মে ২৩, ২০২০ ১৭:২২ Asia/Dhaka
  • করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পুরান ঢাকায় সেনাবাহিনীর জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম
    করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পুরান ঢাকায় সেনাবাহিনীর জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত এক হাজার ২০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া ৯২ জন পরিবারের সদস্য এবং সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেসামরিক ও অন্যান্য সেবার সাথে যুক্ত ২৫২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ১০ জন।

আজ (শনিবার) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোভিড ১৯-এ মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ৬০ বছরের বেশি বয়স্ক আটজন (অবসরপ্রাপ্ত) এবং দুজন কর্মরত সেনাসদস্য প্রত্যেকেই দীর্ঘদিন ধরে অনিরাময়যোগ্য বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আক্রান্তদের মধ্যে ৯৩৩ জন বিভিন্ন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন। ৪২১ জন সুস্থ হয়ে নিজ নিজ আবাসস্থলে ফিরেছেন। এ পর্যন্ত সামরিক বাহিনীর পিসিআর ল্যাবরেটরিতে সশস্ত্র বাহিনীর চার হাজার ৩৭৫ জন, ৭৭৪ জন পরিবারের সদস্য এবং বেসামরিকসহ অন্যান্য দুই হাজার ২৬১ জন সদস্যের মোট সাত হাজার ৪১০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রণীত সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোভিড-১৯ সংক্রমিত রোগীদের সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষিত চিকিৎসক দ্বারা সার্বক্ষণিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর কর্মরত সব সদস্য, তাদের পরিবার ও অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের কোভিড-১৯ এর নমুনা পরীক্ষার জন্য আর্মড ফোর্সেস ইনস্টিটিউট অব প্যাথলজিসহ (এএফআইপি) সব সিএমএইচে ১৩টি ‘আরটি-পিসিআর' মেশিন প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। এছাড়া সব সিএমএইচে পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী (পিপিই), মাস্ক, গ্লাভস এবং প্রয়োজনীয় ওষুধসহ আনুষঙ্গিক চিকিৎসা সরঞ্জামাদি মজুত আছে বলে জানায় আইএসপিআর।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/২৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

 

ট্যাগ

মন্তব্য