ন্যায়বিচারের বসন্ত সমাগত। সামেরা থেকে বিশ্বের দিগ-দিগন্তে ছড়িয়ে পড়ছে ১৫ শাবানের অপূর্ব খুশবু। মাহদির আলোকিত অস্তিত্ব প্রাণে প্রাণে জাগিয়ে তুলছে আনন্দের মহাসমীরণ।  

১৫ ই শাবান হল মানবজাতির শেষ ত্রাণকর্তা হযরত ইমাম মাহদি (আ.)'র পবিত্র জন্মদিন। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)'র পবিত্র আহলে বাইতের ১১ তম সদস্য ইমাম হযরত ইমাম হাসান আসকারি (আ.)'র পুত্র হিসেবে তাঁর জন্ম হয়েছিল ২২৫ হিজরিতে ইরাকের বর্তমান রাজধানী বাগদাদের উত্তরে পবিত্র সামেরা শহরে। তাঁর মায়ের নাম ছিল নার্গিস। তিনি আল্লাহর আদেশে এক পর্যায়ে অদৃশ্য হয়ে যান। তাঁর অদৃশ্য থাকার সময়ও দুই ভাগে বিভক্ত। স্বল্পকালীন সময়ের জন্য অদৃশ্য হওয়া এবং দীর্ঘ-মেয়াদে অদৃশ্য থাকা। দীর্ঘ মেয়াদে অদৃশ্য থাকার পর উপযুক্ত সময়ে তিনি আবার আবির্ভূত হবেন এবং সব ধরনের জুলুম ও বৈষম্যের অবসান ঘাটিয়ে বিশ্বব্যাপী ন্যায়বিচার ও ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা করবেন।

 

১৫ ই  শাবান সবচেয়ে মহিমান্বিত রাতগুলোর মধ্যে অন্যতম। ভারত উপমহাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই দিনে নানা ধরনের মিষ্টি বিতরণ ও ব্যাপক ইবাদত বন্দেগী করা হয়। এই রাতের ইবাদত-বন্দেগী কবুল হয় এবং মুসলমানের সব গোনাহ মাফ করিয়ে নেয়ার এক উপযুক্ত সুযোগ দেয়া হয় এই রাতে। অনেকেই মনে করেন শবে ক্বদরের চেয়েও কোনো অংশে কম নয় এই রাতের গুরুত্ব। পবিত্র শবে বরাত বা ১৫ ই শাবান উপলক্ষে সবাইকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা । 

মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনের সুরা কাসাসের পঞ্চম আয়াতে বলেছেন: 
 "এবং আমি ইচ্ছা করলাম যে, যাদের পৃথিবীতে দুর্বল করে রাখা হয়েছিল , তাদের প্রতি অনুগ্রহ করতে, তাদের নেতৃত্ব দান করতে এবং তাদেরকে পৃথিবীর শাসন-ক্ষমতার উত্তরাধিকারী করতে।" 

এই আয়াত অনুযায়ী এমন এক যুগ আসবে যখন বিশ্বব্যাপী ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। আর ওই ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিদেরই নেতা হবেন হযরত ইমাম মাহদি (আ.)। তিনি পুন-প্রতিষ্ঠা করবেন মানুষের প্রকৃত মর্যাদা।
শিয়া ও সুন্নি সূত্রগুলোতে প্রসিদ্ধ  এক বর্ণনা অনুযায়ী ইমাম মাহদি (আ.)'র যুগে মানবজাতি অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কল্যাণ অর্জন করবে। 

মহানবী (সা.) বলেছেন : “মাহদির যুগে আমার উম্মত এমন নেয়ামত পাবে যে, তারা আগে কখনও তা পায় নি।"  ইমাম মাহদি (আ.)-এর যুগে মানব সমাজ প্রথমে দারিদ্রমুক্ত ও অভাব-মুক্ত একটি সমাজে পরিণত হবে। ''পৃথিবীর সমস্ত বিধ্বস্ত ও বিরান এলাকা তাঁর মাধ্যমে আবাদ হয়ে যাবে।”  

 

ইমাম মাহদি (আ.)-এর যুগে জ্ঞান-বিজ্ঞানের এতো উন্নতি ঘটবে যে সে সময় মানুষ এক ছায়াপথের গ্রহ থেকে ভিন্ন ছায়াপথে ভ্রমণ করবে। ইমাম সাদিক (আ.) বলেছেন : “জ্ঞান সাতাশটি অক্ষর (শাখা-প্রশাখা) সমতুল্য। সব নবী-রাসূল সম্মিলিতভাবে যা এনেছেন তা আসলে জ্ঞানের দু’টি অক্ষরস্বরূপ। আর যখন মাহদি আবির্ভূত হবে ও কিয়াম করবে তখন সে জ্ঞানের অবশিষ্ট পঁচিশটি অক্ষর বের করে তা মানব জাতির মধ্যে প্রচার করবে; ”  ইমাম সাদিক (আ.)  আরও  বলেছেন :

