশা করেছিলাম সেটা পাইনি। বরং তার কাছে থেকে যে আচরণ আমরা দেখেছি তাতে আমরা বিশ্ববাসী হতাশ হয়েছি। ফলে তার ওপর আমরা কোনোরকম আস্থা রাখতে পারছি না। আমার মনে হয় কেউই তার ওপর আস্থা রাখতে পারছে না।

রেডিও তেহরান: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। তো প্রত্যাবাসন সম্পর্কে আপনি কী মনে করছেন-এটা কী সম্ভব হবে?

কাজী রিয়াজুল হক: দেখুন রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে খোলাখুলি বলতে গেলে- বাংলাদেশের মানুষের ও সরকারের পক্ষ থেকে যত চেষ্টাই থাকুক না কেন মিয়ানমার সরকার যতদিন পর্যন্ত উদ্যোগী না হবে ততদিন পর্যন্ত প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়। তারা বিষয়টি নিয়ে খেলা খেলছে। যখন চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে তখন বলছে আমরা নিচ্ছি। একথা বলে তারা একটা আইওয়াশ করে। প্রকৃতপক্ষে তারা কাউকে ফেরত নিচ্ছে না।

আমি মনে করি মিয়ানমার সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক বিশ্ব প্রচণ্ডরকমের চাপ সৃষ্টি করত, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ উদ্যোগ নিত তাহলে তারা বাধ্য হতো। মিয়ানমার যে রোহিঙ্গাদের ওপর অপরাধ করেছে সে সেটি যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা।  ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে যদি তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা যায় এবং তাদের বিরুদ্ধে যদি অর্থনৈতিক অবরোধ দেয়া যায়; বিশ্বের দেশগুলো যদি মিয়ানমারের সাথে বাণিজ্য বন্ধ করে দেয় তাহলেই হয়তো তারা নত হবে।তাছাড়া আমার কাছে মনে হচ্ছে মিয়ানমার সরকার স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গাদের সেদেশে ফেরত নেবে। আর রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো বাংলাদেশের সরকার বা মানুষের পক্ষে এককভাবে সম্ভব না। আমরা যতই চাপ দেইনা কেন মিয়ানমার কেন আমাদেরকে কেয়ার করবে। আন্তর্জাতিক বিশ্ব যদি চাপ প্রয়োগ করে, আন্তর্জাতিক আদালতে যদি বিচার হয় তাহলে হয়তো মিয়ানমার সরকারের মধ্যে ভীতি আসবে। তারা নতি স্বীকার করবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত কিন্তু বলেছে মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে গণহত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

শ্রোতাবন্ধুরা! এখানে সর্বসাম্প্রতিক একটা তথ্য জানিয়ে রাখতে চাই সেটি হচ্ছে, গত অক্টোবরে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম দফায় দুই হাজারের বেশি রোহিঙ্গার মধ্যে দেড় শ'জনের রাখাইনে প্রত্যাবাসনের কথা ছিল। কিন্তু নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তাসহ ৫ দফা দাবিতে   ফিরে যেতে না চাইলে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়।

রেডিও তেহরান: জনাব কাজী রিয়াজুল হক,এবার প্রবাসী বিষয়ে জানতে চাইব-আপনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান হওয়ার আগে প্রবাসীদের নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তো চেয়ারম্যান হওয়ার পর প্রবাসীদের নানাধরনের সমস্যা ও সংকট নিয়ে কি কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন?

প্রবাসীদের সমস্যা

কাজী রিয়াজুল হক: দেখুন, প্রবাসীদের নানারকমের অসুবিধা দেখার জন্য আমাদের কমিটি আছে। আমরা প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের লোকজনকে ডাকি এবং প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা তাদের মাধ্যমে প্রবাসী মন্ত্রণালয়কে অবগত করি। আর প্রবাসীদের নানা সমস্যার ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কিছু উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। তবে সমস্যাটা হচ্ছে কিছু অসৎ ম্যানপাওয়ার এজেন্সি আছে তাদেরকে সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। ওইসব অসৎ ম্যানপাওয়ার এজেন্সিগুলো নানাভাবে মানুষকে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন দেশে নিয়ে যায়। আর মানুষও তো গরীব। তারা যখন মোটা অঙ্কের বেতন পাওয়ার কথা শোনে যেমন ধরুন ইরানে গেলে মাসে ৫০/৬০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা জমাতে পারব। তখন গরীব মানুষগুলো পাগল হয়ে যায়। বাড়ি-ঘর বিক্রি করে দিয়ে সরকারকে না বলে গোপনে বিভিন্ন দেশে যায়।

