অক্টোবর ১৮, ২০২১ ২২:১০ Asia/Dhaka
  • এ এফ এম গওসোল আযম সরকার
    এ এফ এম গওসোল আযম সরকার

ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযথ মর্যাদায় 'শেখ রাসেল দিবস' পালিত হয়েছে। সকাল ১০ টায় দূতালয় প্রাঙ্গনে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়। প্রতিকৃতিটি উদ্বোধন করে তাতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রদূত এ এফ এম গওসোল আযম সরকার।

এসময় দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এ পর্বে শেখ রাসেলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে সৃষ্টিকর্তার নিকট বিশেষ মোনাজাত করা হয়।  

পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়। এ পর্বে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে দেয়া পৃথক পৃথক বাণী পাঠ করা হয়। উপস্থিত অতিথিবৃন্দ এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সকল সদস্যের কথা স্মরণ করে এবং শেখ রাসেলের গুণাবলী ও সম্ভাবনার উপর আলোকপাত করে পৃথক পৃথক বক্তব্য পেশ করেন।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু এবং তার পরিবারের জাতীয় অবদান শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে শেখ রাসেলের অপার সম্ভাবনার কথা বলেন। তিনি তার মধ্যে দেখেন বাংলাদেশের সকল শিশুর প্রতিভূ। তিনি জানান, “বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের মত শেখ রাসেলও ছিলেন স্বপ্ন যা বাস্তবায়নের আগেই নির্বাপিত করা হয় ৭৫ এর নৃশংস হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে”। তিনি আরো বলেন, “বর্তমান ও আগামীর শিশুদের শেখ রাসেলের গুণাবলী ও সম্ভাবনাসহ বড় করা আজকের পিতা-মাতার কর্তব্য”। তিনি তার স্মৃতি সবার মনে জাগরুক থাকবে বলে প্রত্যশা ব্যক্ত করেন। মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।        

অনুষ্ঠানের তৃতীয় পর্যায়ে ইরানে বসবাসকারী বাংলাদেশি শিশুদের শেখ রাসেল’র ওপরে কৃত সৃজনশীল কর্মের (চিত্রাঙ্কন, গান, কবিতা, রচনা, স্মৃতিগাঁথা) প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এসময় শিশুদের এসকল সৃজনশীল কর্ম দূতালয় প্রাঙ্গনে প্রদর্শন করা হয়। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকল শিশুদেরকে দূতাবাস কর্তৃক বিশেষ সনদ এবং বিজয়ী প্রতিযোগিদের সনদ ও মেডেল তাদের বরাবর পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসজনিত কারণে ইরানে বসবাসকারী সকল বাংলাদেশী শিশু অনলাইনে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

অনুষ্ঠানের চতুর্থ পর্বে দূতালয় প্রাঙ্গনে বাংলাদেশি এবং ইরানি অতিথিদের উপস্থিতিতে বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। প্রামাণ্যচিত্রের বিষয়বস্তু ছিল “বঙ্গবন্ধু-শেখ রাসেল ও বাংলাদেশ”। এসময় প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশকেও ইরানি অতিথিদের নিকট বিশেষভাবে উপস্থাপন করা হয়।

অবশেষে বাংলাদেশি ও ইরানি অতিথিদেরকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে দিনব্যাপী 'শেখ রাসেল' দিবসের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।# 

পার্সটুডে/বাবুল আখতার/আশরাফুর রহমান/১৮

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন। 

 

 

ট্যাগ