ডিসেম্বর ০৭, ২০২০ ১৭:৫৪ Asia/Dhaka
  • বাংলাদেশে করোনায় আরও ৩৬ জনের মৃত্যু

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (আজ সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত) করোনাভাইরাসে সংক্রমিত আরও ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে আরও ২ হাজার ১১৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

দেশে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৭৪৩ জনের দেহে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৬ হাজার ৮৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৬২৩ জন। আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

অ্যান্টিজেনভিত্তিক পরীক্ষাসহ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৪ হাজার ৩৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার সংখ্যা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ। আজ গতকালের তুলনায় করোনা রোগী শনাক্তের হার, নতুন রোগী ও মৃত্যু সবই বেড়েছে। দেশে এখন পর্যন্ত সংক্রমণ বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। ক্রমেই মহামারি আকারে সংক্রমণ বিশ্বের প্রায় সব দেশে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম সংক্রমণ শনাক্তের কথা জানায় সরকার।

শুরুর দিকে রোগী শনাক্তের হার কম ছিল। গত মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। ওই মাসের শেষের দিক থেকে রোগী শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে চলে যায়। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত সেটি ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর থেকে নতুন রোগীর পাশাপাশি শনাক্তের হারও কমতে শুরু করেছিল। একপর্যায়ে দৈনিক রোগী শনাক্তের হার ১০ শতাংশ পর্যন্ত নেমেছিল।

মাস দুয়েক সংক্রমণ নিম্নমুখী থাকার পর নভেম্বরের শুরুর দিক থেকে নতুন রোগী ও শনাক্তের হারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয়। নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে দৈনিক নতুন রোগী শনাক্তের গড় ২ হাজার ছাড়ায়। অবশ্য আজ নতুন রোগী শনাক্ত দুই হাজারের কম। শুক্রবার অনেকগুলো পরীক্ষাকেন্দ্র বন্ধ থাকে বলে পরীক্ষা কম হয়। নতুন রোগী বাড়ার পাশাপাশি করোনায় মৃত্যুও আবার বাড়ছে।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, টিকা না আসা পর্যন্ত সংক্রমণ প্রতিরোধের মূল উপায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। বিশেষ করে বাইরে বের হলে মুখে মাস্ক পরা শতভাগ নিশ্চিত করা, কিছু সময় পরপর সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়ার বিধি মেনে চলতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে সংক্রমণ আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

এদিকে, বাংলাদেশে করোনার ওষুধ নিয়ে গবেষণায় প্রাথমিক সাফল্য মিলেছে বলে দাবী করেছে  আন্তর্জাতিক উদারাময় রোগ গবেষণা প্রতিষ্ঠান( আইসিডিডিআর,বি) ।   

আজ সোমবার (৭ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীতে এ সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রকাশ করে আইসিডিডিআর,বি জানিয়েছে, আইভারম্যাকটিনের ৫ দিনের ডোজ ব্যবহার করে  ১৪ দিনের মাথায় ৭৭ শতাংশ রোগী সুস্থ হয়েছেন। তাদের গবেষণায় মাত্র ৬৮ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশ নিয়েছে।

তবে সংস্থাটি এখনই সবার জন্য এর ব্যবহার বিষয়ে  সতর্ক করে বলেছে,  বিষয়টি নিয়ে আরও বড় আকারে গবেষণা দরকার। একইসাথে পরীক্ষামূলকভাবে হাসপাতালগুলোতে এই ডোজ ব্যবহার করার সুপারিশ করেছে, আইসিডিডিআরবি।#

 

পার্সটুডে/ বাবুল আখতার/ আব্দুর রহমান খান/ ৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

 

ট্যাগ