“আল কায়েমের যুগে তথা মাহদির যুগে প্রাচ্যে বসবাসরত মুমিন ব্যক্তি পাশ্চাত্যে অবস্থানকারী নিজ ভাইকে দেখতে পাবে এবং যে ব্যক্তি পাশ্চাত্যে আছে সেও প্রাচ্যে বসবাসরত তার ভাইকে দেখতে পাবে।” 

 ইমাম মাহদি (আ.)-এর হুকুমত সমগ্র বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হবে। যার ফলে এমন কোন জনপদ থাকবে না যেখানে মহান আল্লাহর একত্ব এবং মহানবী (সা.)-এর রিসালাতের সাক্ষ্য দেয়া হবে না। 

ইবনে আরাবী, শারানী এবং অন্যান্য ব্যক্তির মত কতিপয় সুন্নি আলেমও বিশ্বাস করেন যে ইমাম মুহম্মদ ইবনে হাসান আল-আসকারীই হলেন হযরত মাহদি (আ.) । তারা তাঁর নাম ও নসব বা বংশ পরিচিতি স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন এবং তাঁকে তারা জীবিত ও গায়েব বলে বিশ্বাস করেন। 

 

হাদিস অনুযায়ী আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পরপরই পবিত্র মক্কা নগরী থেকে হযরত ইমাম মাহদি (আ.)-এর আবির্ভাবের বিপ্লব ও আন্দোলন শুরু হবে।  এ সময় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে রোমানদের তথা পাশ্চাত্যের সাথে তুর্কী- জাতি ও তাদের সমর্থকদের (রুশ?) একটি ভয়ঙ্কর যুদ্ধ সংঘটিত হবে- যা বিশ্বযুদ্ধে রূপান্তরিত হবে। কিন্তু আঞ্চলিক পর্যায়ে ইমাম মাহদি (আ.)-এর সমর্থক দু’টি সরকার ও প্রশাসন ইরান ও ইয়েমেনে প্রতিষ্ঠিত হবে। মাহদি (আ.)-এর ইরানী সঙ্গী-সাথীরা তাঁর আবির্ভাবের বেশ কিছুকাল আগে নিজেদের একটি সরকার গঠন করে একটি দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বেন। অবশেষে তারা ঐ যুদ্ধে জয়ী হবেন।

ইমাম মাহদি (আ.)-এর আবির্ভাবের সবচেয়ে বড় নিদর্শন হচ্ছে আসমানি আহ্বান বা ধ্বনি যা তাঁর নামে ২৩ রমযানে শোনা যাবে।

এ সব বর্ণনা অনুযায়ী ওই আসমানি আহ্বান শোনা যাওয়ার পরই ইমাম মাহদি (আ.) গোপনে তাঁর কতিপয় সঙ্গী ও সমর্থকের সাথে যোগাযোগ করবেন। তখন তাঁর ব্যাপারে সারা বিশ্বে আলোচনা হতে থাকবে এবং তাঁর নাম সবার মুখে মুখে উচ্চারিত হবে। তাঁর প্রতি ভালোবাসা সবার হৃদয়ে আসন লাভ করবে।

কিন্তু মাহদির দুশমনরা তাঁর আবির্ভাবের ব্যাপারে খুব ভীত হয়ে পড়বে এবং এ কারণে তারা তাঁকে গ্রেফতারের চেষ্টা করবে। জনগণের মাঝে ছড়িয়ে যাবে যে, তিনি মদিনায় অবস্থান করছেন। 

বিদেশী সামরিক বাহিনী অথবা হিজায সরকার সে দেশের অভ্যন্তরীণ অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সরকারের সাথে গোত্রগুলোর দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিরসনের জন্য সিরিয়াস্থ সুফিয়ানি সেনাবাহিনীর সাহায্য চাইবে। উল্লেখ্য সন্ত্রাসী সুফিয়ানি বাহিনীর প্রধান হবে আবু সুফিয়ান ও মুয়াবিয়ার বংশধর।  

