পলাশীত্তোর ব্রিটিশ শাসন ও শোষণে বাংলার ক্ষয়ক্ষতি এবং ক্ষতিপূরণের পন্থা

পলাশীত্তোর ব্রিটিশ শাসন ও শোষণে বাংলার ক্ষয়ক্ষতি এবং ক্ষতিপূরণের পন্থা

পলাশী দিবস ( ২৩ জুন ) বাংলাদেশ তথা ভারতবর্ষের জন্য এক বেদনাদায়ক অধ্যায়ের সূচনা। বাংলার স্বাধীনতা অস্তমিত হয় সেদিন ( ২৩ জুন ১৭৫৭ সাল ) এবং শুরু হয় ব্রিটিশ বেনিয়াদের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণের এক বেদনাদায়ক কালো যুগ যা ১৯০ বছর ( ১৭৫৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল ) স্থায়ী হয় ।

‘বৃহত্তর বাংলায় ব্রিটিশ শাসকদের গণহত্যা বা বৃহ্ত্তর হলোকাস্ট’

‘বৃহত্তর বাংলায় ব্রিটিশ শাসকদের গণহত্যা বা বৃহ্ত্তর হলোকাস্ট’

পৃথিবীর ইতিহাস সত্য ও মিথ্যার দ্বন্দ্বের ইতিহাস। সত্য ইতিহাস হচ্ছে সভ্যতার প্রকৃত দর্পণ। আর প্রকৃত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়া ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি ও অগ্রগতির সোপানগুলো অতিক্রম করতে পারে না। কিন্তু জালিম ও আধিপত্যকামী শক্তিগুলো যুগে যুগে ইতিহাসকে তাদের স্বার্থে করেছে বিকৃত।

ইসলামের অনন্য মহামানব ইমাম রেজা (আ.)

ইসলামের অনন্য মহামানব ইমাম রেজা (আ.)

১১ জিলকাদ ইসলামের ইতিহাসের অত্যন্ত স্মরণীয়-বরণীয় মহাআনন্দের দিন। ১৪৮ হিজরির এই দিনে মদিনায় ইমাম মুসা ইবনে জাফর সাদিক (আ.)'র ঘর আলোকিত করে ভূমিষ্ট হন মহানবীর (সা) আহলে বাইতের অন্যতম সদস্য ইমাম রেজা (আ.)।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সূচনায় ১৫ খোরদদের গণজাগরণ

ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সূচনায় ১৫ খোরদদের গণজাগরণ

ফার্সি ১৫ খোরদাদ। ১৯৬৩ সালের এই দিনে ইরানে স্বৈরাচারী শাহ সরকারের বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়েছিলো ঐতিহাসিক ১৫ খোরদাদ গণজাগরণ। কোন্ প্রেক্ষাপটে কেন ঘটেছিল এ গণজাগরণ? এতে ‌ইমাম খোমেনী (রহ.)'র নেতৃত্বের ভূমিকা কেমন ছিল?