ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২০ ১১:৪৯ Asia/Dhaka

ইরানের ইসলামি বিপ্লবের ৪১তম বিজয় বার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে লাখো-কোটি মানুষের অংশগ্রহণে শোভাযাত্রা শেষ হয়েছে। ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ইমাম খোমেনী (রহ.)’র নেতৃত্বে ইসলামি বিপ্লব চূড়ান্ত বিজয় লাভ করে এবং এর মাধ্যমে দেশটি থেকে কয়েক হাজার বছরের রাজতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা উৎখাত হয়ে যায়।

আজ (মঙ্গলবার) স্থানীয় সময় সকাল ৯টা থেকে সারাদেশের এক হাজার শহর এবং অন্তত চার হাজার ২০০ গ্রামের মানুষ শোভাযাত্রায় অংশ নিতে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পতাকা হাতে লক্ষ লক্ষ মানুষ ‘আমেরিকা ধ্বংস হোক’ ‘ইসরাইল নিপাত যাক’ ধ্বনিতে স্লোগান  দেন। শোভাযাত্রা শেষে এক বিবৃতিতে ইরানি জনগণ ইসলামি ইরানের স্থপতি ইমাম খোমেনী (রহ.) ও ইসলামি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর প্রতি আনুগত্যের শপথ পুনর্ব্যক্ত করেন।

প্রতি বছর ১১ ফেব্রুয়ারির এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে ইরানি জনগণ ইসলামি প্রজাতন্ত্রের স্থপতি ইমাম খোমেনী (রহ.) এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর প্রতি আনুগত্যের শপথ পুনর্ব্যক্ত করেন।

আজকের শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারী এক ব্যক্তি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এবং শহীদ কাসেম সোলাইমানির ছবি বহন করেন

চলতি বছর এমন সময় ইসলামি বিপ্লব বার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে যখন গত মাসে ইরাকে মার্কিন সন্ত্রাসী হামলায় ইরানের কুদস ফোর্সের সাবেক কমান্ডার লেঃ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি শহীদ হয়েছেন।

চলতি বছরের বিপ্লব বার্ষিকীর অনুষ্ঠান প্রচারের দায়িত্বে নিয়োজিত হয়েছেন দেশি-বিদেশি প্রায় সাড়ে ছয় হাজার সাংবাদিক, চিত্রগ্রাহক ও প্রামাণ্য চিত্র নির্মাতা।এদের মধ্যে বিদেশি সাংবাদিক রয়েছেন ৩০০ জনের বেশি।

রাজধানী তেহরানে বিপ্লব বার্ষিকীর শোভাযাত্রাগুলো ঐতিহাসিক আজাদি স্কয়ারে এসে শেষ হয়। এখানে সমবেত জনসমুদ্রের উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য বিশ্বের বহু দেশ থেকে প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, ধর্মীয় নেতা, ক্রীড়াবিদ এবং শিক্ষাবিদরা ইরান সফরে এসেছেন।#

পার্সটুডে/এমএমআই/১১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

ট্যাগ

মন্তব্য