দশই মুহররম আশুরার দিন ভোরে ইমাম মাহদি(আ.) সমগ্র বিশ্ববাসীর উদ্দেশে বিভিন্ন ভাষায় তাঁর বাণী প্রদান করে বিশ্বের জাতিগুলোকে আহ্বান জানাবেন যাতে করে তারা তাঁকে সাহায্য করে। তিনি বলবেন, যে  অলৌকিক ঘটনার ওয়াদা তাঁর প্রপিতামহ হযরত মুহাম্মদ (সা.) দিয়েছিলেন তা ঘটা পর্যন্ত তিনি পবিত্র মক্কায় থাকবেন। আর উক্ত অলৌকিক ঘটনা হবে ইমাম মাহদি (আ.)-এর আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে পবিত্র মক্কার দিকে অগ্রসরমান সুফিয়ানির পাঠানো বাহিনীর ভূ-গর্ভে প্রোথিত হওয়া। এ ঘোষণার অল্প কিছুক্ষণ পরই মক্কাগামী সুফিয়ানী বাহিনী ধ্বংস হয়ে যাবে।

এরপর ইমাম মাহদি (আ.) ১০ হাজারের-ও বেশি সেনা নিয়ে মক্কা থেকে মদিনা অভিমুখে রওনা হবেন এবং শত্রু বাহিনীর সাথে যুদ্ধের পর সেখানে অবস্থান গ্রহণ এবং মদিনা শত্রুমুক্ত করবেন। এরপর তিনি মক্কা ও মদিনা মুক্ত করার মাধ্যমে হিজায এবং সমগ্র আরব উপদ্বীপের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবেন। 

 

ইমাম মাহদি (আ.) হিজায বিজয়ের পর দক্ষিণ ইরান অভিমুখে রওনা হবেন এবং সেখানে খোরাসানী ও শুআইব ইবনে সালেহ'র নেতৃত্বাধীন ইরানী সেনাবাহিনী ও সেদেশের জনগণের সঙ্গে মিলিত হবেন। তারা তাঁর আনুগত্যের শপথ নেবেন। তিনি তাদের সহায়তায় বসরায় শত্রুবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এক সুস্পষ্ট ও বিরাট বিজয় লাভ করবেন।

এরপর ইমাম মাহদি (আ.)  ইরাকে যাবেন এবং সেখানকার পরিবেশ পরিস্থিতি উন্নত করবেন।  তিনি সেদেশে সুফিয়ানী বাহিনীর বাদবাকি সেনা এবং অন্যান্য দলের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে তাদেরকে পরাজিত ও হত্যা করবেন।

এরপর তিনি ইরাককে তাঁর প্রশাসনের কেন্দ্র এবং কুফা নগরীকে রাজধানী হিসাবে মনোনীত করবেন। আর এভাবে ইয়েমেন, হিজায, ইরাক এবং পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো পুরোপুরি তাঁর শাসনাধীনে চলে আসবে।

ইমাম মাহদি (আ.) সেনাদল গড়ার পর তাঁর বিশাল সেনাবাহিনীকে কুদসে  তথা জেরুজালেমে পাঠাবেন। 

সুফিয়ানি ও তার মিত্র শক্তিগুলোর সেনাবাহিনী মোতায়েন করার পর ইমাম মাহদি (আ.) ও তাঁর সেনাবাহিনীর  সঙ্গে তারা বড় ধরনের যুদ্ধ করবে। এ সময় সুফিয়ানী, ইহুদী ও রোমান সেনাবাহিনী মহান আল্লাহর ক্রোধে পতিত হবে এবং তারা মুসলমানদের হাতে এমনভাবে নিহত হতে থাকবে যে, তাদের মধ্য থেকে কোন ব্যক্তি যদি কোন পাথর-খণ্ডের পেছনেও লুকায় তখন ঐ পাথর চিৎকার করে বলবে : “হে মুসলমান! এখানে একজন ইহুদী লুকিয়ে আছে। তাকে হত্যা করো।”
এ সময় মহান আল্লাহর সাহায্য ইমাম মাহদি (আ.) ও মুসলমানদের কাছে আসবে এবং তাঁরা বিজয়ী বেশে আল কুদসে প্রবেশ করবেন।

খ্রিস্টান পাশ্চাত্য আকস্মিকভাবে ইমাম মাহদি (আ.)-এর হাতে ইহুদী ও তাদের পৃষ্ঠপোষক শক্তিগুলোর পরাজয় বরণের কথা জানতে পারবে। ফলে তাদের ক্রোধের আগুন জ্বলে উঠবে এবং তারা ইমাম মাহদির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করবে।
কিন্তু আকস্মিকভাবে হযরত ঈসা (আ.) আকাশ থেকে পবিত্র কুদস তথা জেরুজালেমে অবস্থিত মুসলমানদের প্রথম কিবলার মসজিদে অবতরণ করবেন এবং তিনি সমগ্র বিশ্ববাসী, বিশেষ করে খ্রিস্টানদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন। 

