তেসরা জমাদিউস সানি মানবজাতির জন্য শীর্ষস্থানীয় আদর্শ ও বেহেশতি নারীকুলের সর্দার  হযরত ফাতিমা যাহরা  (সালামুল্লাহি আলাইহার)'র শাহাদাত-বার্ষিকী।  এই অনন্য ও অনন্ত শোকে বেদনাহত  সবাইকে জানাচ্ছি গভীর সমবেদনা এবং একইসঙ্গে বিশ্বনবী (সা) ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের শানে, বিশেষ করে খাতুনে জান্নাতের নুরানি সত্তার শানে পেশ করছি অশেষ দরুদ আর সালাম।

হযরত ফাতিমা যাহরা  ছিলেন মানবজাতির চিরন্তন গৌরব ও আদর্শ মানুষের প্রতীক তথা মানবতা ও মনুষ্যত্বের পূর্ণতার অন্যতম মডেল। এ ধরনের মানুষ পৃথিবীতে জন্ম না নিলে আদর্শের দিক থেকে মানবজাতির মধ্যে বিরাজ করতো ব্যাপক অপূর্ণতা এবং আদর্শিক শূণ্যতা। ফলে মানুষের হত না কাঙ্ক্ষিত উন্নতি। কিন্তু মহান আল্লাহর অশেষ প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি যে তিনি এমন কয়েকজন মানুষকে সৃষ্টি করেছেন যাঁরা মানুষের জন্য সব ধরনের পূর্ণতা ও উন্নতির আদর্শ। নবী-নন্দিনী খাতুনে জান্নাত হযরত ফাতিমা  যাহরা  সেইসব অসাধারণ মানুষেরই একজন। এ ধরনের মানুষের অকাল বিদায় বা বিয়োগ-বিধুর শাহাদত শোকের সাহারায় সৃষ্টি করে অনন্ত মাতম। শোকের এই অনন্ত মাতমে একদিকে যেমন তাঁদের প্রতি খোদাভীরু মানুষের শ্রদ্ধা ও গভীর ভালবাসা বিধৃত হয়, তেমনি শোককে শক্তিতে পরিণত করে ঐসব মহান ব্যক্তিত্বের আদর্শ এবং স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকারও সুদৃঢ় করা সম্ভব হয়।

 হযরত ফাতিমা  যাহরা  ছিলেন নারী ও পুরুষ তথা গোটা মানব জাতির জন্য অসাধারণ ত্যাগ, বিশ্বস্ততা, অন্যায়ের ব্যাপারে আপোসহীনতা, সততা, দানশীলতা, ধৈর্য, চারিত্রিক পবিত্রতা, আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্টিসহ অনেক মহান স্বর্গীয় গুণের আদর্শ। স্নেহময়ী জননীর মত বিশ্বনবীর সেবা-যত্ন করা এবং বিপদের সময় তাঁর সহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য মহীয়সী নারী ফাতিমা'র অন্য একটি উপাধি উম্মে আবিহা বা পিতার জননী। বিশ্বনবী (সাঃ) তাঁকে সর্বযুগের নারীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ বলে উল্লেখ করেছেন। আল্লাহর দরবারে তাঁর বিশেষ মর্যাদার কারণেই ফাতিমাকে দেখলে দাঁড়িয়ে সম্মান করতেন মহানবী (সা)। রাসুলে খোদা বলেছেন, 'ফাতিমা  আমার দেহের অংশ, যা কিছু তাঁকে সন্তুষ্ট করে তা আমাকে সন্তুষ্ট করে এবং যা কিছু আমাকে সন্তুষ্ট করে তা আল্লাহকেও সন্তুষ্ট করে, আর যা কিছু ফাতিমা কে কষ্ট দেয়, তা আমাকে কষ্ট দেয়, আর যা আমাকে কষ্ট দেয়, তা আল্লাহকেও কষ্ট দেয়।' হযরত ফাতিমা বেহেশতে সর্ব প্রথম প্রবেশ করবেন বলে বিশ্বনবী- উল্লেখ করেছেন।

অনেকেই মনে করেন প্রিয় কন্যা ফাতিমাকে নিজের দেহের অংশ বলে মহানবী (সা) এটাও বুঝিয়েছেন যে পিতার রিসালতের অন্যতম কাণ্ডারি ছিলেন ফাতিমা। এই মহিয়সী নারীর অনন্য ত্যাগ-তিতিক্ষা ও সেবা না থাকলে ইসলাম বিলুপ্ত হয়ে যেত।

