জুলাই ০৮, ২০২০ ২১:০৬ Asia/Dhaka
  • ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইয়্যেদ আব্বাস মুসাভি
    ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইয়্যেদ আব্বাস মুসাভি

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইয়্যেদ আব্বাস মুসাভি বলেছেন, চীনের সাথে ইরানের কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতেই শত্রুরা বিভ্রান্তমুলক প্রচারণা চালাচ্ছে। তবে এই চুক্তির ব্যাপারে অপপ্রচার চালিয়ে শত্রুরা বিস্তারিত তথ্য পাবে না।

গতকাল (মঙ্গলবার) এক টুইটার পোস্টে একথা বলেছেন আব্বাস মুসাভি। সম্প্রতি এই চুক্তির ব্যাপারে যেসমস্ত মিথ্যা এবং গুজব ছড়ানো হয়েছে তা নাকচ করেন ইরানের এই কর্মকর্তা।

আব্বাস মুসাভি বলেন, স্বচ্ছ রোডম্যাপ ও সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা এবং নীতির উপর ভিত্তি করে এই চুক্তি হতে যাচ্ছে যার মাধ্যমে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নির্ধারিত হবে।

তিনি বলেন, আশা করা যাচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতিতে চীন খুব শিগগিরই নেতৃত্বে পর্যায়ে পৌঁছাবে এবং ইরান মধ্যএশিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তিতে পরিণত হবে। ফলে দুই পক্ষ তাদের অভিন্ন স্বার্থ নিশ্চিত করতে পারবে এবং বলদর্পী শক্তিগুলোর ষড়যন্ত্রমূলক চাপকে রুখে দিতে সক্ষম হবে।

ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে  চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (২০১৬ সালের ছবি)

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৬ সালে ইরান সফরে যান এবং সেসময় যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে ইরান ও চীনের মধ্যে সম্ভাব্য এই চুক্তির ব্যাপারে ঘোষণা দেন। দু'দেশের পারস্পরিক সহযোগিতামূলক এই চুক্তির রোডম্যাপে ২০ ধারা রয়েছে যেখানে পারস্পরিক সম্পর্ককে রাজনৈতিক, নির্বাহী সহযোগিতা, মানবিক ও সাংস্কৃতিক, বিচারবিভাগ, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

আব্বাস মুসাভি বলেন, এই চুক্তি সম্পর্কে যে গুজব ছড়ানো হয়েছে সে ব্যাপারে তেহরান জানাচ্ছে যে, ইরানের কোনো দ্বীপ চীনের কাছে হস্তান্তর করা হবে না; ইরানে কোনো বিদেশি রিক বাহিনীর উপস্থিতি থাকবে না। তিনি বলেন, শত্রুরা প্রচারণা চালিয়ে সঠিক তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছে কিন্তু কোনভাবেই তারা সেই তথ্য পাবে না।

এর আগে, গত রোববার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ বলেছেন, তেহরান ও বেইজিংয়ের মধ্যে চুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত করা নিয়ে আলোচনা চলছে। এটি চূড়ান্ত হলে জনগণকে জানানো হবে; এ বিষয়ে কোনো গোপনীয়তা বলে কিছু থাকবে না।#

পার্সটুডে/এসআইবি/৮

ট্যাগ

মন্তব্য