ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২০ ১৫:৩৬ Asia/Dhaka
  • ওবায়দুল কাদের ও মির্জা ফখরুল ইসলাম
    ওবায়দুল কাদের ও মির্জা ফখরুল ইসলাম

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, 'বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমাকে ফোন করে খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির ব্যাপারে আলোচনা করেছেন। তিনি আমাকে অনুরোধ করেছেন, আমি যেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খালেদা জিয়ার প্যারোলের বিষয়টি বলি।’ তবে তাঁর প্যারোলে মুক্তির ব্যাপারে কোনো আবেদন সরকার পায় নি বলে কাদের জানান।

আজ (শুক্রবার) রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের জানান, ‘খালেদা জিয়ার প্যারোলের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে কোনো আবেদন এসেছে বলে আমাদের কিছু জানা নেই। তারা (বিএনপি) শুধু মুখে মুখেই মুক্তির কথা বলছেন, কিন্তু লিখিত কোনো আবেদন করেননি।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সরকার তার প্রতি অমানবিক আচরণ করতে পারে না। তার চিকিৎসার ব্যাপারটি সরকারের সুনজরে আছে।’

তিনি বলেন, ‘একটা বিষয় হচ্ছে, তার (খালেদা জিয়া) শারীরিক অবস্থার বিষয়টা তার দলের লোকেরা যেভাবে বলে, চিকিৎসকরা কিন্তু সেভাবে বলছে না। চিকিৎসকরা তাদের নিজস্ব রিপোর্ট দেবে, না দলের লোকদের কথায় রিপোর্ট দেবে?’

হুইল চেয়ারে খালেদা জিয়া

আজকের দিনে পহেলা ফাল্গুন ও ভ্যালেন্টাইন'স ডে উপলক্ষে ইতিবাচক রাজনীতি ও সুন্দর পরিবেশ তৈরির জন্য সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

এর আগে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি আইনের নয়। তাকে বেআইনভাবে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আটক রাখা হয়েছে। সিদ্ধান্তটা রাজনৈতিক। এই সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, বেগম খালেদা জিয়াকে আটক রাখবে নাকি সুষ্ঠু পরিবেশ ও গণতন্ত্রের জন্য মুক্তি দেবে।

মির্জ ফখরুল আরও বলেছেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য নিয়মতান্ত্রিকভাবে সব পদ্ধতিতেই চেষ্টা চলছে। এখন জনগণকে সঙ্গে নিয়েই দেশনেত্রীকে মুক্ত করার চেষ্টা করব আমরা। খালেদা জিয়াকে যে মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে, তাতে যে কারও জামিন পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। কিন্তু তা থেকে তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের বেআইনি কাজ ও অগণতান্ত্রিক রাজনীতিকে ধ্বংস করে দেওয়ার কৌশল নস্যাৎ করে দিতে জনগণকে সামনে এগিয়ে আসতে হবে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এরইমধ্যে তার কারাজীবনের ২ বছর কেটে গেছে।

কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়ায় গত বছরের ১ এপ্রিল বিএনপি চেয়ারপারসনকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ভর্তি করা হয়। ওই হাসপাতালে এখন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৪

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

ট্যাগ

মন্তব্য