২০১৯-১১-১৭ ২০:২৮ বাংলাদেশ সময়
  • তেহরানের একটি স্কয়ার
    তেহরানের একটি স্কয়ার

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে তেলের দাম বাড়ানোর বিরুদ্ধে বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত হয়ে এসেছে। আজ তেহরানসহ সব শহরেই গাড়ি চলাচলসহ সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এর আগে গতকাল ইরানে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারীরা তেলের দাম আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়ার দাবিতে স্লোগান দিয়েছেন। তবে কোনো কোনো শহরে বিচ্ছিন্ন সহিংস ঘটনা ঘটে। সেসব স্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। কিছু ব্যক্তি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালিয়েছে, তবে তারা ব্যর্থ হয়েছে।

ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুররেজা রাহমানি ফাজলি শনিবার রাতে টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে জনগণের প্রতিবাদ জানানোর অধিকারের কথা স্মরণ করার পাশাপাশি তাদেরকে আইন অমান্য না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হলে তা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গলজনক হবে। তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের সুযোগে কিছু দুস্কৃতকারী বিভিন্ন শহরে জনগণের সম্পদ ধ্বংস করার পাঁয়তারা চালিয়েছে। তারা গাড়ি, বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়েছে এবং রাস্তা আটকে দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেছে যার ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মানুষকে রাস্তায় কাটিয়ে দিতে হয়েছে।

ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী এখন পর্যন্ত অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করলেও এ ধরনের নাশকতামূলক তৎপরতা চলতে থাকলে তারা বরদাশত করবে না।

গত শুক্রবার রাত ১২টা থেকে ইরানে জ্বালানি তেলের বর্ধিত দাম কার্যকর করা হয়। মূল্যবৃদ্ধির আগে ইরানে প্রতি লিটার তেল বিক্রি হতো প্রায় ৭ টাকায়। এখন তা বাড়িয়ে প্রায় সাড়ে দশ টাকা করা হয়েছে। যারা কেবল ব্যক্তিগত কাজে গাড়ী ব্যবহার করেন তারা প্রতি মাসে এই রেটে সর্বোচ্চ ৬০ লিটার পেট্রোল কিনতে পারবেন। এর বেশি পেট্রোল প্রয়োজন হলে তাকে এক লিটারের জন্য প্রায় ২১ টাকা পরিশোধ করতে হবে।     

বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করছেন, সরকার আগে থেকে কোনো ঘোষণা না দিয়ে এই পদক্ষেপ নিয়েছে।#

পার্সটুডে/এসএ/১৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

ট্যাগ

মন্তব্য