অক্টোবর ১৬, ২০২১ ২১:৪৯ Asia/Dhaka
  • জম্মু-কাশ্মীরে গেরিলাদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত ২, চলতি মাসে নিহত ১১

জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে লস্কর-ই-তাইয়্যেবার শীর্ষ কমান্ডার ওমর মুস্তাক খান্ডেসহ দুই গেরিলা নিহত হয়েছে। অন্যজনের পরিচয় জানার চেষ্টা চলেছে। আজ (শনিবার) দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার পামপোর এলাকায় উভয়পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে গেরিলারা নিহত হয়। পুলিশ বলছে, নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে অস্ত্র, গুলিবারুদসহ আপত্তিকর সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় অভিযান চলছে।

পুলিশ এবং সেনাবাহিনী যৌথভাবে গেরিলাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালানোয় চলতি অক্টোবর মাসে এ পর্যন্ত ১১ জন গেরিলা নিহত হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী গেরিলাদের নির্মূল করতে বিশেষ অপারেশন চালাচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে ওই অভিযানকে ‘অপারেশন ক্লিন’ নাম দেওয়া হয়েছে।  

এদিকে আজ (শনিবার) টিভি ৯ হিন্দি গণমাধ্যম সূত্রে প্রকাশ, নিরাপত্তা বাহিনীর 'অপারেশন ক্লিন' -এ সেনাবাহিনী তার পূর্ণ শক্তি দিয়েছে। অক্টোবর মাসে এ পর্যন্ত ১১ জন গেরিলা নিহত হয়েছে। এরমধ্যে জৈশ-ই-মুহাম্মাদ গোষ্ঠীর একজন শীর্ষ কমান্ডার রয়েছে। একইসময়ে সেনাবাহিনীর একজন ‘জেসিও’ কর্মকর্তাসহ ৭ সেনা সদস্যও নিহত হয়েছে। প্রথমে একইদিনে জুনিয়র কমিশনড অফিসার (জেসিও)সহ ৫ সেনা জওয়ান এবং পরবর্তীতে আরও দু’জন জওয়ানের মৃত্যু হয়। গত কয়েক বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনও অভিযানে একসঙ্গে এতজন সেনা সদস্য নিহত হলেন।     

আজ প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বার্তায় বলা হয়েছে, ‘গত পাঁচ দিনে এ পর্যন্ত সাতজন সেনা সদস্য শহীদ হয়েছেন, যার মধ্যে একজন ‘জেসিও’ রয়েছেন। গত কয়েক দিনে সন্ত্রাসীরা অনেক সাধারণ মানুষকেও হত্যা করেছে। সন্ত্রাসীরা হামলা চালাচ্ছে। মোদি সরকার এসব নিয়ে চুপ করে বসে আছে, কেন?’ 

কাশ্মীরে সম্প্রতি অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা কয়েকজন বেসামরিক মানুষজনকে হত্যা করায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এসকল ঘটনায় কয়েকজন হিন্দু, শিখ ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ নিহত হয়েছেন। এরপরেই নিরাপত্তা বাহিনী সেখানে ব্যাপক তল্লাশি ও গেরিলা নির্মূল অভিযান শুরু করেছে।#     

পার্সটুডে/এমএএইচ/এমবিএ/১৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

ট্যাগ