জুলাই ১১, ২০২০ ১২:৪৫ Asia/Dhaka
  • ভারতে একদিনে রেকর্ড ২৭,১১৪ জন করোনা আক্রান্ত, পশ্চিমবঙ্গে সংক্রমণ বাড়ছে

ভারতে একদিনে মারণ ভাইরাস করোনা আক্রান্তে নয়া রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। আজ (শনিবার) সকাল ৮ টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যে প্রকাশ, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭ হাজার ১১৪ টি নয়া সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। একইসময়ে ৫১৯ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

সরকারি সূত্রে প্রকাশ, দেশে এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। করোনায় এ পর্যন্ত মোট ২২ হাজার ১২৩ জন প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া ৫ লাখ ১৫ হাজার ৩৮৬ জন করোনা রোগী সুস্থ হওয়ায় বর্তমানে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৮৩ হাজার ৪০৭ জন।

করোনায় মৃতের সংখ্যার নিরিখে মহারাষ্ট্র, দিল্লি, গুজরাট, তামিলনাড়ু, উত্তর প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ প্রভৃতি রাজ্য এগিয়ে রয়েছে।

অন্যদিকে, আক্রান্তের সংখ্যায় এগিয়ে রয়েছে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, দিল্লি, গুজরাট, উত্তর প্রদেশ, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা, পশ্চিমবঙ্গ প্রভৃতি রাজ্য।

পশ্চিমবঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৯৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছে যা দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় নতুন করে কনটেইনমেন্ট জোনগুলোতে কড়া লকডাউন জারি করেছে রাজ্য সরকার। গত (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৫টা থেকে কনটেইনমেন্ট জোনগুলোতে বসবাসকারী মানুষজন কার্যত ঘরবন্দি। বন্ধ রয়েছে এলাকার দোকানপাটও। স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে মোট করোনা আক্রান্ত ২৭ হাজার ১০৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২৬ জন করোনা রোগীর মৃত্যুর ফলে রাজ্যে এ পর্যন্ত মোট ৮৮০ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে অবশ্য ১৭ হাজার ৩৪৮ জন সুস্থ হওয়ায় বর্তমানে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৮৮১ জন।  

রাজ্যের উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে মোট ৪৬৩ টি এলাকাকে কনটেইমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ২০ টি জেলার বিভিন্ন কন্টেইনমেন্ট জোনে সম্পূর্ণ লকডাউন চালু করা হয়েছে। আপাতত সাত ধরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।

এদিকে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের ৩০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মৃত্যুর হার জাতীয় গড়ের থেকে অনেক কম। অন্যদিকে, ১৮টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সুস্থতার হার জাতীয় গড় সুস্থতার হারের তুলনায় অনেক বেশি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক পরিসংখ্যানে প্রকাশ, দেশে করোনায় মারা যাওয়া মানুষের মধ্যে ৮৫ শতাংশেরই বয়স ৪৫ বছরের বেশি।

৬০ বছর বয়সের বেশি যেসব মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৫৩ শতাংশের মৃত্যুর কারণ করোনা।

৬০ থেকে ৭৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ৩৯ শতাংশ  মানুষের করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন।

৭৫ বছর বয়সী মানুষদের মধ্যে করোনার সংক্রমণে ১৪ শতাংশের মৃত্যু হয়েছে।

১৫/৩০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে মৃত্যুর হার ৩ শতাংশ। ১৪ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে মাত্র এক শতাংশ।#

পার্সটুডে/এমএএইচ//এআর/১১

ট্যাগ

মন্তব্য