রাসূলের পুত্র সন্তানরা মারা যাওয়ায় ইসলামের শত্রু কাফির-মুশরিক ও মুনাফিকরা তাঁকে নিয়ে ঠাট্টা করত। আস ইবনে ওয়ায়েল রাসূলকে ‘আবতার’ বা ‘লেজকাটা’ তথা নির্বংশ বলে গালি দিত। ফলে মনে মনে খুব কষ্ট পেতেন রাসূলুল্লাহ্ (সা.) । মহান আল্লাহ্ তাঁর এ কষ্ট দূর করার জন্য যে অমূল্য নেয়ামত তাঁকে দান করেন তিনিই হলেন হযরত ফাতিমা (সালামুল্লাহি আলাইহা) । এর প্রেক্ষিতেই পবিত্র কুরআনে সুরা কাওসার নাযিল হয়। মহান আল্লাহ সুরা কাওসারে বরকতময় এই জন্মের সুসংবাদ দেন এভাবে: আমরা তোমাকে কাওসার বা বরকতময় প্রস্রবন দান করেছি। তাই তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশে নামাজ আদায় কর ও কুরবানি দাও। নিশ্চয় তোমার শত্রুরাই হচ্ছে নির্বংশ।

আল্লামা ফখরুদ্দীন রাযী তাঁর তাফসীর গ্রন্থে বলেছেনহযরত ফাতিমার শানেই সুরা কাওসার নাযিল হয়েছে। তিনি এ প্রসঙ্গে আরও বলেনঅনেক অত্যাচার সত্ত্বেও হযরত ফাতিমার বংশধারা পৃথিবীতে টিকে আছেঅন্যদিকে বনি উমাইয়্যা ধ্বংস হয়ে গেছে। অবশ্য পরবর্তী যুগে বনি আব্বাসও রাসূলের পরিবারের ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালিয়েছিল। অবশেষে তারাও ধ্বংস হয়ে গেছে।

আবু জেহেলআবু সুফিয়ানরা চেয়েছিল রাসূল (সা.)কে হত্যা করতেআবু সুফিয়ানের সন্তান আমীরে মুআবিয়া চেয়েছিল হযরত আলীকে হত্যা করতে,তাঁর রাজত্বকালেই ইমাম হাসানকে বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়মুআবিয়ার ছেলে ইয়াযিদ কারবালায় নৃশংসভাবে ইমাম হুসাইনকে সপরিবারে শহীদ করে। পরবর্তীকালে একের পর এক রাসূলের আহলে বাইত তথা পবিত্র বংশধরদের বেশিরভাগকে হত্যা করা হয়। তারপরও যারা পুত্রসন্তান নিয়ে গর্ব বোধ করত তাদের কোন খবর আজ বিশ্ববাসী জানে নাঅথচ রাসূলের বংশধারা হযরত ফাতিমার মাধ্যমে কিয়ামত পর্যন্ত বজায় থাকবে। এ বংশধারাতেই শেষ জামানায় ইমাম মাহদী (আ.) আবির্ভূত হবেন এবং তিনি সারা বিশ্বে আল্লাহর ধর্মকে প্রতিষ্ঠিত করবেন।

হযরত ফাতিমার জন্ম হয়েছিল হিজরতের ৮ বছর আগে বিশে জমাদিউসসানি 

হযরত ফাতিমাকে কেউ কেউ কষ্ট দেবেন- এটা জানতেন বলেই বিশ্বনবী (সা) তাঁকে রাগানোর পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেনফাতিমা আমার অস্তিত্বের অংশ। যে তাঁকে রাগান্বিত করে সে আমাকে রাগান্বিত করে এবং ফাতিমা কোন ব্যাপারে ক্রুদ্ধ হলে আল্লাহ্ও ক্রুদ্ধ হন এবং ফাতিমার আনন্দে আল্লাহ্ও আনন্দিত হন।’

হযরত ফাতিমা  ছিলেন নারী ও পুরুষ তথা গোটা মানব জাতির জন্য অসাধারণ ত্যাগ,বিশ্বস্ততা,অন্যায়ের ব্যাপারে  ّআপোষহীনতা,সততা,দানশীলতাধৈর্য,চারিত্রিক পবিত্রতা,লজ্জাশীলতা  আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্টিসহ অনেক মহৎ গুণের আদর্শ আর এ জন্যেই তাঁর উপাধি ছিল আস-সিদ্দিক্বা বা সত্য-নিষ্ঠ,আল-মুবারাকাহ বা বরকতপ্রাপ্ত,আত-ত্বাহিরা বা পবিত্র,আল-মারজিয়া বা আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্টআজ জাকিয়া বা সতীমুহাদ্দিসাহ বা হাদিসের বর্ণনাকারী, সাইয়্যিদাতুন নিসায়িল আলামিন বা নারীকুলের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, খাতুনে জান্নাত বা বেহেশতি নারীদের নেত্রী, আজ যাহরা বা দ্যুতিময় ইত্যাদি আর পিতা মহানবীর প্রতি অশেষ ভালোবাসা ও সেবার কারণে তাকে বলা হত উম্মে আবিহা বা পিতার মাতা।

