জুন ৩০, ২০২২ ১৯:৪৬ Asia/Dhaka
  • সারদা কেলেঙ্কারী: আমাকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছেন ‘দিদি’-অধীররঞ্জন চৌধুরী

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী এমপি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে বলেছেন, আমাকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করছেন ‘দিদি’। তিনি আজ (বৃহস্পতিবার) গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই মন্তব্য করেন।

পশ্চিমবঙ্গে বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থা ‘সারদা’ কর্তা সুদীপ্ত সেন দাবি করেছেন, টাকা দেওয়ার বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি তিনি মুকুল রায়, অধীর চৌধুরীর নাম চিঠিতে লিখেছেন। সারদা ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের একটি পুরনো মামলায় আজ ব্যাঙ্কশাল কোর্টে হাজিরা দেন সুদীপ্ত সেন। সেখানেই শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি, মুকুল রায় ও অধীর চৌধুরীর নামও চিঠিতে লিখেছেন বলে দাবি করেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন।   

এ প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী আজ বলেন, ‘ভালো লাগছে যে, দিদির অন্তত মনে হয়েছে যে অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে তো কোনও কলঙ্ক নেই, কোনও দুর্নীতি নেই, যদি একটা কলঙ্ক লাগিয়ে দেওয়া যায়। সুদীপ্ত সেন এ কথা আগেও বলেছিল, সেজন্য আমি সুদীপ্ত সেনকে মানহানির নোটিশ পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু সেই নোটিশের কোনও উত্তর আসেনি। এখন জামিন পাওয়ার জন্য মমতা ব্যানার্জির  (মুখ্যমন্ত্রী) করুণা পাওয়ার জন্য, মমতা যার যার নাম বলছেন, সে এখন তার তার নাম বলতে শুরু করেছে। দিদিকে বলব দিদি আপনি সুদীপ্ত সেনকে তৈরি করেছেন  আমাকে কলঙ্কিত করার জন্য, করুন। কিন্তু ভালো করে ট্রেনিং দিয়ে করুন। আমি  তো চাই, দিদি, আমি, সুদীপ্ত সেন, সিআইডি-সিবিআই সব বসে কালিম্পংয়ের ডেলো  পাহাড়ে দিদির সঙ্গে সুদীপ্ত সেনের কী আলোচনা হয়েছিল সেসব গল্প একটু শুনতে চাই। ভালো লাগছে যে, বাংলার দিদিভাই মনে করছেন যে, অধীর চৌধুরীকে দুর্নীতিতে কালিমালিপ্ত করে কংগ্রেসের ভাবমূর্তি দুর্বল করার চেষ্টা করা যেতে পারে। অর্থাৎ কংগ্রেসের শক্তিকে দিদি মানছেন।’

অন্যদিকে, তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ আজ বলেন, সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন সবথেকে ভালো বলতে পারবেন, কাকে টাকা দিয়েছেন, কী কী ভাবে টাকা দিয়েছেন। তিনি অফিসিয়াল পিটিশনের মধ্যদিয়ে আদালতে বিবৃতিও দিয়েছেন। কিন্তু কয়েকজনের মাত্র তাদের আইনের হয়রানি চলছে। আর শুভেন্দুর (বিজেপি বিধায়ক) মতো, একটা চোর, তোলাবাজ, ব্ল্যাকমেলার বার বার যখন সারদা কর্তা তার বিরুদ্ধে বলছেন তাহলে কেন তিনি আইনের বাইরে থাকবেন? অন্যরা আদালতে চক্কর কাটবেন, আর উনি বিজেপিতে গিয়ে বিজেপির পায়ে ধরে রেহাই পাবেন তা হতে পারে না। সুদীপ্ত সেন যাদের নাম বলেছেন তাদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে হবে। বিজেপিতে চলে গেলে সাতখুন মাফ, সাধু ; আর বাকিরা কোর্টে ঘুরে বেড়াবে এটা চলতে পারে না’ বলেও মন্তব্য করেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ।#

 

পার্সটুডে/এমএএইচ/বাবুল আখতার/৩০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

      

 

ট্যাগ