২০১৯-০৯-২২ ০৯:১৫ বাংলাদেশ সময়
  • প্রদর্শীর একাংশ
    প্রদর্শীর একাংশ

ইরানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করায় আটক মার্কিন ও ব্রিটিশ ড্রোনের একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি। শনিবার তেহরানে আয়োজিত এ প্রদর্শনীর অন্যতম আকর্ষণ ছিল ব্রিটিশ পাইলটবিহীন বিমান বা ড্রোন ‘ফিনিক্স’। আইআরজিসি’র অ্যারোস্পেস ডিভিশন ড্রোনটি আটক করেছে।

যেকোনো আবহাওয়ায় দিবারাত্রির যেকোনো সময় শত্রুর অবস্থানে হামলা চালানোর কাজে ব্রিটিশ ড্রোন ‘ফিনিক্স’ ব্যবহার করা যায়। শত্রু  বাহিনী বা দেশের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি এমনকি আকাশে উড্ডয়মান বিমান নিয়ন্ত্রণের কাজেও এই ড্রোন ব্যবহার করা যায়। ৫.৬ মিটার লম্বা ডানাবিশিষ্ট এই ড্রোন ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৬৬ কিলোমিটার বেগে চলতে এবং টানা পাঁচ ঘণ্টা আকাশে উড়তে পারে।

প্রদর্শনীর একাংশ

আইআরজিসি’র প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া একটি মার্কিন ড্রোনের নাম ‘অ্যারোসন্ড এইচকিউ’। ভূমির অবস্থান থেকে সোজা উপরের দিকে উড়ে যেতে সক্ষম এই ড্রোন ইলেকট্রনিক যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়। দিবারাত্রির যেকোনো সময় শত্রুর অবস্থানে গুপ্তচরবৃত্তি করার কাজেও এটি ব্যবহৃত হয়।

শনিবারের প্রদর্শীতে আমেরিকায় তৈরি ‘ডেজার্ট হক’ নামের আরেকটি ড্রোন প্রদর্শন করা হয়।  ০.৮৬ মিটার লম্বা এবং ৩.২ কেজি ওজনের এই ড্রোন একটি ইলেকট্রিক ইঞ্জিনের সাহায্যে প্রায় এক ঘণ্টা আকাশে উড়তে পারে।

২০১‌৫ সালে আটক আরকিউ-১৭০ সেন্টিনেল 

ইরান এর আগে একাধিকবারে ঘোষণা করেছে তাদের হাতে আটক শত্রু বাহিনীর যেকোনো ড্রোনের ওপর রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং চালিয়ে তারা এগুলোর প্রযুক্তি রপ্ত করতে সক্ষম হয়েছে।

গত জুন মাসে ইরানের হরমুজগান প্রদেশের আকাশসীমায় একটি মার্কিন গোয়েন্দা ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করে আইআরজিসি। তবে এই ড্রোনটিকে অক্ষত অবস্থায় হস্তগত করতে পারেনি ইরান। তবে ২০১৫ সালে আফগানিস্তান থেকে উড়ে আসা একটি মার্কিন ‘আরকিউ-১৭০ সেন্টিনেল’ ড্রোন অক্ষত অবস্থায় নামিয়ে এনেছিল তেহরান। ড্রোনটি ইরানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করার পর ইরানি বিশেষজ্ঞরা এটির রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে এটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং নির্বিঘ্নে মাটিতে নামিয়ে আনেন। #

পার্সটুডে/এমএমআই/২২                    

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

ট্যাগ

মন্তব্য