ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২০ ১৮:০০ Asia/Dhaka
  • হুইল চেয়ারে খালেদা জিয়া
    হুইল চেয়ারে খালেদা জিয়া

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে আইনি লড়াই ও নানাবিধ গণতান্ত্রিক আন্দোলন করেও মিলছে না বেগম জিয়ার মুক্তি।

এ অবস্থায় বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে চেষ্টা চালাচ্ছে পরিবার। এরইমধ্যে পরিবারের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বরাবর আবেদন করা হয়েছে যেন মেডিকেল বোর্ড বেগম জিয়ার জন্য বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুপারিশ করে।  

গত মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলামসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বেগম জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করে মানবিক কারণে যেন তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম

এদিকে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পরিবারের পক্ষ থেকে প্যারোলে মুক্তির আবেদনের প্রসঙ্গে তিনি কিছু জানেন না।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, আমরা তার মুক্তির জন্য আইনের সবগুলো বিষয় চেষ্টা করেছি। এখনো করে যাচ্ছি আইনগতভাবে।

ওদিকে, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ মিছিলের অংশ হিসেবে শনিবার বেলা ২টায় রাজধানীর নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল হবে। সেখান থেকে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গিয়ে মিছিলটি শেষ হবে। 

এর আগে বিএনপি’র গণঅনশন কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা  আ স ম আবদুর রব বলেছেন, জনগণ ব্যাপকভাবে রাজপথে নামলেই বেগম জিয়ার মুক্তি হবে।

তবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ প্রসঙ্গে আগেই বলেছেন, বিএনপি বেগম জিয়ার শারীরিক অসুস্থতাকে পুঁজি করে রাজনৈতিকভাবে ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। 

ওবায়দুল কাদের

উল্লেখ্য, দু’টি দুর্নীতির মামলায় ১৭ বছরের সাজা পেয়ে দুই বছর ধরে কারা

বন্দি রয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া। অসুস্থতার কারণে গত বছর এপ্রিল তাকে বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।  

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বর্তমানে ৩৭টি মামলা বহাল রয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টিতে জামিনে রয়েছেন তিনি। দুটি মামলায় তার ১৭ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। আর এই দুটি মামলাতেই তার জামিন নেই। সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা বলেছেন, ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১(১) ধারা অনুযায়ী সরকার চাইলে যেকারও দণ্ড স্থগিত করে তাকে মুক্তি দিতে পারে। খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে এ ধারা প্রয়োগ হয় কিনা অথবা তাকে প্যারোল দেয়া হবে কি না তা সরকারের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে। #

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

 

ট্যাগ

মন্তব্য