ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২০ ২০:৪২ Asia/Dhaka
  • পেট্রাপোল সীমান্তে কমপক্ষে দেড় হাজার ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছে
    পেট্রাপোল সীমান্তে কমপক্ষে দেড় হাজার ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছে

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাকের যাতায়াত বন্ধ থাকায় সমস্যায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। এরফলে কয়েক কোটি টাকার পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক পেট্রাপোল সীমান্তে বাংলাদেশের বেনাপোল স্থলবন্দরে ঢোকার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছে। গতকাল (মঙ্গলবার) সকাল থেকে অচলাবস্থা শুরু হলেও আজ (বুধবার) দিনভর জট না কাটায় ওই সমস্যার সমাধান হয়নি।     

এ ব্যাপারে আজ (বুধবার) বিকেলে পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্টস স্টাফ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী  বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি হিসেবে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা কারপাস ও অন্যান্য নথিপত্র পাস করা থেকে বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজে সীমান্ত সংলগ্ন বাংলাদেশের বেনাপোল কাস্টমস দফতর পর্যন্ত যেয়ে থাকেন। বিএসএফের সম্মতিতে এসোসিয়েশনের নির্দিষ্ট পরিচয়পত্র সম্বলিত এজেন্টারাই যাতায়াত করে থাকেন। একইভাবে বাংলাদেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরাও পরিচয়পত্র দেখিয়ে এপার বাংলার পেট্রাপোল সীমান্তসংলগ্ন দফতরে নথিপত্র পাসসহ সংশ্লিষ্ট কাজে আসেন। কিন্তু মঙ্গলবার সকাল থেকে পেট্রাপোল সীমান্তের বিএসএফ কর্মকর্তারা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের কার্ড দেখিয়ে যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা জারি করায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের বেনাপোল স্থলবন্দরে যাওয়ার জন্য পেট্রাপোল সীমান্তে পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাকসহ কমপক্ষে দেড় হাজার ট্রাক বিভিন্ন পার্কিং, যশোর রোড ও অন্যত্র দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছে। পচনশীল পণ্য সময়মত না পৌঁছলে ব্যবসায়ীরা কয়েক কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়বেন।’

কার্ত্তিক বাবু আরও বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এক উপায়ে দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পণ্যবাহী ট্রাকের যাতায়াত হতো। কিন্তু মঙ্গলবার সকাল ৮টা নাগাদ বিএসএফ জওয়ানরা জানান, ওপরমহলের নির্দেশে ওভাবে আর যাতায়াত কার যাবে না। ওই ইস্যুতে বাংলাদেশে আমরা মিটিং করতে গিয়েছিলাম। সেখানকার বন্দর কর্মকর্তা, কাস্টমস, বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা ওই মিটিংয়ে ছিলেন। আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে, বিএসএফ বা সরকারি এজেন্সি যদি সীমান্তের গেট দিয়ে এভাবে যাতায়াতে বাঁধা দেয়, তাহলে আমাদের সময় দেওয়া উচিত যে অমুক তারিখ পর্যন্ত আমরা সময় দিলাম। এরমধ্যে আমরা আলাপ-আলোচনা আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারব। আমরা বিএসএফ কর্তৃপক্ষের আছে মৌখিকভাবে আবেদনে জানিয়েছি সময় দেওয়ার জন্য। তারপরে ওঁদের যেটা ইচ্ছা সেটাই হবে। কিন্তু এভাবে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ আচমকা উভয় দেশের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের যাতায়াত বন্ধ করে ঠিক করেনি। বিনা নোটিশে যেভাবে বিএসএফের ওই সিদ্ধান্ত আমাদের কাছে কষ্টদায়ক।’  

দু’দেশের কর্মকর্তারা আলোচনায় বসে উদ্ভূত সমস্যার সমাধান করতে পারেন বলেও পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্টস স্টাফ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী জানান।#

 পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২৬ 

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

 

ট্যাগ

মন্তব্য