সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২ ২০:৫৫ Asia/Dhaka
  • মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং দলীয় কর্মসূচিতে গুলি করে নেতা-কর্মীদের হত্যার প্রতিবাদে এবার বিভাগীয় পর্যায়ে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছ বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি।

আজ বুধবার দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিভাগীয় সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে  জানান, ২৬ সেপ্টেম্বর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভায় নতুন এ কর্মসূচীর সিদ্ধান্ত হয়।

সমাবেশ কর্মসূচির মধ্যে আগামী ৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম মহানগরে, ১৫ অক্টোবর ময়মনসিংহে, ২২ অক্টোবর খুলনায়, ২৯ অক্টোবর রংপুরে, ৫ নভেম্বর বরিশালে, ১২ নভেম্বর ফরিদপুরে, ১৯ নভেম্বর সিলেটে, ২৬ নভেম্বর কুমিল্লায়, ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে এবং ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করেছেন, ঢাকার সমাবেশগুলোয় জনসম্পৃক্ততা অনেক বেড়েছে। আমরা জনগণকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করতে চাই। প্রচণ্ড গণ-আন্দোলন সৃষ্টি করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীন নির্বাচনের দাবিতে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাই।’

সমাবেশ কর্মসূচিগুলোয় সরকারদলীয় নেতা-কর্মীদের হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আক্রমণ তো হচ্ছে। আক্রমণ করতে চাইলে তারা করবে, জনগণই এটা প্রতিহত করবে।

তিনি জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণে দলের ঘোষিত ১৬টির মধ্যে ১৪টি সমাবেশ করেছে বিএনপি। মিরপুরের পল্লবীর সমাবেশ সংঘর্ষের কারণে পণ্ড হয় এবং লালবাগের সমাবেশ স্থগিত করা হয়। এর আগে ২২ আগস্ট থেকে থানা, উপজেলা, পৌর এলাকা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করে বিএনপি। লোডশেডিং ও জ্বালানি খাতে অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ও অন্যান্য সব মহানগরে ২৯ ও ৩০ জুলাই এবং সব জেলা পর্যায়ে ৩১ জুলাই বিক্ষোভ সমাবেশ করে বিএনপি।

১ সেপ্টেম্বর বিএনপি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করে। এসব কর্মসূচি করতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সংঘর্ষে সারা দেশে বিএনপির পাঁচ নেতাকর্মী নিহত হয়। #

পার্সটুডে/আব্দুর রহমান খান/রেজওয়ান হোসেন/২৮

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

ট্যাগ