আবার দেখা যায় শিক্ষিত ছেলেরা মুখে কিছুই বলছে না অথচ তারা ইরানকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা মনে করে ইরান হয়ে ইতালি বা ইউরোপের যেকোনো দেশে যেতে পারলে অনেক টাকা আয় করা যাবে। মাসে ১লাখ/ দেড়লাখ বা দুই লাখ টাকা  আয় করা যাবে। আর এইসব মোহ তাদেরকে বিপদের মধ্যে ফেলে দেয়।

এজন্য আমরা সরকারকে বলেছি যে আমাদের দূতাবাসগুলোকে  সতর্ক রাখতে হবে। এখন দূতাবাসগুলো অনেক সতর্ক হয়েছে। যেভাবেই যাক না কেন বিভিন্ন দেশে গিয়ে যারা নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছে তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আর এ ব্যাপারে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি ফান্ড আছে সেখান থেকে কিছু কিছু সহায়তা দেয়া হচ্ছে। তবে সবক্ষেত্রে ঠিক সেভাবে অ্যাকসেস না থাকায় আমরা পুরোপুরি সফল হতে পারিনি। তবে সরকারকে প্রবাসীদের সংকট ও সমস্যা নিয়ে আমরা বলার পর কিছুটা সজাগ হয়েছে। এখন প্রবাসে কেউ মারা গেলে মোটামুটিভাবে সেই লাশ দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে  দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। তবে এই অবৈধভাবে বিভিন্ন দেশে যাওয়ার বিষয়টি আসলে মানুষের লোভ। নিরীহ গরীব মানুষেরা লোভে পড়ে অবৈধভাবে বিভিন্ন দেশে যায়। সরকার তাদেরকে পাঠায় না। এছাড়া সরকারি যেসব এজেন্সি আছে তাদেরও কারও কারও মধ্যে উদাসীনতা আছে বা সংশ্লিষ্টতা আছে। ফলে তারা অসৎ লোকগুলোকে ধরার উদ্যোগ নেয় না। সে ব্যাপারেও আমরার সরকারকে বলেছি সতর্ক থাকতে।

রেডিও তেহরান: জনাব, কাজী রিয়াজুল হক সবশেষে জানতে চাইব-আপনারা শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শিশুশ্রম বন্ধে একটি নীতিমালা করেছেন। তো সেই নীতিমালা সম্পর্কে যদি কিছু বলেন।

বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন

কাজী রিয়াজুল হক: দেখুন, বাংলাদেশ সব সময় খুব শিশুবান্ধব দেশ। আমাদের দেশে শিশু আইনটি হয় ১৯৭৪ সালে। সেখানে শিশুদের ক্ষমতার কথা পরিষ্কারভাবে বলা আছে সংবিধানের আর্টিকেল ২৮ এ। সেখানে নারী ও শিশুদের ক্ষমতায়নের কথা বলা হয়েছে স্পষ্টভাবে। ভায়োলেন্স থেকে তাদের রক্ষার বিষয়টিও স্পষ্ট করা আছে। আর সংবিধানের ওই আর্টিকেল অনুযায়ী ৭৪ সালে একটি আইন করা হয়। এরপর ১৯৮৯ সালে আন্তর্জাতিক শিশু সনদ করা হয়। সেক্ষেত্রে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম সারির একটি দেশ। আর তার ভিত্তিতে প্রশ্ন আসে আন্তর্জাতিক কনভেনশনের সাথে দেশের ভেতরের আইনকে সমন্বয় করা। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ সেটাও করেছে। শিশুদের ব্যাপারে সরকার অনেক বন্ধুসুলভ।

তারপরও বলব সামাজিক অস্থিরতা অনেক বেশি বেড়ে গেছে, মূল্যবোধের অনেক বেশি অবক্ষয় হয়েছে। নারী-ও শিশু নির্যাতনের বিচারগুলো দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। সঠিক অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করতে করা যাচ্ছে না। এসব অনেক কারণে আমাদের দেশে শিশুদের ওপর এখনও নির্যাতন হচ্ছে। যতই আইন করা হোক না কেন আইনের প্রয়োগ যথাযথভাবে না হলে এর সুফল তেমনভাবে পাওয়া যায় না। আমাদের অগ্রগতি হয়েছে সেকথা বলা যায় তবে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন করতে পারছি ততক্ষণ সেটা সম্ভব নয়।#

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১

 

 

ট্যাগ

২০১৮-১২-০১ ২১:১৪ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য