ডিসেম্বর ০৫, ২০২০ ১৭:১৭ Asia/Dhaka
  • কর্ণাটকের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অশ্বত নারায়ণ
    কর্ণাটকের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অশ্বত নারায়ণ

ভারতে কথিত ‘লাভ জিহাদ’ ইস্যুতে বিতর্কের মধ্যে অনেক রাজ্য আইন তৈরির করার প্রস্তুতি নিয়েছে। এ সকল রাজ্যের মধ্যে কর্ণাটকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিজেপিশাসিত কর্ণাটকের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সিএন অশ্বত নারায়ণ বলেন, রাজ্য সরকার ‘লাভ জিহাদ’ এবং গরু জবাইয়ের বন্ধের জন্য বিল আনতে চলেছে।

এরআগে বিজেপিশাসিত উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার বেআইনি ধর্মান্তরের বিরুদ্ধে অর্ডিন্যান্স জারি করেছে। এটিকেই লাভ জিহাদ বিরোধী অধ্যাদেশ বলে মনে করা হচ্ছে।

আজ (শনিবার) এনডিটিভি হিন্দি ওয়েবসাইটে প্রকাশ, কর্ণাটকের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অশ্বত নারায়ণ বলেছেন, ‘অনেক রাজ্য ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত বিল নিয়ে এসেছে। আমরা গরু জবাই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা এবং লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে বিল আনার প্রক্রিয়াতে রয়েছি।’

ভারতে গত ২৮ নভেম্বর বিজেপিশাসিত উত্তর প্রদেশে 'বেআইনি ধর্ম পরিবর্তন অধ্যাদেশ' জারি হয়েছে। রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করেছেন। দেশে এই প্রথম কোনও রাজ্যে এ ধরণের অধ্যাদেশ কার্যকর হল। গত ২৪ নভেম্বর উত্তরপ্রদেশ মন্ত্রিসভা লাভ জিহাদ সম্পর্কিত অর্ডিন্যান্সকে অনুমোদন দেয়। এরপরে, এটি অনুমোদনের জন্য রাজ্যপালের কাছে পাঠানো হয়েছিল।

বিজেপিশাসিত মধ্য প্রদেশ ও হরিয়ানা সরকারও কথিত 'লাভ জিহাদ'-এর বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। মধ্য প্রদেশের শিবরাজ সিং চৌহান সরকার লাভ জিহাদ বন্ধে ধর্মীয় স্বাধীনতা বিল ২০২০- এর একটি খসড়া তৈরি করেছে। প্রস্তাবিত আইনের অধীনে মধ্য প্রদেশে ধর্ম গোপন করে কাউকে প্রতারণা করে বিয়ে করলে দশ বছরের কারাদণ্ড হবে। শুধু তাই নয়, এ সংক্রান্ত সহায়তা সংস্থার নিবন্ধন বাতিল করা হবে।

দেশে সাধারণত উগ্রহিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন কথিত ‘লাভ জিহাদ’  শব্দ  ব্যবহার করে প্রচারণা চালায়। তাদের দাবি- মুসলিম তরুণরা হিন্দু তরুণীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে কৌশলে ধর্মান্তর করায়। কিন্তু  চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সংসদে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থাই ‘লাভ জিহাদ’-এর বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করেনি। আইনেও ‘লাভ জিহাদ’ -এর অস্তিত্ব নেই।

পার্সটুডে/এমএএইচ/বাবুল আখতার/৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

 

ট্যাগ