 হযরত ফাতিমা যখন নামাজের জন্য দাঁড়াতেন তখন তাঁর জ্যোতি আকাশের ফেরেশতা ও অন্যান্যদের দিকে ছড়িয়ে পড়ত। আর এ কারণে তাঁকে যাহরা উপাধি দেয়া হয়।

রাসুল (সা)র ওফাতের পর তাঁকে সান্ত্বনা দিতে আসতেন ওহির ফেরেশতা।  ওহির ফেরেশতা তাঁকে ভবিষ্যত বিষয়ে অনেক কিছু জানান। আর তার থেকে সেসব বিষয় লিখে রাখেন হযরত আলী (আ)। আর এ জন্যই ফাতিমাকে বলা হয় মুহাদ্দিসা।

হযরত ফাতিমা খুবই সাধারণ জীবন যাপন করতেন। সংসারের যাবতীয় কাজ তিনি নিজের হাতে করতেন। মশক দিয়ে পানি তুলতে তুলতে তাঁর শরীরে দাগ পড়ে গিয়েছিল। তিনি যাঁতার মাধ্যমে এত পরিমাণ আটা তৈরি করতেন যেতাঁর হাতে ফোস্কা পড়ে যেত। আর সেই আটা দিয়ে রুটি তৈরি করে সেগুলো মদীনার দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ করতেন। হযরত ফাতিমার কাপড়ের পোশাকে থাকতো তালি পার্থিব কোন বস্তুই তাঁকে আকৃষ্ট করতে পারত না। আর এজন্যই রাসূল (সা.) তাঁকে বাতুল উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।

হযরত ফাতিমা সারারাত জেগে নামায পড়তেন, মহান আল্লাহর যিকির করতেন এবং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর উম্মতের জন্য দো‘আ করতেন। তিনি এত বেশি নামায পড়তেন যে, তাঁর পা ফুলে যেত। সংসারের কাজ করার সময়ও তাঁর মুখে আল্লাহর যিকির থাকত।

রাসূলের স্ত্রী হযরত উম্মে সালামাহ্ বলেন : রাসূলের ওফাতের পর ফাতিমাকে দেখতে যাই এবং তাঁর অবস্থা জানতে চাই। তিনি জবাব দিলেন : অত্যন্ত দুঃখ-কষ্টে দিন অতিবাহিত হচ্ছে।

এ রকম কষ্টের মধ্য দিয়েই রাসূলুল্লাহ্ (সা.)-এর ওফাতের অল্প কিছুদিন পরই হযরত ফাতিমা এ পৃথিবী থেকে বিদায় নেন। রাসূলে খোদা ওফাতের আগে হযরত ফাতিমার কানে কানে বলে গিয়েছিলেন যেতিনিই তাঁর সাথে প্রথম মিলিত হবেন। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় রাসূলকে এও জানিয়েছিলেন যেকীভাবে হযরত ফাতিমা তাঁর সাথে এত  তাড়াতাড়ি মিলিত হবেন। আর সেজন্যই রাসূল (সা.) বারবার তাঁর উম্মতকে সতর্ক করছেন যে,তারা যেন হযরত ফাতিমাকে কষ্ট না দেয়, তাঁকে অসন্তুষ্ট না করে

হযরত ফাতিমা যাহরা  (সা. আ) পিতার শারীরিক বিদায়ের জন্যই কি খুব বেশি কাতর হয়ে পড়েছিলেন? না, বরং পিতার আদর্শ তথা ইসলামের শিক্ষা ম্লান ও বিকৃত হয়ে পড়ার নানা অশুভ লক্ষণও তাঁকে গভীরভাবে ব্যথিত করে তুলেছিল। রাসুলে খোদার কাছেই তিনি শুনেছিলেন তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের ওপর অনেক বিপদ ও মুসিবত তথা ইসলামের ওপরই অনেক দুর্যোগ নেমে আসবে। আর সেইসব বিপদ মুকাবিলার মত কঠিন ধৈর্যের খোদায়ী পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হয়েছিলেন সর্বকালের সেরা মহামানবী হযরত ফাতিমা যাহরা  ঠিক যেভাবে সিফফিন ও কারবালা প্রান্তরসহ যুগে যুগে নানা বিপদ, সংকট ও শত্রুতার মোকাবেলায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন বিশ্বনবী (সা)র পবিত্র আহলে বাইতের অন্যান্য সদস্য

