অক্টোবর ০৭, ২০২২ ১৯:০০ Asia/Dhaka
  • সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
    সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (শুক্রবার) দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগই ভীত হয়ে আছে সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে। সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দিলে তাদের ভরাডুবি হবে জেনেই তারা চায় যাতে বিএনপি আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে। কিন্তু সেই অপচেষ্টা জনগণ মানবে না। সময় হলেই বিএনপি তার মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে বর্তমান সরকারের পতনের একদফা আন্দোলনে নামবে।

বিরোধী নেতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের পুলিশি তৎপরতা সংবিধানপরিপন্থী মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, সারাদেশে বিরোধীদলের নেতা এবং সহযোগীদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহের জন্য পুলিশের হেড কোয়ার্টার বেতার বার্তায় নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় পুলিশকে, যা নিয়ে বিএনপি উদ্বিগ্ন। এটা সংবিধানপরিপন্থি। রাজনৈতিক হীনউদ্দেশ্যে এটা করা হয়েছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমানোর জন্য এটা করা হয়েছে। যেসব অতিউৎসাহী কর্মকর্তা এ ধরনের অবৈধ হীনকাজে জড়িত দেশের মানুষ তাদের চিহ্নিত করে রাখবে।

ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ হেডকোয়াটার্সের বরাত দিয়ে রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার গত ২৫ সেপ্টেম্বর জেলার সব থানার ওসিকে বিএনপিসহ অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের আটজন শীর্ষ ব্যক্তি, প্রতি উপজেলার শীর্ষ পাঁচ ব্যক্তি এবং সব পৌরসভা ও ইউনিয়নের কমপক্ষে পাঁচজন ব্যক্তি যারা বর্তমান সরকারবিরোধী চলমান গণআন্দোলনে জনবল সংগঠক বা অর্থায়ন করেন কিংবা অন্যকোনোভাবে সহযোগিতা করেন- এমন ব্যক্তিদের বিস্তারিত তথ্য যেমন ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ও এনআইডি সংগ্রহ করে তার কাছে প্রথমে ইমেইলযোগে এবং পরে হার্ডকপি পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশের বিশেষ শাখার নির্দেশনা অনুযায়ীই এই বার্তা পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গতকাল বিকালে নয়াপল্টনে এক শোক র‍্যালিতে অংশ নিয়ে বিএনপি’র মহাসচিব বলেন, এই সরকার দেশকে একটা কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। দেশের মানুষ যেন সত্য ও সঠিক  তথ্য জানতে না পারে, গণমাধ্যম যাতে সরকারের দুর্নীতির তথ্য প্রচার করতে না পারে এ জন্য ২৯টি দপ্তরের তথ্য গোপন করার ব্যবস্থা করেছে। ফলে তাদের কাছ থেকে কোনো তথ্য নেয়া যাবে না, তারা কাউকে কোনো তথ্য দেবে না। সরকারের দুর্নীতি গোপন রাখতে, স্বেচ্ছাচারিতা ঢেকে রাখার জন্য এই সার্কুলার জারি করেছে তারা। নিজের স্বেচ্ছাচারিতা ঢেকে রাখার জন্য সরকার আজকে সমগ্র জাতিকে সঠিক খবর থেকে বঞ্চিত করে রাখতে চায়। তাই সরকারকে ক্ষমতায় টিকে থাকতে আর কোনো সময় দেয়া যায় না।#

পার্সটুডে/আব্দুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

ট্যাগ