হযরত ঈসা মসিহ (আ.)-এর অবতরণ হবে বিশ্ববাসীর জন্য নিদর্শন এবং মুসলমান ও খ্রিস্টানদের জন্য আনন্দের কারণ।

সম্ভবত হযরত ঈসা (আ.), ইমাম মাহদি ও পাশ্চাত্যের মাঝে মধ্যস্থতা করবেন এবং এ কারণে দু’পক্ষের মধ্যে সাত বছর মেয়াদী একটি সন্ধিচুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।
কিন্তু পাশ্চাত্য দু’বছর পরে সন্ধিচুক্তি ভঙ্গ করবে। সম্ভবত ঈসা (আ.)'র মাধ্যমে পাশ্চাত্যের জাতিগুলোর মাঝে গণজাগরণ ও সংহতির জোয়ার সৃষ্টির ফলেই তারা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে এ চুক্তি ভঙ্গ করবে। পশ্চিমাদের অনেকেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং ইমাম মাহদি (আ.)- কে সাহায্য ও সমর্থন করবে।

এ কারণেই রোমানরা দশ লাখ সেনা নিয়ে সিরিয়া ও ফিলিস্তিনে হঠাৎ হামলা চালাবে। হাদিসে এসেছে :  

 

“তখন পাশ্চাত্য তোমাদের সাথে চুক্তি ভঙ্গ করে ৮০টি সেনাদল নিয়ে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। তাদের প্রত্যেক সেনাদলে ১২ হাজার সেনা থাকবে। অর্থাৎ তাদের মোট সেনা সংখ্যা হবে নয় লাখ ৬০ হাজার”। আর মুসলিম বাহিনী তাদের মোকাবিলা করবে। হযরত ঈসা (আ.) ইমাম মাহদি (আ.)-এর নীতির আলোকেই তাঁর নীতি ঘোষণা করবেন এবং তিনি ইমাম মাহদির পেছনে বায়তুল মুকাদ্দাসে নামায আদায় করবেন।

এ মহাযুদ্ধে রোমানরা শোচনীয়ভাবে  হেরে যাবে এবং ইমাম মাহদির সামনে খ্রিস্টান ইউরোপ ও পাশ্চাত্য বিজয়ের পথ খুলে যাবে। আর অনেক জাতি বিপ্লবের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে ইমাম মাহদি ও হযরত ঈসা (আ.)-এর বিরোধী সরকারগুলোর পতন ঘটাবে এবং ইমাম মাহদির সমর্থক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করবে। 

ইমাম মাহদি (আ.)'র হাতে সমগ্র পাশ্চাত্য বিজয় এবং তা তাঁর শাসনাধীনে চলে আসার পর বেশিরভাগ পশ্চিমারা ইসলাম গ্রহণ করবে। এ সময় হযরত ঈসা (আ.) ইন্তেকাল করবেন। মাহদি (আ.) ও মুসলমানরা তাঁর জানাযার নামায পড়বেন। 
আরও বর্ণিত হয়েছে যে, ইরান থেকে ইমাম মাহদি (আ.)-এর আবির্ভাবের সূত্রপাত হবে। হাদিসে এসেছে:  “কোম থেকে এক ব্যক্তি উত্থিত হবে এবং জনগণকে (ইরানী জাতি) সত্যের দিকে আহ্বান করবে। যে দলটি তার চারপাশে জড়ো হবে তাদের হৃদয় ইস্পাত-কঠিন দৃঢ় হবে। তারা এতটা অক্লান্ত ও অকুতোভয় হবে যে, যুদ্ধের প্রচণ্ড চাপও তাদের ভীত-সন্ত্রস্ত করবে না; তারা যুদ্ধে ক্লান্ত হবে না। তারা সব সময় মহান আল্লাহর ওপর নির্ভর করবে।” 

মহান আল্লাহ হযরত ইমাম মাহদি (আ.)'র আবির্ভাব ত্বরান্বিত করুন এবং আমাদেরকে তাঁর অনুসারী হওয়ার যোগ্যতা দান করুন। সবাইকে আরও একবার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শেষ করছি আজকের এই বিশেষ আলোচনা। #

পার্সটুডে/এমএএইচ/০১

ট্যাগ

২০১৮-০৫-০১ ২০:৪৬ বাংলাদেশ সময়
মন্তব্য