কোনো কোনো ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী রাজনৈতিক কারণে হযরত ফাতিমাকে আহত করা হয়েছিল প্রভাবশালী মহলের পক্ষ হতে এবং পরবর্তীকালে এ আঘাতজনিত কারণেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন। তাঁর শাহাদাতের তারিখ তেসরা জমাদিউস সানি। অবশ্য কোনো কোনো বর্ণনামতে ১৩ই জমাদিউল আউয়াল ছিল নবী-নন্দিনীর শাহাদত বার্ষিকীকিন্তু এই মতটি তেমন প্রসিদ্ধ নয়।  

অনেকেই মনে করেন শত্রুতার প্রেক্ষাপটে হযরত ফাতিমাকে দাফন করা হয়েছিল মধ্যরাতে গোপনীয়ভাবে  অতি গোপন স্থানে যা আজো গোপন রয়েছে এবং কিয়ামত পর্যন্ত গোপন থাকবে। হযরত ফাতিমার ওসিয়ত অনুযায়ী গোপনীয়তা বজায় রাখতে তাঁর দাফনেও অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয় মাত্র কয়েকজন অতি ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিকে। মুসলমানদের মধ্য থেকে বিশ্বনবীর আহলে বাইতের অতি ঘনিষ্ঠ ওই কয়েকজন ব্যক্তি দাফনে অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেন

হযরত ফাতিমা জানতেন কখন তাঁর মৃত্যু হবে। আর এ জন্য তিনি নিজে গোসল করে নতুন ও পরিষ্কার পোশাক পরে কিবলামুখী হয়েছিলেন।

তিনি নিজের মৃত্যু কবে হবে এবং তাঁর দুই প্রিয় সন্তান হযরত হাসান ও হুসাইন কিভাবে মারা যাবেন সেইসব তথ্যসহ ভবিষ্যৎ ইতিহাসের অনেক খবর রাখতেন। হুসাইন (আ.)'র হত্যাকারীদের অভিশাপ দিয়ে গেছেন তিনি। মদিনার নারী সমাজ ধর্মীয় বিষয়সহ নানা বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করত হযরত ফাতিমার কাছ থেকে। ফাদাক সম্পর্কিত তাঁর ভাষণ এই মহামানবীর অতুল জ্ঞান, খোদাভীরুতা এবং দূরদর্শিতাকেই তুলে ধরে।

বিশ্বনবী (সা.) বলেছেন, মহান আল্লাহ আলী, তাঁর স্ত্রী ও তাঁদের সন্তানদেরকে মানুষের জন্য হুজ্জাত বা দলিল করেছেন এবং তাঁরা হল জ্ঞানের দরজা।

'মাসহাফই ফাতিমা' নামে খ্যাত গ্রন্থটির সমস্ত তথ্য সন্নিবেশিত হয়েছে জিবরাইল ফেরেশতার সঙ্গে হযরত ফাতিমা'র কথোপকথনের মাধ্যমে যা লিখে গেছেন হযরত আলী (আ.)।

হযরত ফাতিমা পিতার উম্মতের উদ্দেশে বলেছেন: আল্লাহ ঈমানকে তোমাদের জন্য শিরক হতে পবিত্র হওয়ার ও নামাজকে অহংকার থেকে পবিত্র হওয়ার এবং আমাদের আনুগত্যকে করেছেন ধর্মকে প্রতিষ্ঠিত করার মাধ্যম। এ ছাড়াও মহান আল্লাহ আমাদের নেতৃত্বকে করেছেন অনৈক্যের পথে বাধা। আর তিনি আমাদের সঙ্গে বন্ধুত্বকে করেছেন ইসলামের জন্য সম্মানের মাধ্যম।

বিশ্বনবী (সা.) ও তাঁর পবিত্র বংশধর ও বিশেষ করে হযরত ফাতিমার  প্রতি অশেষ দরুদ ও সালাম পাঠানোর পাশাপাশি সবাইকে আবারও শোক ও সমবেদনা জানাচ্ছি আজকের এই গভীর শোকের দিনে। হযরত ফাতিমা যাহরা র একটি বক্তব্য তুলে ধরে শেষ করবো আজকের এই আলোচনা। তিনি বলেছেন, নারীদের জন্য সর্বোত্তম বিষয় হচ্ছে, তারা যেন কোনো অচেনা পুরুষকে না দেখে এবং কোনো অচেনা পুরুষও তাদের না দেখে।   #

পার্সটুডে/এমএএইচ/১৯

 

 

 

 

 

ট্যাগ

২০১৮-০২-১৯ ২০:৩১ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য